ঢাকা, বাংলাদেশ, ২৮°সে | আজ |
ইংরেজী ভার্সন English Version

জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি আজ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাঙালির স্বাধীনতার পূর্ণতা প্রাপ্তির দিন। ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিলাভের পর, লন্ডন ও দিল্লি হয়ে স্বাধীন স্বদেশে ফেরেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।এদিকে, সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের কর্মসূচি শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের মধ্যরাতেই ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওই রাতেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে।

নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যদিয়ে প্রিয় স্বদেশকে শত্র“মুক্ত করে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় নিছিয়ে আনে বীর বাঙালি। ৯৩ হাজার পাক বাহিনীর সদস্য আত্মসমার্পণের পরও বিজয়ের পুরো স্বাদ সেদিন পায়নি জাতি। কারণ স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু তখনো পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে। একাত্তরের বিজয় বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি পূর্ণতা পায়। বললেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।বিজয়ের দশদিন পর ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বাঙালির জাতির পিতা স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির আনুষ্ঠানিক দাবি জানানো হয়। আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান সরকার। বললেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।পাকিস্তান থেকে লন্ডন ও দিল্লী হয়ে এক ভিন্ন পরিবেশে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু। তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে জনতার স্রোত ঠেলে রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ জনতার সমাবেশ হাজির হয়ে আনন্দ বেদনায় অশ্র“ সিক্ত নয়নে বঙ্গবন্ধু তুলে ধরেন তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশের রূপরেখা।বঙ্গবন্ধুর দেয়া রূপরেখা অনুযায়ী এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ- সে প্রত্যাশা জানালেন বিশিষ্টজনেরা।