English Version

দুই গ্রুপের সংঘর্ষে টেটাবিদ্ব হয়ে এক জনের মৃত্যু, আহত ৭

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বুলবুল আহমেদ সোহেল, নারায়গঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে টেটাবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে একজন। এ ঘটনায় অন্তত আরো ৭ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফতুল্লার আকবর নগর মসজিদের সামনে এই সংঘর্ষেও ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সামেদ আলী হাজি ও রহিম হাজির মধ্যে বেশ কয়েক বছর যাবৎ দ্বন্দ চলছে।
তারই দারা বাহিকতায় প্রায় সময়ই দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা চলে।

আরো পড়ুন: পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়!

এ ব্যাপাওে উভয় গ্রুপের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ গেলে দুই গ্রুপের নেতা সামেদ আলী হাজি ও রহিম হাজিকে থানায় ডেকে নিয়ে মিমাংসা করে দেয়ার চেষ্টা করেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের। তাদের সাথে আলোচনা করে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাবধান করে দেয়া হয়। এই মিমাংসার ২৬ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় গ্রুপ।

ফেসবুক পেইজে দেখুন

সংঘর্ষে নিহত জয়নাল আবেদিনের ভাই আবুল কাশেম জানান,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় । বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রহিম হাজির ভাতিজা নবী হোসেনসহ তাদের ওপর সামেদ আলীর লোকজন টেটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র হাতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে নবী হোসেন তার ছোট ভাই কবির হোসেন, রাজু মিয়া, ইসরাফিল হোসেন, জয়নাল আবেদীন ও আসলাম মিয়া গুরুতর আহত হয়।

আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসারত অবস্থায় শুক্রবার সকালে জয়নাল আবেদিনের মৃত্যু হয়। এতে নবী হোসেনসহ থাকা অন্ত ৮জন টেটা বৃদ্ধ হয়। তাৎক্ষনিক তাদের উদ্ধার কওে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়ে থানার শালিশে ব্যবসায়ীক পাওনা ২৩ লাখ টাকা রহিম হাজিকে পরিশোধ করার জন্য সামেদ আলীকে নির্দেশ দিয়েছিল ওসি। টাকা পরিশোধ না কওে উল্টো হামলা চালিয়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটায়।

ফতুল্লা থানার ওসি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দোষিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্ত সহ মামলার প্রস্তুতি চলছে। বিডিটুডেস/আরএ/১০ জুলাই, ২০১৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

15 − 10 =