English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

অভিশপ্ত সেই ‘নো-বল’


ভারতের বিপক্ষে শারজায় শেষ বলে ছক্কা মেরে পাকিস্তানকে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন জাভেদ মিয়াদাদ। সেবার ভারতের হয়ে বল করেছিলেন চেতন শর্মা। শেষ বলে ছক্কা খাওয়া চেতন শর্মার জমে থাকা দুঃখ-যন্ত্রণা ভাগ করার জন্য এত দিন পর আরেকজনের আবির্ভাব ঘটল। তিনি হলেন যাশপ্রীত বুমরা।

চেতনের বলটা ছিল ফুলটস। পাকিস্তানের জিততে দরকার ছিল চার। কোমরের উচ্চতায় আসা বল উড়িয়ে দেন মিয়াঁদাদ। আর ওভালে বুমরা এবং ভারতের অভিশপ্ত ডেলিভারি হয়ে থাকল একটি ‘নো বল’। ১৯৮৬ সালের শারজায় সেই শেষ বলের ছক্কা নিয়ে আজও কথা শুনতে হয় চেতন শর্মাকে। ২০১৭ সালের এই ‘নো বল’ তাড়া করে বেড়াবে বুমরাকে।

ওভালে বুমরার বলে ধোনির হাতে খোঁচা দিয়ে ফিরে যাচ্ছেন ফাখার জামান। কিন্তু জায়ান্ট স্ক্রিন দেখাল বুমরা ‘নো বল’ করেছেন। জামান তখন ৭ বলে ৩ রান করেছেন। পাকিস্তা্নের স্কোর তখন ৩ ওভারে ৭ রান। এরপর সেই যে বাঁচলেন পাকিস্তানের এই বাঁ-হাতি ওপেনার, তারপর তিনি থামলেন ১০৬ বলে ১১৪ রানের দুর্ধর্ষ এক ইনিংস খেলে। এটি তার প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। আর সেটা এল কি না ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে।

শোনা যাচ্ছে, ফাইনালের এই ‘নো বলের’ নাম পাল্টে নাকি রাখা হবে ‘বুমরা বল’। ক্যারিবিয়ান সাবেক অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড পর্যন্ত লাঞ্চের সময় বলেন, বুমরার ‘নো বল’টাই টার্নিং পয়েন্ট হয়ে থাকল। নিশ্চয়ই বুমরা একা ম্যাচ হারাননি। এমন মহাতারকা ব্যাটিংও তো ফাইনালে টেক-অফই করল না। এদিকে টস জিতে বিরাটের ফিল্ডিং নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২০০৩ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ফাইনালে টস জিতেও অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠান সৌরভ গাঙ্গুলি। সেখানেই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। টসের হিসেব ওলটপালট করে দিল বিরাটের ভাগ্যও।

তবু টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে থেকে যাবে বুমরার ‘নো বল’টাই। যেমন ছিল ওয়াংখেড়েতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন্ডল সিমন্সকে সে দিন শুরুতেই আউট করেছিলেন অশ্বিন। সেবারও রিপ্লে দেখিয়েছিল, ‘নো বল’ হয়েছে। সেদিন সিমন্স ম্যাচ নিয়ে চলে যান। এ দিন নিয়ে গেলেন জামান।

 


  • 25
    Shares