বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) বার্লি, কাউন, ওট, রাঘী, সরগম, চিয়াসহ ১৪টি অপ্রধান কিন্তু অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ উচ্চমূল্যের দানাদার ফসল নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই ফসলগুলো প্রতিকূল পরিবেশেও চাষপোযোগী। ফলে এই ফসলগুলো চাষ করলে কৃষকেরা যেমন লাভবান হবে তেমনি দেশের পুষ্টি নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
রোববার বারি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের আয়োজনে পুষ্টিসমৃদ্ধ অপ্রধান দানাদার ফসলের গবেষণা কার্যক্রমের ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষণা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বারি’র বিভিন্ন বিভাগ ও কেন্দ্রের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, বৈজ্ঞানিক সহকারী, কর্মচারী, শ্রমিক, সম্প্রসারণ কর্মী, কৃষি উদ্যোক্তা, এনজিও এবং কৃষক প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।
সকালে বারি’র মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। বারি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো: মোবারক আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (গবেষণা) ড. মো: তারিকুল ইসলাম, পরিচালক (তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র) ড. মো: আব্দুল লতিফ আকন্দ, পরিচালক (কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র) ড. সোহেলা আক্তার, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. মোছাম্মৎ সামছুন্নাহার ও পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. মো: সাইফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: মতিয়ার রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান রায়হান।
মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে বারি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষণা মাঠে বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি সমৃদ্ধ অপ্রধান দানাদার ফসলের গবেষণা কার্যক্রম এবং গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মাঠ দিবসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমাদের খাদ্য গ্রহণের উদ্দেশ্য শুধু ক্ষুধা নিবারণ না হয়ে হওয়া উচিত শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
১৪ টি ফসল নিয়ে গবেষণা করছে বারি
১৪ টি ফসল নিয়ে গবেষণা করছে বারি
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) বার্লি, কাউন, ওট, রাঘী, সরগম, চিয়াসহ ১৪টি অপ্রধান কিন্তু অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ উচ্চমূল্যের দানাদার ফসল নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই ফসলগুলো প্রতিকূল পরিবেশেও চাষপোযোগী। ফলে এই ফসলগুলো চাষ করলে কৃষকেরা যেমন লাভবান হবে তেমনি দেশের পুষ্টি নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।রোববার বারি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের আয়োজনে পুষ্টিসমৃদ্ধ অপ্রধান দানাদার ফসলের গবেষণা কার্যক্রমের ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষণা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বারি’র বিভিন্ন বিভাগ ও কেন্দ্রের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, বৈজ্ঞানিক সহকারী, কর্মচারী, শ্রমিক, সম্প্রসারণ কর্মী,
কৃষি উদ্যোক্তা, এনজিও এবং কৃষক প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।সকালে বারি’র মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। বারি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো: মোবারক আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (গবেষণা) ড. মো: তারিকুল ইসলাম, পরিচালক (তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র) ড. মো: আব্দুল লতিফ আকন্দ, পরিচালক (কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র) ড. সোহেলা আক্তার, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. মোছাম্মৎ সামছুন্নাহার ও পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. মো: সাইফুল
ইসলাম।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: মতিয়ার রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান রায়হান।মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে বারি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষণা মাঠে বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি সমৃদ্ধ অপ্রধান দানাদার ফসলের গবেষণা কার্যক্রম এবং গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।মাঠ দিবসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমাদের খাদ্য গ্রহণের উদ্দেশ্য শুধু ক্ষুধা নিবারণ না হয়ে হওয়া উচিত শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত