English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

৮ই সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস (ভিডিও সহ)


৮ই সেপ্টেম্বর’২০১৭ইং বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। এই বছরের স্লোগান “ফিজিক্যাল একটিভিটি ফর লাইফ” (সূত্র: ওয়ার্লড কনফেডারেশন অব ফিজিক্যাল থেরাপি, ডব্লিউসিপিটি,www.wcpt.org)

ফিজিওথেরাপি’র ইতিহাস

বিজ্ঞানের সবকটি শাখার উন্নতির ধারাবাহিকতায় থেমে নেই চিকিৎসা বিজ্ঞানও। একসময় মানুষ সুনির্দিষ্ট চিকিৎসার অভাবে মারা যেত, কষ্ট পেত কিংবা পঙ্গু হয়ে মানবতার জীবনযাপন করত। কিন্তু র্বতমান আধুনিক বিশ্বে বিজ্ঞানের অবদানে আজ মানুষ অসম্ভব করেছে সম্ভব, ফিরে পাচ্ছে মুখের হাসি ও চলমান স্বাভাবিক জীবণ। চিকিৎসা বিজ্ঞানর যে শাখাটি আবিস্কারের জন্য আজ মানুষ পঙ্গুত্ব কে করেছে জয়, সেসঙ্গে কাটাচ্ছে বাত-ব্যথা মুক্ত সুস্থ স্বাভাবিক জীবণ সেই শাখাটির নাম ফিজিওথেরাপি।আসুন এবার জেনে নেই, চিকিৎসা বিজ্ঞানের আধুনিক এই শাখাটির আদ্যপাত্ব। ফিজিওথেরাপি একটি ইংরেজী শব্দ। এখানে ফিজিও অর্থ শারীরিক আর থেরাপি অর্থ চিকিৎসা পদ্ধতি অর্থাৎ ফিজিওথেরাপি অর্থ হচ্ছে বিশেষ ধরনের শারীরীক চিকিৎসা পদ্ধতি।

১৯১৩ সালে নিউজল্যান্ডের একদল স্বাস্থ্য কর্মী প্রথম তাদের দেশে চিকিৎসাসেবায় প্রথমবারের মত ফিজিওথেরাপি সেবা দেয়া শুরু করে। ঠিক এর পরের বছর ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট তাদের দেশেও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা সেবা দেয়া আরম্ভ করে। এরপর শুরু হয় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি কাজে নানা গবেষণা। ১৯২১ সালে যুক্তরাষ্টের চিকিৎসক মেরি এমসি মিলান ফিজিক্যাল থেরাপিস্ট এসোসিয়েশন গঠন করেন এবং ঘোষণা দেন এখন থেকে পঙ্গুদের পুনবার্সনের জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের আধুনিক শাখাটির নাম ফিজিওথেরাপি।

১৯২৪ সালে জিওরজিয়া ওয়ার্ম স্পিং ফাউন্ডেশন পোলিও রোগ নিয়ে কাজ শুরু করে, এক পর্যায়ে ফাউন্ডেশনটির অন্যতম কর্মী সিস্টার কিননি পোলিও চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি অন্তভুর্ক্ত করেন।এরপর ফিজিওথেরাপি হয়ে উঠে পোলিও রোগীর পুনবার্সন ও চিকিৎসার মুল চিকিৎসা পদ্ধতি। মোট কথা এটাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। এরপর ১৯৫০ সালে পঙ্গুত্ব ও বাত ব্যথা প্যারালাইসিস চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন হাসপাতালে নিউরোলজি, অর্থোপেডিকস ডিপার্টমেন্টের পাশাপাশি স্থান করে নেয়। তারপর বিজ্ঞানের অবদানে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ধীরে ধীরে সংযুক্ত হতে থাকে হাইড্রোথেরাপি, ক্রায়োথেরাপি, কাইনেশিওলজি।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮০ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বাত ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপিতে যোগ করেন ইলেক্ট্রিকাল স্টিমুলেশন, শর্টওয়েভ ডায়াথেরামি, আল্ট্রাসাউন্ড ওয়েভ, মাইক্রো ওয়েভ ইনফ্রারেড রেডিয়েশন, আল্ট্রাভায়োলেট রেডিয়েশন,ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক ওয়েভ, ওয়াক্স বাথসহ ফেরাডিক, গ্যালভানিক কারেন্ট। ফিজিওথেরাপিতে এ অংশটির নাম দেয়া হয় ইলেক্ট্রোথেরাপি। ১৯৯০ সালে ফ্রেডি কেলর্টেনবর্ন নামের একজন ফিজিওথেরাপিস্ট ম্যানুয়াল থেরাপির বিভিন্ন ধারা ব্যবহার করে রোগীকে সুস্থ করে তোলার মধ্য দিয়ে সারা পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টি করে।এভাবেই একটু একটু করে সাফল্য অর্জনের মধ্য দিয়ে ফিজিওথেরাপি বাত ব্যথা প্যারালাইসিস ও স্পোর্টস ইনজুরির চিকিৎসাসহ পঙ্গুদের পুনবার্সনে চিকিৎসা বিজ্ঞানে অন্যতম শাখা হিসেবে স্থান করে নেয়। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপি বর্তমানে বাত ব্যাথ প্যারালাইসিস ও স্পোর্টস ইনজুরির চিকিৎসায় অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে পরিগনিত হচ্ছে।

বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, বাত ব্যথা চিকিৎসায় কিছু ভিটামিন ছাড়া যে সব ব্যথার ঔষুধ ব্যবহার করা হয় এর পার্শ্বপ্রতিত্রিয়ায় পেপটিক আলসারসহ কিডনি ডেমেজ হয়ে যায়। একারনে এসব ঔষুধ দীর্ঘদিন সেবন করা যায় না। তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানে বাত ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপিই বর্তমানে পার্শ্বপ্রতিত্রিয়ামুক্ত একমাত্র উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি।

অসংক্রামক রোগের চিকিৎসায় ফিজিক্যাল থেরাপির ভূমিকা
চিকিৎসা ব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপি গুরুত্ব, ফিজিক্যাল থেরাপিষ্টদের ভূমিকা ও অবদান চিকিৎসা সংশি¬ষ্ট ও সাধারন মানুষের মাঝে পৌছানোর লক্ষ্যে ১৯৫১ সালে থেকে প্রতি বৎসর ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালিত হচ্ছে। ১৯৬৬ সালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় দিবসটির ব্যপকতা ও গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। দিবসটি উপলক্ষে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে আমরাও র‌্যালি, সভা সেমিনারের আয়োজন করেছি।

ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ন শাখা যা অতি প্রাচীন কাল থেকেই চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ করে হাড়, জোড়া, মাংস পেশী ও স্নায়ুর কর্মক্ষমতা হ্রাস বা লোপ পাওয়ার ক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূন ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় এসেছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ও আধুনিকতা, ব্যপ্তি সর্বক্ষেত্রে। বিশেষ করে অসংক্রামক রোগের এর ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন।

বিগত বছর বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ছিল বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ন, কারণ প্রথম বারের মতো শুধু মাত্র অসংক্রামক রোগের উপর জাতি সংঘের সামিট করা হয়েছিল। জাতি সংঘের ইতিহাসে শুধু মাত্র একটি বিষয়ের ওপর সামিট আহবানের ঘটনা এটা দ্বিতীয় যা আমেরিকার নিউইয়ার্ক এ সেদেশের সরকার প্রধানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সামিট উপলক্ষে জাতি সংঘের বিবৃতি বিশ্বে অসংক্রামক রোগের বিশেষ করে হ্নদ রোগ, বক্ষ্যব্যধি, ডায়াবেটিকস, এবং ক্যানসার আশাংকা জনক ভাবে বৃদ্ধি বিশ্ব স্বাস্থ্য ও ঝুকির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। জাতি সংঘের মতে বিশ্বে প্রতি বছর ৩৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয় শুধু মাত্র অসংক্রামক রোগের কারনে যা বিশ্বে মোট মৃত্যুও ৬০%।

রির্পোট মতে অসংক্রামক রোগের কারনে অক্ষমতা ও মৃত্যুও হার কমানো ফিজিওথেরাপি এর মাধ্যমে সম্ভব। ফিজিওথেরাপিষ্টরা হিউম্যান মুভমেন্ট এবং ফিজিক্যাল এ্যাকটিভিাট, প্রমটিং হেলথ, ফিটনেস এবং বিশেষজ্ঞ, ফলে ফিজিওথেরাপিষ্টরা লক্ষ লক্ষ মানুষ কে অক্ষমতা থেকে সক্ষমতায় আনতে ও মৃত্যুও হার কমাতে সাহায্য করতে পারে।

অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোট মতে ফিজিক্যাল ইনএ্যাকটিভিটি বিশ্বে মৃত্যুও অন্যতম প্রধান কারন এবং একারণে প্রায় ৩.২ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয় বছরে,অন্যদিকে ফিজিক্যাল এ্যাকটিভিটি অসংক্রামক রোগের হার কমায়।

সামিট এর আলোচিত অসংক্রামক রোগের ক্যানসার ছাড়া অন্যান্য সব রোগ যেমন- হ্নদ রোগ, বাত ব্যথা, বক্ষ্যব্যধি, ডায়াবেটিকস সহ অন্যান্য অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারন ফিজিক্যাল ইনএ্যাকটিভিটি এবং ফিজিক্যাল এ্যাকটিভিাট এর মাধ্যমে প্রতিকার ও প্রতিরোধ করা যায় যা অনেক গবেষণার প্রকাশিত। সম্প্রতি ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণার প্রকাশিত বিশ্বে প্রতি বছর ৭.৬ মিলিয়ন(মোট মৃত্যুর-১৩%) মানুষ ক্যানসারে মারা যায় এবং ফিজিক্যাল এ্যাকটিভিটি বাড়িয়ে ৩০% মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়। আরেকটা গবেষণায় প্রকাশিত সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ফিজিক্যাল এ্যাকটিভিটি ৩৪% কোলোন এবং ব্রেষ্ট ক্যানসার এর মৃত্যুও হার কমায়।

সুতরাং সামিটে অসংক্রামক রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের কেন্দ্র বিন্দুতে যে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এবং ফিজিওথেরাপিষ্টরা থাকবেন এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায়।

সাইন্টিফিক এভিডেন্স বেইজড ফিজিওথেরাপি ও বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি প্রাকটিস


বিশ্বব্যাপী লক্ষা করা যায় বিভিন্ন রকম বাতের ব্যথা, হাড়, জোড় ও মাংসপেশীর ব্যাথা পেইস, ব্যাক পেইন, প্যারালাইসিস কিংবা মুভমেন্ট জনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনে দিনে গানিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরনের রোগসমুহের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং প্রতিরোধের জন্য বিজ্ঞান ভিত্তিক ফিজিওথেরাপিই উচ্চ শ্রেণীর গবেষনা সমৃদ্ধ অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। তাই ফিজিওথেরাপির চাহিদা ও গুরুত্ব খুব বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিশ্বব্যাপী স্বাধীন পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ফিজিওথেরাপি মুলত নলেজ, হ্যান্ড, এক্সারসাইজ, ম্যনুয়াল থেরাপি, মুভমেন্ট বেইজড এবং সহ উপকরণ হিসেবে ইলেকট্রোথেরাপি মেশিন এর উপর নির্ভরশীল।

