English Version

আজকের চাকরির খবর লাইভ খেলা দেখুন

ঘর গুছাতে আর কোন ঝামেলা হবে না!

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন


ঘর গুছাতে কিছু সাধারণ টিপস: ১। বাড়ির সবাই কাজে চলে যাওয়ার পর পুরো বাড়ির কোথায় কোথায় গোছানো প্রয়োজন দেখে লিস্ট করে নিন। ২। এক একদিন ঘরের এক এক জায়গা বেছে নিন। সব একবারে পরিষ্কার বা গোছাতে যাবেন না। সব কিছু রাখার নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করে দিন যাতে আপনার স্বামী এবং সন্তানরা তাদের প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে সবকিছু পায়।

আরো পড়ুন:- বরফ দেবেন না সেঁক দেবেন যখন শারীরিক ব্যথা-যন্ত্রণা হয়?

৩। ছেলেমেয়ের আলমারি নিজে না গুছিয়ে দিয়ে ছুটির দিন তাদের দিয়েই গোছান। এতে তাদের গোছানোর অভ্যাস তৈরি হবে। প্রয়োজনে আপনি সাহায্য করুন। আপনি বাড়িতে থাকেন বলেই বাড়ি গুছিয়ে রাখার পুরো দায়টা আপনার, কখনোই এই মনোভাব পোষণ করবেন না। বাড়িতে যারা থাকেন প্রত্যেকেরই দায়িত্ব থাকার জায়গাটি সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা। যদি দেখেন যে, ঘর গোছানোর পুরো দায়িত্বটি আপনাকে নিতে হচ্ছে তাহলে এ বিষয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। ঘর গোছানোর সময় খেয়াল রাখবেন যার ঘর গোছাচ্ছেন তার রুচি এবং পছন্দ সম্পর্কে। প্রতিদিন একটু একটু করে গোছানো যদি আপনার পক্ষে সম্ভব না হয় তাহলে পর পর কয়েক দিন ছুটি আছে এমন দিন বেছে নিন। কাজ ভাগ করে নিন। যেমন_ আপনি যদি লিভিং রুম গোছান তাহলে স্বামীকে বলুন বেডরুম গোছাতে আর ছেলেমেয়েকে বলুন তাদের নিজেদের ঘর গোছাতে। বাড়িতে কাজ করার জন্য হেল্পিং হ্যান্ড থাকলে সপ্তাহের কোনো একটি দিন তাদের অন্য কাজ করার পরিবর্তে ঘর পরিষ্কার করিয়ে নিতে পারেন।

৪। অফিসের কাজের মতো ঘর গুছিয়ে রাখা নিয়ে টেনশন করবেন না। ব্যাপারটা এনজয় করুন। অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আলমারির একেবারে পেছনে রাখুন। যাতে অফিসে যাওয়ার সময় কাজের জিনিসগুলো হাতের কাছে পান। মনে রাখবেন বাইরে যান বলে ঘর গোছানোর সময় পান না এই অজুহাতটা কিন্তু ঠিক নয়। ৫। ঘর গোছানোর ব্যাপারে বাড়ির সবার মতামত চান। তাহলে তারাও ব্যাপারটা এনজয় করবেন এবং নিজেদের এই কাজের সঙ্গে ইনভলভ করতে পারবেন। সুবিধামতো ঘর গোছান। পাড়া প্রতিবেশী বা আত্মীয়-স্বজন সপ্তাহে একদিন ঘর গোছায় বলে আপনাকেও তা করতে হবে এর কোনো মানে নেই, আপনি আপনার সময় বুঝেই কাজটি করুন। বিডিটুডেজ/আরএ/১২ জানুয়ারি, ২০১৮