English Version

সাখাওয়াত কথা বলায় বিশৃংখলা, ‘তেড়ে’ গেলেন আইভীর কর্মী


শনিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে মেয়র প্রার্থীদের ভোটারদের মুখোমুখি করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন। হট্টগোল আর নৌকা সমর্থকদের ব্যঙ্গাত্মক আক্রমণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই ৬ মেয়র প্রার্থীকে নিয়ে মতবিনিময়।

প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান কথা বলার সময় আইভীর সমর্থকরা সেখানে হৈচৈ করে কয়েক দফা বিশৃংখলা সৃষ্টি করেন।

অনুষ্ঠানটি ‘জনতার মুখোমুখি’ শীর্ষক হলেও পুরো অডিটোরিয়াম আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর স্থানীয় সমর্থকদের দখলে ছিল।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সেখানে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে যোগ দেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

এদিকে আয়োজকরা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরের ভোটারদের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ না নেয়ার নিয়ম বেঁধে দিলেও আইভীর এক ঘনিষ্ঠ মহিলা কর্মীকেও সুযোগ দেয়া হয় প্রশ্ন করতে।

এ নিয়ে হট্টগোলের সৃষ্টি হলে বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াতের সমর্থকদের দিকে তেড়ে যান ওই মহিলা কর্মীসহ অন্যরা। এমনকি নিজের সমর্থককে শান্ত করার চেষ্টা না করে উল্টো যুবদল নেতা সরকার আলমকে নাম ধরে ডেকে মঞ্চ থেকেই চোখ রাঙানি দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আইভী।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারকে কয়েক দফা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।

এছাড়া অন্য দলের মেয়র প্রার্থীরা বক্তব্য দিতে গেলে গাজীপুর থেকে আসা আওয়ামী লীগের লোকজন ‘নৌকা নৌকা’ বলে স্লোগান দিয়ে তাদের বক্তব্যে চরম বিঘ্ন ঘটান।

একপর্যায়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মেয়র প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান ইসমাইল বক্তব্য দেয়া শেষ করলে তার কয়েকজন সমর্থক কোদাল প্রতীকের স্লোগান দিলে তাদের গালাগাল দিয়ে থামিয়ে দেন সরকারি দলের লোকজন।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের শীতলক্ষ্যা অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতেই বক্তব্য দেন সুজনের নির্বাহী কমিটির সদস্য কলামিস্ট আবুল মকসুদ।

প্রার্থীদের বক্তব্য শেষে জনতার পক্ষ থেকে তাদের প্রশ্ন করার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। উপস্থিত জনতা প্রত্যেক প্রার্থীকে তিনটি করে প্রশ্ন করার সুযোগ পান।