English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

চিকুনগুনিয়া জ্বরের ব্যথায় বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা রিহেব–ফিজিও


 

চিকুনগুনিয়া  হলো ভাইরাস দ্বারা মানবদেহে সংঘটিত এক প্রকার জ্বর।

রোগের কারনঃ– চিকুনগুনিয়া ভাইরাস(টোগা  ভাইরিডায়ি নামক ভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত)   যা মুলত মশার মাধ্যমে ছড়ায়।

রোগ বিস্তারের সময়ঃ–  ২- ১২   দিন  মানবদেহে প্রবেশের পর আমরা লক্ষন দেখতে পাই।

রোগের লক্ষন বা উপসর্গঃ

*জ্বর

*তাপমাত্রা সাধারণত ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট   পর্যন্ত হতে পারে, জ্বরের সাথে স্বল্প  বা তীব্র কাঁপুনি থাকতে পারে।

*অস্থিসন্ধিতে ব্যাথা ।

* মাথাব্যাথা।

* অবসাদ/পরিশ্রান্।

* নেত্রবর্ত্নকলা প্রদাহ।

*  ফুসকুড়ি।

* বমিভাব বা বমি হতে পারে ।

*  চিকুনগুনিয়ার লক্ষন  ডেঙ্গু  এবং  জিকা ভাইরাস জ্বর এর সাথে মিল আছে।

 

চিকিৎসা

১।    যেহেতু এই রোগের জন্য বিশেষ ঔষুধ আবিস্কার হয়নি তাই চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক ।

২।    সাধারনত জ্বর এবং ব্যাথার জন্য প্যারাসিটামল উপকারি তবে এসপিরিন জাতীয় ঔষুধ ব্যবহার না করা ভাল।

৩।  সম্পূর্ণ বিশ্রাম  নিতে হবে এবং  প্রচুর পানি খেতে হবে।

৪। যদি চিকুনগুনিয়া নিশ্চিত  হয় তবে সবরকম মশার কামড় থেকে দূরে থাকতে হবে।প্রয়োজনে মশারি ব্যবহার করতে হবে।

৫। এই রোগের প্রতিরোধে কার্যকর  কোন টীকা বাজারে আসেনি।

৬।বমির চিকিৎসায় বমি নাশক ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে ।

৭। জ্বর  থাকা অবস্থায় সাধারনত ৫ – ৭ দিন কোন প্রকার ফিজিক্যাল  থেরাপি   দেয়া যাবে না, তবে ব্যথা বা ফোলার আক্রান্ত স্থানে ঠাণ্ডা বা বরফ  পানি সেক প্রত্যহ ৩ -৫ মিনিট করে দুই বেলা দেয়া যেতে পারে ।

।  জ্বর কমে গেলে জোড়া ও  মাংসপেশির ব্যথার জন্য রিহেব-ফিজিও অত্যন্ত কার্যকরী চিকিৎসা ।

। বাসায় আলাদা আলাদা দুটি বালতি বা গামলায় কুসুম গরম পানি ও ঠাণ্ডা পানি নিয়ে ব্যথা  বা ফুলায় আক্রান্ত জোড়া ১ মিনিট  করে ১ বার গরম পানিতে ও ১ বার ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে নাড়াবেন ।এভাবে প্রত্যহ ১ বার বা দুই বার করতে হবে ।

১০। ব্যথা কমার পাশাপাশি রিহেব- ফিজিও বিশেষজ্ঞের নির্দেশ মত ব্যায়াম করতে হবে ।

১১। নরম সোলের জুতা ব্যবহার করতে হবে ।

 

ডাঃ মোঃ সফিউল্যাহ প্রধান

রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ

ডিপিআরসি হাসপাতাল ,  

২৯ প্রবাল হাউজিং ,রিং রোড ,শ্যামলী , ঢাকা।

ফোনঃ ০১৯৯৭৭০২০০২