English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

গুরুদাসপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর পুকুরে মিললো শিশুর রক্তাক্ত লাশ


অমর ডি কস্তা, নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার জুমাইনগর গ্রামে নিখোঁজের তিন দিন পর পুকুরে মিলল আহম্মেদ আলী নামে দেড় বছরের এক শিশুর রক্তাক্ত লাশ।

বুধবার বিকাল পাঁচটার দিকে আব্দুর রহমানের পুকুর থেকে স্থানীয়রা ওই শিশুর রক্তমাখা নিথর দেহটি উদ্ধার করে। সন্ধ্যায় পুলিশ শিশুটির লাশ ময়না তদন্তের জন্য নাটোর মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত শিশু আহম্মেদ জুমাইনগর গ্রামের মনতাজ মুন্সির ছোট ছেলে। এর আগে প্রতিবেশি লিপি বেগমের বাড়ি থেকে সোমবার বেলা ১১টার দিকে ওই শিশুটি আকস্মিক নিখোঁজ হয়।

শিশুর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশি লিপি বেগম সোমবার শিশুটিকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যান এবং সেখান থেকেই সে নিখোঁজ হয়। এঘটনায় শিশুর পিতা মঙ্গলবার গুরুদাসপুর থানায় সাধারন ডায়েরী করেন।

শিশুটি নিখোঁজের পর থেকে পুলিশ ও শিশুর পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুজির করার পর তিনদিন পর বুধবার দুপুর পর্যন্ত কোন সন্ধান পায়নি। পরে স্থানীয়রা মনতাজ মুন্সির বাড়ির ২শ গজ দূরের আব্দুর রহমানের পুকুরে খোঁজাখুজির একপর্যায়ে শিশুর রক্তমাখা নিথর দেহ পায়।

নিখোঁজ শিশুর মা আয়েশা বেগম বিলাপ করতে করতে বলেন, তার নিস্পাপ শিশুকে কেহ না কেহ মেওে ফেলেছে। তার সন্তানের হত্যাকারীর বিচার তিনি দাবি করেছেন।

এদিকে লিপি বেগম দাবি করেন, সোমবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। শিশু আহম্মদ বাড়ির ভেতরেই খেলা করছিল। এসময় তিনি অন্য কাজ করছিলেন। মিনিট পাঁচেক পর আর আহম্মদকে বাড়িতে পাননি। তবে শিশু আহম্মেদকে হত্যার ব্যাপারে তাদের কিছু জানা নেই।

নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শওকত রানা লাবু শিশুর লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর পুকুরে লাশ পাওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার দাস বলেন, ঘটনার দিন থেকে পুলিশ আশপাশের পুকুর, ডোবা-নালাসহ স্থানীয়দের বাড়ি তল্লাশি করা হয়। তারপরও শিশুটির হদিস পাওয়া যাচ্ছিলনা। সর্বশেষ বুধবার বিকালে শিশুর রক্তমাখা লাশ পাওয়া গেছে। মুখে রক্ত ছিল। বিষয়টি সন্দেহেজনক। হত্যা নাকি অপমৃত্যু সেটা ময়নাতদন্তের পর বোঝা যাবে।

বিডিটুডেস/জেডএইচ/১৩সেপ্টেম্বর’১৭


  • 25
    Shares