সক্রিয় জীবনের জন্য মুভমেন্ট অপরিহার্য। ঘড় গড়াবসবহঃ, ঘড় ষরভব জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যদি কোন কারনে মুভমেন্ট জনিত সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে তার ফিজিওথেরাপি লাগবেই। এই দীর্ঘ পরিক্রমায় কারা কিভাবে বিজ্ঞান সম্মত ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করবেন তা জানতে হবে। যেমন জন্মের পর শারীরিক অক্ষমতা এবং মুভমেন্ট জনিত সমস্যা তাত্বিক জ্ঞান প্রয়োগ করে পর্যালোচনামুলক বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমে সমস্যা ও সমস্যার কারণ নির্ধারণ পূবর্ক বিজ্ঞান সম্মত ফিজিওথেরাপি নির্ধারিত হয়। এই বিষয়গুলো যিনি নির্ধারন কিংবা প্রয়োগ করবেন তাকে নিশ্চয় মুভমেন্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে হবে। যদি তা না হয়, সর্বনাশ অনিবার্য। আর এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ একমাত্র ফিজিওরাই। কারণ ফিজিওরাই সরকারী অনুমোদিত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান হতে ৫ বছর মেয়াদী প্রফেসনাল ফিজিওথেরাপি ডিগ্রী নিয়ে থাকেন।

এই প্রোগ্রমে মেডিকেল, বায়োলজিকাল এবং বিহেভিয়েরাল সাইন্সের শক্ত ভিত্তিতে তৈরি। এই ৫ বছর সময়কালীন তাদেরকে এনাটোমি, ফিজিওলজি, ফার্মকোলজি, বায়োমেকানিক্স, একসারসাইজ মেডিসিনি থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ, ম্যানুয়াল থেরাপি, সাইকোলজি এন্ড সাইক্রিয়াটি, সোসাল মেডিসিন, ইলেক্ট্রো থেরাপি, বিভিন্ন মেডিকেল ও সার্জিকাল কন্ডিশন, স্পোর্টস নিউরো, অর্থোপেডিক, কার্ডিওরেসপিরেটরী, রিউমাটোলজি, গাইনি ও অবস, কমিউনিটি ফিজিওথেরাপি বিষয়ে প্রায় ৫ হাজার ঘন্টাব্যাপী ত্বাত্ত্বিক, ব্যবহারিক ও ক্লিনিকাল শিক্ষা অর্জন করতে হয়।

ফিজিওথেরাপি ডিগ্রী প্রোগ্রামে ছাত্র-ছাত্রীরা মানুষের মুভমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত করে রোগ নির্ণয় পূর্বক তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ত্বাত্ত্বিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে স্বাস্থ্য সেবায় একজন দক্ষ সদস্য হিসেবে আবিভুত হন। এ দীর্ঘ সময়ে যারা বিজ্ঞান সম্মত ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত ত্বাত্ত্বিক, ব্যবহাকি ও ক্লিনিকাল শিক্ষা অর্জন করেন তারাই হবেন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক এবং তারাই বিজ্ঞানসম্মত এভিডেন্স বেইজড ফিজিওথেরাপি প্রাকটিস করার অধিকার রাখেন।

সর্বশেষে বলতে চাই আপনার কিংবা আপনার পরিবার কিংবা আপনার পরিচিত জন যে কেউই যে কোন কারনে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিচ্ছেন কিংবা নিবেন অনুগ্রহ পূর্বক আপনার স্বার্থে জেনে যিনি আপনার ফিজিওথেরাপি দিচ্ছেন তিনি সরকার অনুমোদিত ফিজিও রেজিঃ পাওয়ার যোগ্য কিনা এবং এ সংক্রান্ত তার সার্টিফিকেট আছে কিনা কিংবা তিনি যে ফিজিওথেরাপি দিচ্ছেন তা বিজ্ঞানসম্মত কিনা। একজন ফিজিওই পারেন এভিডেন্স বেইজড ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা দিতে, অন্য কেউ নয়।

সময়মত এভিডেন্স বেইজড ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন, সচল ও কর্মক্ষম জীবন যাপন করুন।

ভিডিও লিংক

 

ড. মোঃ সফিউল্যাহ্ প্রধান
প্রতিষ্ঠাতা ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ফিজিক্যাল থেরাপি অ্যাসোসিয়েশন(বিপিএ)

www.bd-bpa.org
রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
মোবাইলঃ ০১৯৯৭৭০২০০১

www.dprcbd.com