English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

বাড্ডার ওসিসহ আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারিতে

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিলসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১১ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম এই দিন ধার্য করেন।

ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

গত ১১ জুন উত্তর বাড্ডার নুরুন নাহার নাছিমা বেগম নামের এক নারী বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি করেন। মামলার আসামিরা হলেন—বাড্ডা থানার ওসি এম এ জলিল, উপপরিদর্শক (এসআই) শহীদ, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দ্বীন ইসলাম, এএসআই আবদুর রহিম, অ্যাডভোকেট জাহানারা রশিদ রূপা, রোকেয়া রশিদ, আতাউর রহমান কাইচার ও মো. শুক্কুর আলী। মামলায় পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার আরজি থেকে জানা যায়, মামলার বাদী নুরুন নাহার নাছিমার সঙ্গে মামলার ৫ নম্বর আসামি জাহানারা রশিদের জমিজমা নিয়ে মামলা চলে আসছিল।

আসামি জাহানারা রশিদ বাদী ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মামলা করেছেন। জাহানারা রশিদের বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ডেসকো তাঁর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে তিনি বাদীর থেকে সংযোগ নিতে চাইলে বাদী অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে জাহানারা রশিদ বাড্ডা থানার পুলিশের সহায়তায় বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকেন।

পরবর্তী সময়ে গত ২৬ মে ওসি এম এ জলিলের আদেশে এএসআই আবদুর রহিম বাদীর ভাড়াটিয়াকে বাড়ি থেকে বের করে বাসার চাবি নিয়ে যান। বাদী চাবি ফেরত চাইতে থানায় গেলে এএসআই আবদুর রহিম দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।