দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা দিয়ে মে মাসের প্রথম ১০ দিনেই ১২৮ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় আসার হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১০ মে পর্যন্ত সময়ে দেশে মোট ৩ হাজার ৬১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি।
ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উৎসাহ এবং ডলারের বাজারভিত্তিক দর নির্ধারণের ফলে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এর আগে গত এপ্রিলে দেশে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। উল্লেখ্য, মার্চের এই আয় ছিল দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড।
পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। গত বছরের শেষ দিকেও এই ধারা সবল ছিল; ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ও নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে আয় ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। আগস্ট ও জুলাইয়ে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়েই দেশে প্রবাসী আয়ের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল। ওই অর্থবছর প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
১০ দিনে এলো ১২৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
১০ দিনে এলো ১২৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা দিয়ে মে মাসের প্রথম ১০ দিনেই ১২৮ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় আসার হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১০ মে পর্যন্ত সময়ে দেশে মোট ৩ হাজার ৬১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি।ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে
রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উৎসাহ এবং ডলারের বাজারভিত্তিক দর নির্ধারণের ফলে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এর আগে গত এপ্রিলে দেশে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। উল্লেখ্য, মার্চের এই আয় ছিল দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড।পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। গত বছরের শেষ দিকেও এই ধারা সবল ছিল; ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ও নভেম্বরে ২৮৮
কোটি ৯৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে।এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে আয় ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। আগস্ট ও জুলাইয়ে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়েই দেশে প্রবাসী আয়ের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল। ওই অর্থবছর প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত