১২তম ডিআরএমসি সাইন্স কার্নিভাল English Version

লাল জলের নদী আর ৭শত পাহাড়ে ঘেরা সারান্ডার জঙ্গলে কাহিনি

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: শহুরে জীবন থেকে দু’দিনের ছুটি নিয়েই ঘুরে আসা যায় গভীর জঙ্গল থেকেয় সঙ্গে প্রকৃতির অপরূপ শোভা— পাহাড়, ঝরনা, নদী। কলকাতা থেকে রেল পথে মাত্র সাত ঘণ্টা। সাতশোটা পাহাড়! সত্যিই কি এতগুলো পাহাড় রয়েছে ওখানে? যখন থেকে সারান্ডায় যাওয়ার আলোচনা শুরু হয়, তখন থেকেই এই প্রশ্নটাই মাথায় ঘুরছিল। গিয়ে দেখলাম, তা নয়। তার থেকে হয়তো কিছু বেশিই হবে সংখ্যাটা| যে দিকে তাকাই, শুধুই পাহাড়। তাদের উচ্চতা কম, ঘন জঙ্গলে ঢাকা। এই বিস্তীর্ণ পাহাড়শ্রেণি ও জঙ্গলের বুক চিরে বয়ে গিয়েছে খরস্রোতা রক্তাভ কারো নদী। যা সৃষ্টি করেছে বিভিন্ন পাহাড়ের কোল থেকে নেমে আসা বিভিন্ন জলপ্রপাত।

ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলা থেকে শুরু করে ওড়িশার কেওনঝাড় জেলা পর্যন্ত প্রায় ৮২০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত লৌহ আকরিকে সমৃদ্ধ লাল পাথুরে জমি, ঘন জঙ্গল, পাহাড় রাশি ও খরস্রোতা নদী মেশানো অঞ্চলটিই হল সারান্ডা ফরেস্ট, যা সাতশো পাহাড়ের দেশ এবং এশিয়ার বৃহত্তম শাল গাছের জঙ্গল। এই জঙ্গল এক সময় মাওবাদীদের দখলে ছিল। এখন আর সে সমস্যা নেই। জঙ্গলে পশুপাখি অনেকই রয়েছে যেমন ভাল্লুক, লেপার্ড, হাতি। কিন্তু জঙ্গলের পরিধি ও ঘনত্ব খুব বেশি হওয়ায় তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হ‌ওয়ার সুযোগ খুবই কম। আমরা ছিলাম ‘সারান্ডা সাফারি রিসর্ট’-এ। রিসর্টটি বেশ খোলামেলা, পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে কারো নদী। নদীর ওপারেই ঘন জঙ্গল। নদীর অনর্গল বয়ে চলার শব্দ মন ভাল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এখানে প্যাকেজ সিস্টেম। ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার, সঙ্গে ৩টে সাইটসিন এবং বড়বিল স্টেশন থেকে যাতায়াত নিয়ে ৩ রাত ৪ দিনের মাথাপিছু খরচ পড়বে মাত্র ৬ হাজার টাকা। গ্রুপে ৬-৭ জন থাকলে সেটা কিছুটা কমও পড়তে পারে। অন্যান্য জায়গায় যাওয়ার ভাড়া বা জঙ্গলে নাইট সাফারি করার ভাড়াও আলাদা। খাবারের পরিমাণ যথেষ্ট এবং স্বাদ ভালই। মিনারেল ওয়াটারের বোতল রাখুন সঙ্গে। স্থানীয় জল সহ্য নাও হতে পারে।

রিসর্টের স্টাফরা যথেষ্ট হেল্পফুল এবং রিসর্টের মালিক লতিফবাবু খুবই সজ্জন লোক। বহুদিন মাওবাদীদের উৎপাতের জন্য রিসর্টটি বন্ধ থাকায় কটেজগুলোতে একটু রক্ষণাবেক্ষণের অভাব রয়েছে। তবে জায়গার এবং রিসর্টের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের তুলনায় সে সব ধর্তব্যের মধ্যে না রাখাই ভাল। রিসর্টের মধ্যে দোলনা, স্লিপ ও ব্যাডমিন্টন কোর্টও রয়েছে। সারান্ডায় ঘুরতে যাওয়ার আদর্শ সময় অক্টোবর থেকে মার্চ। পাহাড়ি জায়গা বলে গরমকালে প্রচণ্ড গরম পড়ে এবং বর্ষাকালে এই কারো নদী হয়ে ওঠে ভয়ংকর। অন্য দিকে, শীতের রাতে জমিয়ে ঠান্ডা লাগে। তাপমাত্রা থাকে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি। আগুনের সামনে বসে বার্বিকিউ খেতে খেতে সেই ঠান্ডাটা বেশ উপভোগ্য। • কী ভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে হাওড়া-বড়বিল জনশতাব্দী এক্সপ্রেসে বড়বিল স্টেশন। আগে থেকে বলা থাকলে রিসর্টের গাড়িই নিয়ে যাবে। স্টেশন থেকে রিসর্ট পৌঁছতে সময় লাগে আধ ঘণ্টা মতো। • কোথায় থাকা: আগে থেকে বুকিং করে যাওয়াই ভালো, কারণ সারান্ডা অঞ্চলে থাকার জায়গা খুবই কম—  ১। সারান্ডা সাফারি রিসর্ট— www.sarandasafariresort.in (০৭০০৮১৪৮৭৪৬/ ০৯৪৩৭০০৪২১৬) ২। মনোহরপুরে রয়েছে ‘সন্তুর ট্যুরিস্ট লজ’ (০৯৮০১৫৫৩২৯২) ৩। সেল-এর (SAIL) মেঘালয় গেস্ট হাউজ। এটি বুক করতে হয় সেল-এর মাধ্যমে। এবেলা অবলম্বনে, বিডিটুডেস/আরএ/১০ জানুয়ারি, ২০১৮

পিএলআইডি রোগে কোমর ব্যথার ব্যায়াম।

পিএলআইডি রোগে কোমর ব্যথার সহজ ব্যায়াম।।লাইক ও শেয়ার করে সাথেই থাকুন।।ডাঃ মোঃ সফিউল্যাহ প্রধানডিপিআরসি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাব লিঃশেয়ার করে অন্যদের সাহায্য করুন। সাহায্য ও পরামর্শ : ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১

Posted by Dr.Md.Shafiullah Prodhan on Monday, January 7, 2019

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

20 + 20 =