রোকসানা মনোয়ার : শীত শেষ হতে না হতেই আবারও মশার আতঙ্ক। এবার বিরক্তির কারণ কিউলেক্স মশা। গবেষণা বলছে, চলতি বছর ঢাকায় এই মশার ঘনত্ব বেড়েছে চার থেকে পাঁচগুণ। ড্রেন বা জলাশয়ের স্থির পানিতে জমে থাকা আবর্জনায় এদের উৎপত্তি। আর সহনশীল তাপমাত্রার কারণে লার্ভা থেকে দ্রুতই পরিণত মশার জন্ম হচ্ছে।
গবেষণা বলছে, আপনি যদি মশা নিধনের কোন ব্যবস্থা ছাড়া একঘন্টা সেখানে অবস্থান করেন; ততক্ষণে আপনাকে ১৫০টি মশার কামড় খেতে হবে। আফ্রিকা বা অস্ট্রেলিয়ার কোন শহর নয়। এই অবস্থাটা ঢাকা শহরের।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই পরীক্ষা চালিয়ছেন ঢাকার ছয়টি অঞ্চলে। উত্তরা, গুলশান, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গিরচর, শনির আখড়া আর শ্যামপুর। আগের বছরগুলোর মার্চ মাসের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে ঢাকায় মশার ঘনত্ব এখন চার থেকে পাঁচগুণ বেশী।
তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে ড্রেন আর ডোবার মজা পানিতে বাড়ছে কিউলেক্স মশার বিস্তার। বৃষ্টি হলে কিছুটা কমবে মশার এই উৎপাত। কিন্তু তখন আবার জমা পানিতে বাড়বে ডেঙ্গুবাহি এডিসের আতঙ্ক।
সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে আগামী সপ্তাহ থেকে চলবে মশা নিধনের বিশেষ অভিযান। ডেঙ্গুর জন্যও আগাম সতর্কতামূলক কার্যক্রমের পরিকল্পনা আছে।
এক সময় গোদ রোগ বা ফাইলেরিয়ার অন্যতম কারণ ছিলো কিউলেক্স মশা। কিন্তু এখন রোগটি দুর্লভ। তাই অন্তত কিউলেক্সে কোন রোগের শঙ্কা নেই; আপাতত এটাই স্বস্তি।
ঢাকায় মশার ঘনত্ব বেড়েছে চার থেকে পাঁচ গুণ
ঢাকায় মশার ঘনত্ব বেড়েছে চার থেকে পাঁচ গুণ
রোকসানা মনোয়ার : শীত শেষ হতে না হতেই আবারও মশার আতঙ্ক। এবার বিরক্তির কারণ কিউলেক্স মশা। গবেষণা বলছে, চলতি বছর ঢাকায় এই মশার ঘনত্ব বেড়েছে চার থেকে পাঁচগুণ। ড্রেন বা জলাশয়ের স্থির পানিতে জমে থাকা আবর্জনায় এদের উৎপত্তি। আর সহনশীল তাপমাত্রার কারণে লার্ভা থেকে দ্রুতই পরিণত মশার জন্ম হচ্ছে।গবেষণা বলছে, আপনি যদি মশা নিধনের কোন ব্যবস্থা ছাড়া একঘন্টা সেখানে অবস্থান করেন;
ততক্ষণে আপনাকে ১৫০টি মশার কামড় খেতে হবে। আফ্রিকা বা অস্ট্রেলিয়ার কোন শহর নয়। এই অবস্থাটা ঢাকা শহরের।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই পরীক্ষা চালিয়ছেন ঢাকার ছয়টি অঞ্চলে। উত্তরা, গুলশান, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গিরচর, শনির আখড়া আর শ্যামপুর। আগের বছরগুলোর মার্চ মাসের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে ঢাকায় মশার ঘনত্ব এখন চার থেকে পাঁচগুণ বেশী।তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে ড্রেন আর ডোবার মজা পানিতে বাড়ছে কিউলেক্স মশার
বিস্তার। বৃষ্টি হলে কিছুটা কমবে মশার এই উৎপাত। কিন্তু তখন আবার জমা পানিতে বাড়বে ডেঙ্গুবাহি এডিসের আতঙ্ক।সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে আগামী সপ্তাহ থেকে চলবে মশা নিধনের বিশেষ অভিযান। ডেঙ্গুর জন্যও আগাম সতর্কতামূলক কার্যক্রমের পরিকল্পনা আছে।এক সময় গোদ রোগ বা ফাইলেরিয়ার অন্যতম কারণ ছিলো কিউলেক্স মশা। কিন্তু এখন রোগটি দুর্লভ। তাই অন্তত কিউলেক্সে কোন রোগের শঙ্কা নেই; আপাতত এটাই স্বস্তি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫), পান্থপথ সিগন্যাল,
ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত