আজ ৫ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৪তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে তিনি শহীদ হন।
জন্ম ও শৈশব
১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নূর মোহাম্মদ শেখ। তার পিতা ছিলেন মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মাতা জেন্নাতুন্নেছা। অল্প বয়সেই বাবা-মাকে হারিয়ে দুঃখ-কষ্টের মধ্যেই বেড়ে ওঠেন তিনি।
শিক্ষাজীবন
স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও সপ্তম শ্রেণির পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। তবে কৈশোরে তিনি নাটক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতেন।
পারিবারিক জীবন
১৯৫২ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি তোতাল বিবিকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান— হাসিনা খাতুন ও শেখ মো. গোলাম মোস্তফা।
কর্মজীবন
১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ নূর মোহাম্মদ যোগ দেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর)। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে যশোর সেক্টরে বদলি হন। পরে তিনি ল্যান্স নায়েক পদে উন্নীত হন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নূর মোহাম্মদ যশোর অঞ্চলের ৮নং সেক্টরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণ ও সীমান্ত প্রতিরক্ষায় অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন তিনি। ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের গোয়ালহাটিতে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি রক্ষায় শত্রুর সঙ্গে তীব্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে সহযোদ্ধাদের জীবন ও অস্ত্র রক্ষা করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন।
সম্মাননা
মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ নূর মোহাম্মদ শেখকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
আজ জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছে এই অমর বীর সন্তানকে।
জন্ম ও শৈশব
১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নূর মোহাম্মদ শেখ। তার পিতা ছিলেন মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মাতা জেন্নাতুন্নেছা। অল্প বয়সেই বাবা-মাকে হারিয়ে দুঃখ-কষ্টের মধ্যেই বেড়ে ওঠেন তিনি।
শিক্ষাজীবন
স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও সপ্তম শ্রেণির পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। তবে কৈশোরে তিনি নাটক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতেন।
পারিবারিক জীবন
১৯৫২ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি তোতাল বিবিকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান— হাসিনা খাতুন ও শেখ মো. গোলাম মোস্তফা।
কর্মজীবন
১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ নূর মোহাম্মদ যোগ দেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর)। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে যশোর সেক্টরে বদলি হন। পরে তিনি ল্যান্স নায়েক পদে উন্নীত হন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নূর মোহাম্মদ যশোর অঞ্চলের ৮নং সেক্টরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণ ও সীমান্ত প্রতিরক্ষায় অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন তিনি। ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের গোয়ালহাটিতে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি রক্ষায় শত্রুর সঙ্গে তীব্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে সহযোদ্ধাদের জীবন ও অস্ত্র রক্ষা করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন।
সম্মাননা
মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ নূর মোহাম্মদ শেখকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
আজ জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছে এই অমর বীর সন্তানকে।