সদরুল আইনঃ
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্যাতিত আরও ৬ বীরাঙ্গনা পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। এ স্বীকৃতি দিয়ে সম্প্রতি গেজেট জারি করেছে সরকার।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭৮তম সভার সুপারিশে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা হলো ৪৪৮ জন।
ওই ছয় বীরাঙ্গনা হলেন ঝিনাইদহ মহেশপুরের মোছা. ফাতেমা বেগম, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার খতিজা বেগম, রাঙ্গামাটির কাউখালীর বগাপাড়ার চিখন চোখ তঞ্চাগ্যা ও কিনা পুতি তংচংগ্যা, কুষ্টিয়ার চৌড়হাসের মোছা. জাহানারা বেগম, জামালপুরের রঘুনাথপুরের মোছা. ফিরোজা বেওয়া।
এর আগে বীরাঙ্গনা ছাড়া অন্য ক্যাটাগরির মুক্তিযোদ্ধার আবেদন নেওয়া বন্ধ করে গত ১৮ মে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।
৬ বীরাঙ্গনা পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি
৬ বীরাঙ্গনা পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি
সদরুল আইনঃ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্যাতিত আরও ৬ বীরাঙ্গনা পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। এ স্বীকৃতি দিয়ে সম্প্রতি গেজেট জারি করেছে সরকার। জাতীয়
মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭৮তম সভার সুপারিশে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা হলো ৪৪৮ জন।ওই ছয় বীরাঙ্গনা হলেন ঝিনাইদহ মহেশপুরের মোছা. ফাতেমা বেগম, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার খতিজা বেগম, রাঙ্গামাটির কাউখালীর বগাপাড়ার
চিখন চোখ তঞ্চাগ্যা ও কিনা পুতি তংচংগ্যা, কুষ্টিয়ার চৌড়হাসের মোছা. জাহানারা বেগম, জামালপুরের রঘুনাথপুরের মোছা. ফিরোজা বেওয়া।এর আগে বীরাঙ্গনা ছাড়া অন্য ক্যাটাগরির মুক্তিযোদ্ধার আবেদন নেওয়া বন্ধ করে গত ১৮ মে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত