English Version

ভাবীর সেই রোমান্টিক বোনটি – ভালোবাসার গল্প

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: বাসায় এসে কলিংবেল দেওয়া মাত্র দরজা খুলল। দরজা খোলার পর দেখি সুন্দর একটা মেয়ে, ভাইয়া ইমুতে ভাবির পিক দিছে, দেখতে ভাবির মতো তাই ভাবি বলে জড়িয়ে ধরা মাত্র……. -এই ছোটলোক ছাড় বলছি -ভাবি আমি নীল, তোমার একমাত্র দেবর -আপু এদিকে আসো তো -হুমমম কি হয়ছে বল -দেখো এই বদমাশ ছেলেটা আমাকে জড়িয়ে ধরছে -আরে নীল কেমন আছো(মনে হয় এটাই ভাবি) -হুমম ভাবি ভালো, তোমি কেমন আছো? -হুমম ভালো, ও আমার বোন মুন্নি,এই মুন্নি ও তোর দুলাভাইয়ের ছোট ভাই -ভাবি আসলে তোমাকে মনে করে ওরে (মুন্নিকে উদ্দেশ্য করে) জড়িয়ে ধরছিলাম -ভাবিরে জড়িয়ে ধরবা কেনো?(মুন্নি) -তো কারে ধরবো?(আমি)

-লুচ্চা যে এর লাইগা মেয়ে মানুষরে দেখলেই ধরতে মন চাই -ঐ চুপ -উচিত বলছিতো এর জন্য -ভাবি, ও কি তোমার মা-বাবা থেকে ডাউনলোড হয়ছে নাকি অন্যকিছু? -মানে বুঝিনাই(ভাবি) -মানে এটা কি তোমার আসল বোন? -হুমম আমার ছোট বোন -আমার মনে হয় না -কেনো? -কারন তুমি কত্তো ভালো আর কিউট আর ওরে দেখতে পেত্নির মতো লাগে -আপুওওওওওও(মুন্নি)= -মুন্নি বোন আমার তুই একটু রুমে গিয়ে বস মুন্নি রাগ করে সামনে থেকে চলে গেলো…. -কিরে তুই?(মা) -হুমম মা কেমন আছো হুম ভালো,তুইতো কানাডা থেকে আসার কথা সামনের মাসে কিন্তু আজ কেনো? -মা তোমাদের সকলকে সারপ্রাইজ দিলাম -হুমম এখন গিয়ে রেস্ট কর শুভ্র আসলে সবাই একসাথে বসব -ওকে

আমরা দুই ভাই, আমি নীল আর বড় ভাইয়ার নাম শুভ্র।আমি কানাডায় পড়ালেখা করে কম্পিউটার ইন্জনিয়ার ডিগ্রী নিয়ে আসলাম আর ভাইয়া পুলিশের এস আই।আর বাসায় থাকে মা বাবা , অবশ্য দুই মাস আগে থেকে ভাবিও আমাদের পরিবারে যোগ হয়ছে। -এই মিস্টার বলদ(মুন্নি) -এখনকার দিনে কোথা হতে যে নতুন নতুন উন্নত মানের পাগলের আমদানি হয় বুঝিনা(আমি) ঐ ওয়েট ওয়েট -কি? তুমি কি বলছ আমি পাগল? -ভুল বলছি পাগলি-চুপপপ -আমাকে কেন বলদ বলছো ক্ষেত একটা -আমি ক্ষেত? -হুমম শুধু ক্ষেত না দেখতে আলুর বস্তার মতো লাগে -দাড়া তোরে দেখাচ্ছি বলে আমারে বাচ্চাদের মতো মারতে লাগলো, তখন ওর ঠোটগুলো দেখে আমি হঠাৎ কন্ট্রোল হাড়িয়ে ঠোটে ঠোট লাগিয়ে দিলাম। -এই অসভ্য, বদমাশ, ছোটলোক,ইতর, বাদর তুই একটা আসলেই লুচ্চা, আমি আপুরে আর দুলাভাইরে আজ বিচার দিমু -ওকে মুটকি -ঐ আমি মুটো হলে দেখতে খারাপ হলে তুমি আমাকে কেন কিছ করছো? -কে কিছ করছে? -তুমি

আসলে এই মাইয়াটা ঝগড়াটে খুব,দেখতে কিন্তু অনেক সুন্দর,গালে টোল, থুতুনির নিচে তিল যখন রাগে তখন দুই ঠোটে কিরকম অদ্ভূত ভাবে যেনো নাড়ায়। -কিরে নীল কেমন আছিস(ভাইয়া) -(ভাইয়ারে জড়িয়ে) হুমম ভাইয়া ভালো, তুমি কেমন আছো? -হুম ভালো সবাই খেয়ে ঘুমাতে গেলো আর আমি ছাদের উপরে গিটারের তালে তালে তাহসানের “কেউ না জানোক আমিতো জানি আমি তোমার, কেউ না জানোক তুমি তো জানি তুমি আমার”এই গানটা মনের সুখে গাইতাছি।গান শেষে চোখ খুলে দেখি মুন্নি। -আরে মুন্নি এখানে কেনো? -কেনো আসতে পারি না? -হুম অবশ্যই -তুমি খুব ভালো গান গাইতে পারো তোমার কাছে ভালো লাগছে? -হুমম অন্নেএএএক ওর সাথে আরো অনেক্ষন কথা বলে রুমে এসে ঘুমিয়ে গেলাম। ৩-৪ দিন পর আমি ভাইয়া ভাবি আর মুন্নি ওদের বাড়ির উদ্দেশ্য গেলাম। গিয়ে ঐখানকার প্রকৃতত্ব দেখে ভালোই লাগলো। মুন্নি(ভাবি) -হুম বলো –

 ইউটিউব এ সাবস্ক্রাইব করুন

নীলরে নিয়ে আমাদের গ্রামটা দেখিয়ে আয় -আচ্ছা ওর সাথে আরেকটা মেয়ে , ঐ মেয়েটার নাম সিনতিয়া, আমরা তিনজনে ঘুরে ঘুরে সবকিছু দেখতে লাগলাম। মুন্নি ওর আরেক বান্ধবির সাথে দেখা হওয়ার সময় কথা বলতাছে….. -তোমার ফোন নাম্বারটা দিবা?(সিনতিয়া) -কেনো? -এমনি থ্যাংকস -ওয়েলকাম মুন্নি আসার সাথে সাথে সবাই বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। রাতে খেয়ে রুমে শুয়ে আছি তখন অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসছে।ফোনটা রিসিভ করে বুঝলাম এটা সিনথিয়া।ওর সাথে অনেক্ষন কথা বলে ফোন রেখে ঘুমিয়ে গেলাম। সকালে উঠে নাস্তা করে রুমে শুয়ে থাকলাম, সকাল গিয়ে বিকেলে আবার নদী দেখার উদ্দেশ্যে বের হলাম। -নীল প্রকৃতি দেখার মধ্যে কোনটা সবচেয়ে বেশি ভাল্লাগে?(মুন্নি) -নদীর ঢেউ দেখতে খুব ভালো লাগে -আমারো এটা অনেক প্রিয়, ইচ্ছা হয় কাউকে নিয়ে সারাক্ষন পানিতে খেলা করি আর ঢেউ দেখি -সেই কেউ টা কে? -কেনো তুমি -মানে? -হুম তুমি,তোমাকে নিয়ে আমি সমুদ্র পাড়ি দিবো, সাথে থাকবানা?

-ভাবতে হবে -যেইটা ই ভাবো উত্তরটা যেনো হ্যা হয় বলে দিলাম -এখন চুপ করো, সিনথিয়া সামনে -ও সামনে হলে কি আসে যায়? -কিছুনা -তাহলে বলো কেন? -আচ্ছা এখন বাসায় চলো -ওকে সেদিনের মতো ঘুরাঘুরি শেষ করে শুয়ে রইলাম তখন মুন্নির আগমন। -এই কি করতাছো(মুন্নি) -এইতো গান শুনি -হুম সারাদিন গান শুনো তাই না? -সারাদিন না তবে বেশিরভাগ সময়ই গান শুনি -হুমম এখন ঐ কথাটার উত্তর দেও -না দিলে? -খুন করে ফেলবো -খুন করবা? -হুমমমম -ভালোবাসি না, ভালোবাসতে পারবো ও না -কিহহ -হুমম এই বলার সাথে আমার উপরে উঠে বাচ্চাদের মতো মারতে লাগলো। তখন ওরে জড়িয়ে ধরে … -যদি বলি ভালোবাসি তখন মুন্নি মাথা উঠিয়ে ঠোটে ঠোট লাগিয়ে……… চলবে…. বিডিটুডেস/আরএ/১৮ নভেম্বর, ২০১৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

one × 1 =