English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

দোষারোপের রাজনীতি বন্ধ হবে কবে?


দেশে গুম, হত্যা এবং কোন ধরনের ঘটনা ঘটলেই সরকারি দল বিরোধী দলকে এবং বিরোধী দল সরকারী দলকে দায়ী করে স্ব-স্ব বক্তব্য প্রদান করে যাচ্ছে।এমনটাই গনমাধ্যম গুলোতে চোখ রাখলে স্পট আমরা দেখতে পাচ্ছি। অপরকে দায়ী করে বক্তব্যের মধ্য দিয়েই চলছে রাজনীতি এবং গদী দখলের লড়াই।রাস্ট্র বিজ্ঞানের ভাষায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে রাজনীতি মানে জনগনের জন্য।বাস্তবিক অর্থে পুরোটাই উল্টো।
বর্তমানে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের বক্তব্যের দিকে দৃস্টিপাত করলে স্পষ্ট প্রতিয়মান হচ্ছে, জনগনের সুখ ও দুখ দেখার জন্য রাজনীতি নয়।শুধুমাত্র জনগনকে কিভাবে ব্যবহার করে ক্ষমতার মসনদে বসা যাবে বা ক্ষমতায় থেকে ও পুনরায় কিভাবে টিকিয়ে রাখা যাবে মিথ্যা বুলি উড়িয়ে যাচ্ছে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
দেশে একের পর এক খবর আসছে ,বাড়ি ঘেড়াও করে রেখেছে প্রশাসন। জঙ্গি আস্তানা রয়েছে তাই। প্রশাসন জীবনবাজী রেখে সফল হচ্ছে। হতবাগ জনগন তখন, যখন সরকারি দলের নেতাদের বক্তব্যে বলতে শুনা যায়, এটা বিশেষ একটি দলের সৃস্টি।বিশেষ দলটির নেতাগন বলে এটা সরকারি দলের সৃস্টি। প্রশ্ন জাগে আমজনতার মনে ,পৃথিবীর বহুরাস্ট্রেই জঙ্গি হামলা হচ্ছে যা গনমাধ্যমে আমরা দেখতে পাচ্ছি। ওই সকল দেশের সকল দল উঠেপরে লেগে যায় কিভাবে তাদের ধবংস করা যাবে।তারাতো এ নিয়ে কোন রকম দোষারোপে ব্যাস্ত নয়?
অন্যদিকে দেখাযায়, বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটলে ওইদিনই সরকারি দলের নেতাদের বক্তব্য এঘটনার জন্য বিশেষ দলটি দায়ী। বিশেয দলের নেতারাও উল্টো একই রকম বক্তব্য প্রদান করে। এনিয়ে রাজনীতির মাঠ হয়ে ওঠে সরগরম। এর পর নতুন কোন ঘটনার জন্ম হওয়া মাত্রই গত ঘটনার কথা কোন দলের নেতার মুখে আর শোনা যায়না।এখন যাহা ঘটলো তা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যদিয়ে রাজনীতির মাঠ গরম করে রাখে।কিন্তু গত কালের ঘটনার সঠিক সমাধান কেউ জানতেও চায়না।
জনগনের মনে আজ প্রশ্ন জেগেছে,তাহলে রাস্ট্র বিজ্ঞানের সংগা কি ভুল?  প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক কারন আমাদের দেশের কোন নেতার মুখেই একে অপরকে দোষারোপ ব্যতিত কোন বক্তব্য শুনা যায়না।পাঠক সবচেয়ে পীরাদায়ক তখন লাগে ,যখন কোন ঘটনা ঘটলে পরিদর্শন করতে গিয়ে বক্তব্যে নেতা বলেন, এ ঘটনার জন্য ওমোক দলের ওই নেতা দায়ী।আবার সরাসরিও বলে ফেলে এটা ঘটিয়েছে ওই নেতা। তারা যদি জেনে যায় কে ঘটনার নায়ক তাহলে প্রশাসন এনিয়ে তদন্ত করার দরকারই বা কি রয়েছে ।তাইতো আজ বলতে হচ্ছে, কবে আসবে সেই দিন, দেশ নিয়ে ভাববে প্রতিটি নেতা প্রতিদিন।
লেখা: আবুসিদ্দিক বাদল (সাংবাদিক)