English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

বন্ধুত্বের বন্ধন হয় যেন চিরদিনের!

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বন্ধু বন্ধু!

‘বন্ধু’ শব্দটি যতই ছোট হোক, এর গভীরতা আর ব্যাপ্তি অনেক বেশি। বিশ্বাস আর নির্ভরতার প্রতীক বন্ধুত্বের সম্পর্কটি উদযাপন করতে প্রতিবছর আগস্ট মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় বিশ্ব বন্ধু দিবস।

 

 

‘পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্কটির নাম বন্ধুত্ব- এরিস্টটলের এই চিরসত্য বাক্যটির গভীরতা কতটা, তা তখনই বোঝা যায় যখন জীবনে খুঁজে পাওয়া যায় সত্যিকারের একজন বন্ধু। বন্ধুত্ব মানে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব মানে পরস্পরের মাঝে সহযোগিতা, বন্ধুত্ব মানে বিপদে পাশে থাকা, সুখে-দুঃখে এক থাকা। জীবনের কোনো বাঁকে নয়, বন্ধুত্বের ব্যাপ্তি সারাজীবন।

 

 

বন্ধুত্ব হচ্ছে আঁধার রাতে আলোর প্রদীপ জ্বালানো। তবে যদি তা হয় সত্যিকার বন্ধু। ফেসবুক, স্কাইপ, ম্যাসেঞ্জারের ভার্চুয়াল এই যুগে সত্যিকার বন্ধু আর নিঁখাদ বন্ধুত্ব খুঁজে পাওয়াটা বেশ কঠিন। একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু যেমন আপনার জীবনে আলো ছড়াতে পারে, তেমনি জীবন প্রদীপ নেভাতেও পারে।

প্রকৃত বন্ধু হচ্ছে সেই যে সুখের সময় যেমন হাসিমুখে পাশে থাকে, তেমনি দুঃখের দিনগুলোতেও লড়াইয়ের সাহস জোগায়। মা-বাবার সঙ্গে যে কথাগুলো শেয়ার করা যায় না, তা নির্দ্বিধায় প্রিয় বন্ধুটিকে শেয়ার করে হালকা হওয়া যায়। তবে তাকে অবশ্যই হতে হবে প্রকৃত বন্ধু। তা না হলে লাভের চেয়ে ক্ষতিটাই বেশি হবে। ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদির কল্যাণে এখন বন্ধু হওয়া বা পাওয়াটা অনেক সহজ। তবে শুধু দূরালাপনীতে কথা বলে বা চ্যাটিং করে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্ক আসলেই প্রকৃত বন্ধুত্ব কিনা তা জেনেবুঝে নিন।

আরো পড়ুন:- বিয়ে করবে কি না যেভাবে বুঝবেন

ভেবে দেখুন বন্ধুটি সঠিক কিনা, বিশ্বাস করা যায় কিনা। কারণ বন্ধু মানে একটি মানুষের পরিবর্তনের চাবিকাঠি। বন্ধুর চরিত্রের প্রভাব পড়বে আপনার ওপরও। তাই বন্ধুর চরিত্র সম্পর্কে সচেতন হোন। এমন বন্ধু নির্বাচন করুন যার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক হবে হাত আর চোখের সম্পর্কের মতো। হাতে ব্যথা লাগলে চোখে জল আসে। আর চোখে যদি জল ঝরে, তবে হাত এগিয়ে যায় তা মুছে দিতে। নয়তো আপনাকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে বিপদে ঠেলে দেবে।
বন্ধু যে সব সময়ই তুই করে বলা সমবয়সীরাই হয় তা কিন্তু নয়, বন্ধু হতে পারে যে কেউ। আপনার সব থেকে কাছের বন্ধুটি যেমন আপনার বন্ধু হতে পারে, তেমনি বাবা-মা কিংবা ছোট ভাইবোনও বন্ধু হতে পারে।

 

দেখুন বিস্তারিত:- হাতের সোল্ডারে ব্যাথা কি করবেন ঘড়ে বসেই সমাধান জেনে নিন

আবার জীবনের নানা বাঁকে পরিচয় হওয়া বয়সে অনেক বড় কিংবা ছোট কেউও হতে পারে আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধু। আবার শিক্ষাজীবনে শুধু একজন বা দুজন নয়, কয়েকজন মিলেও তৈরি হতে পারে গ্রুপভিত্তিক বন্ধুত্ব। তবে এ ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার আশংকাও থাকে। তাই গ্রুপের সবাইকে নিজেদের মধ্যে স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করা উচিত।

 

বন্ধুত্ব মানেই চিরদিনের বন্ধন। বন্ধত্বকে কখোনই অবহেলা করা উচিত নয়। যে বিপদের সময় পাশে থাকে সেই প্রকৃত বন্ধু। আর যদি কখনো জীবনে প্রকৃত বন্ধু কেউ পায় তাহলে তার কখনোই উচিত নয় তার বন্ধু কে অবহেলা করা। বন্ধুকে গুরুত্ব দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর যদি অবহেলা করা হয় তাহলে সৃষ্টি হতে পারে বন্ধুত্বের মাঝে শত্রুতা। তাই বন্ধুর সাথে ভালো ব্যবহার করুন, ভালো বন্ধূ নির্বাচন করুন। বন্ধূর সাথে মজা করুন, হাসুন প্রাণ খুলে। আপনার বন্ধুত্ব যেন হয় চির দিনের…

 

আরো পড়ুন:- পুরুষদের প্রস্টেট ক্যান্সার থেকে বাঁচতে হলে যা করতে হবে।

বিডিটুডেস/আর এ/০৪ ডিসেম্বর,২০১৭