রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দশ নম্বর জার্সিতে প্রথমবার গোল করলেন এমবাপ্পে। তাও একবার নয়-দুবার! সঙ্গে এক অ্যাসিস্টও। তার দারুণ পারফরম্যান্সে অস্ট্রিয়ান ক্লাব ডব্লিউএসজি টিরোলকে ৪-০ গোলে হারিয়ে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে জাভি আলোনসোর দল।
মঙ্গলবারের এই প্রীতি ম্যাচে রিয়ালের হয়ে গোলের খাতা খুলে দেন এদের মিলিতাও। এরপর দুই অর্ধে এক করে দুটি গোল করেন এমবাপ্পে, আর শেষদিকে তার পাস থেকেই স্কোরশিটে নাম তোলেন রদ্রিগো।
এদিন পুরো ম্যাচজুড়ে একচেটিয়া দাপট দেখায় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। ৭৯ শতাংশ বল দখলে রেখে নেয় ২১টি শট, যার মধ্যে ৯টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে, স্বাগতিক দল নিতে পেরেছে মাত্র একটি অনটার্গেট শট।
১০তম মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। ব্রাহিম দিয়াসের ক্রসে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান চোট কাটিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রথম একাদশে ফেরা মিলিতাও।
এর ঠিক তিন মিনিট পর স্কোরলাইন ২-০ করেন এমবাপে। তরুণ মিডফিল্ডার আর্দা গুলেরের নিখুঁত থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে ডান পায়ে বল কন্ট্রোল করে বাঁ পায়ে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান ফরাসি ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ঘটে মজার এক ঘটনা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে এক দর্শক ঢুকে পড়েন মাঠে। এমবাপ্পের সঙ্গে সেলফি তোলার আগ্রহ এতটাই বেশি ছিল যে নিরাপত্তাকর্মীদের বাধাও থামাতে পারেনি তাকে।
৫৯তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। এবার সহায়তায় ছিলেন অহেলিয়া চুয়ামেনি। তার থ্রু বল ধরে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে কাটিয়ে অনায়াসে বল জালে পাঠান বিশ্বকাপজয়ী তারকা।
৮১তম মিনিটে স্কোরলাইন ৪-০ করেন রদ্রিগো। এমবাপ্পের পাস ধরে কাছ থেকে গোলটি করেন তিনি। এদিন বদলি নেমে গোল পেলেও, শুরুতে খেলা ভিনিসিউস জুনিয়র ছিলেন নিষ্প্রভ।
৮৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন ম্যাচের সেরা তারকা এমবাপ্পে। এই ম্যাচের পারফরম্যান্সে নিজের আগমনী বার্তা স্পষ্টভাবেই দিয়ে দিলেন তিনি।
১০ নম্বর জার্সি পেয়েই এমবাপ্পের জোড়া গোল
১০ নম্বর জার্সি পেয়েই এমবাপ্পের জোড়া গোল
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দশ নম্বর জার্সিতে প্রথমবার গোল করলেন এমবাপ্পে। তাও একবার নয়-দুবার! সঙ্গে এক অ্যাসিস্টও। তার দারুণ পারফরম্যান্সে অস্ট্রিয়ান ক্লাব ডব্লিউএসজি টিরোলকে ৪-০ গোলে হারিয়ে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে জাভি আলোনসোর দল।মঙ্গলবারের এই প্রীতি ম্যাচে রিয়ালের হয়ে গোলের খাতা খুলে দেন এদের মিলিতাও। এরপর দুই অর্ধে এক করে দুটি গোল করেন এমবাপ্পে, আর শেষদিকে তার পাস থেকেই স্কোরশিটে নাম তোলেন রদ্রিগো।এদিন পুরো ম্যাচজুড়ে একচেটিয়া দাপট দেখায় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। ৭৯ শতাংশ বল দখলে রেখে নেয় ২১টি শট,
যার মধ্যে ৯টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে, স্বাগতিক দল নিতে পেরেছে মাত্র একটি অনটার্গেট শট।১০তম মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। ব্রাহিম দিয়াসের ক্রসে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান চোট কাটিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রথম একাদশে ফেরা মিলিতাও।এর ঠিক তিন মিনিট পর স্কোরলাইন ২-০ করেন এমবাপে। তরুণ মিডফিল্ডার আর্দা গুলেরের নিখুঁত থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে ডান পায়ে বল কন্ট্রোল করে বাঁ পায়ে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান ফরাসি ফরোয়ার্ড।প্রথমার্ধের শেষ দিকে ঘটে মজার এক ঘটনা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে এক দর্শক ঢুকে পড়েন মাঠে। এমবাপ্পের
সঙ্গে সেলফি তোলার আগ্রহ এতটাই বেশি ছিল যে নিরাপত্তাকর্মীদের বাধাও থামাতে পারেনি তাকে।৫৯তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। এবার সহায়তায় ছিলেন অহেলিয়া চুয়ামেনি। তার থ্রু বল ধরে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে কাটিয়ে অনায়াসে বল জালে পাঠান বিশ্বকাপজয়ী তারকা।৮১তম মিনিটে স্কোরলাইন ৪-০ করেন রদ্রিগো। এমবাপ্পের পাস ধরে কাছ থেকে গোলটি করেন তিনি। এদিন বদলি নেমে গোল পেলেও, শুরুতে খেলা ভিনিসিউস জুনিয়র ছিলেন নিষ্প্রভ।৮৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন ম্যাচের সেরা তারকা এমবাপ্পে। এই ম্যাচের পারফরম্যান্সে নিজের আগমনী বার্তা স্পষ্টভাবেই দিয়ে দিলেন তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত