English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

মাংসপেশীতে ব্যথা এবং চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর দিয়েছেন ড. মোঃ সফিউল্যাহ্ প্রধান


মাংসপেশীতে ব্যথা

মাংসপেশীতে ব্যথা

১। প্রশ্নঃ মাংস পেশীর ব্যথা কি ধরনের হয়ে থাকে ?

উত্তরঃ ব্যথা হচ্ছে মানুষের শরীরে এক প্রকারের অস্বস্থিকর অনুভূতি। রোগী সাধারনত অঙ্গ প্রতঙ্গ নড়াচড়া করতে ব্যথা অনুভব করে । তবে এমনিতেও ব্যথা হতে পারে। এ ব্যাথা কামড়ানো, শিন শিন, ঝিন ঝিন, জ্বালাপোড়া বা বোধহীন জাতীয় হয়ে থাকে । অনেক সময় ব্যথার সাথে মাংস পেশী ফুলে যেতে পারে।

 

২। প্রশ্নঃ মাংস পেশীর ব্যথা কি শুধু মাংস পেশীর সমস্যার জন্যই হয়ে থাকে ?

উত্তরঃ মাংস পেশীতে যে ব্যথা হয় তা মাংস পেশীর সমস্যা ছাড়াও অন্যান্য যেমন স্নায়ু, লিগামেন্ট, টেন্ডন, এমনকি হাড় ও জোড়ার সমস্যার কারনেরও হতে পারে।

 

৩। প্রশ্নঃ মাংস পেশীতে ব্যথার কারন গুলি কি কি ?

উত্তরঃ মাংস পেশীর ব্যথা কোন রোগনয় মাংস পেশীর ব্যথা অন্যান্য রোগের একটি প্রধান উপস্বর্গ। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে মাংস পেশীকে অতিরিক্ত কাজ করলে বা ষ্ট্রেচ পড়লে ব্যথা হয়ে থাকে। তাছাড়া আঘাত পেলে, ইনফেকশন হলে, মাংস পেশীতে জৈবিক সমস্যা হলে যেমন, ইউরিক এসিড বেড়ে গেল, কিছু রোগে যেমন- ফাইব্রোমায়ালজিয়া, মায়োপেথী, পুষ্টির অভাবে, কোন হাড় বা জোড়ার সমস্যা হলে তার নিকটস্ত মাংসপেশীতে বা স্নায়ুবিক সমস্যা হলে ঐ স্নায়ু যে সকল মাংস পেশীতে সংযোগ স্থাপন করে ঐ সকল মাংস পেশীতে ব্যথা হতে পারে। তাছাড়া মানষিক চাপেও যেমন হতাশা, বিষাদেও মাংস পেশীতে ব্যথা হতে পারে।

 

৪। প্রশ্নঃ মাংস পেশীর ব্যথার সাথে বাতের কি পার্থক্য রয়েছে?

উত্তরঃ আমাদের দেশে শরীরে কোন স্থানে এমনিতেই ব্যথা হলে বাত রোগ হয়েছে বলা হয়ে থাকে। আসলে ডাক্তারি ভাসায় শরীরে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে ব্যথা বেদনা তৈরী হয় তাকে বাত রোগ বলা হয়। মাংস পেশীর অন্যান্য সমস্যা, হাড় জোড়ার সমস্যা বা স্নায়ু সমস্যার কারণে সৃষ্ট ব্যথার সাথে বাতের কোন সম্পর্ক নেই।

 

৫। প্রশ্নঃ তাহলে মাংস পেশীতে ব্যথা হলে চিকিৎসা কি করতে হয় ?

উত্তরঃ মাংস পেশীতে ব্যথা হলে প্রথমে রোগীকে খেয়াল রাখতে হবে যে তিনি কিভাবে ব্যথা পেলেন বা কি কারণে ব্যথা হচ্ছে। আঘাত এর কারণে ব্যথা হলে তাৎক্ষনিক ঠান্ডা পানির বা বরফের সেক উপকারে আসে। আর পুরোনো ব্যাথায় গরম পানির সেক ভালো উপকারে আসে। ব্যথা নাশক ঔষধ খাওয়া যেতে পারে। তবে তা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে গ্রহন করতে হবে। অত্যাধিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকতে হবে আবার শুয়ে বসে থাকলেও চলবেনা। নিয়মিত হাটা চলা ফেরা, স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে হবে। পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেতে হবে। যেসব খাবারে ইউরিক এসিড বেশী থাকে যেমন- গরু ও খাসির মাংস, ডাল জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।


 

ড. মোঃ সফিউল্যাহ্ প্রধান

পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগঃ-ডিপিআরসি হাসপাতাল( ২৯ প্রবাল হাউজিং,রিং-রোড,শ্যামলী,ঢাকা-১২০৭)
সিরিয়ালের জন্য ফোনঃ-  +8801997702001; +8801997702002
www.dprcbd.com
www.bdtodays.com


  • 1.6K
    Shares