নায়ক
আলমগীরের আজ ৭৬তম জন্মদিন। ৭৬ বছরে পা রাখলেন তিনি। ১৯৫০ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন
তিনি। অভিনেতার কাছে জন্মদিন একেবারেই সাধারণ একটা দিন। খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না।
তারপরও পরিবারের সদস্যরা দিনটি নিজেদের মতো করে উদযাপন করে থাকেন। চলচ্চিত্রে আলমগীরের
অভিষেক হয় ১৯৭৩ সালে ‘আমার জন্মভূমি’ সিনেমা দিয়ে। ১৯৮৫ সালে তিনি পরিচালনা শুরু করেন। ১৯৮৫ সালে ‘মা ও ছেলে’ সিনেমায়
অভিনয় করে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘরে তোলেন আলমগীর। গত বছর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ
সম্মাননা ‘একুশে পদক’ পেয়েছেন গুণী এই অভিনেতা। শিল্পকলা (অভিনয়) শাখায় এই পুরস্কার
পেয়েছেন তিনি।
অভিনয়
ক্যারিয়ারে ২২৫টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা
ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। এ
ছাড়া ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালের জাতীয়
চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননায়’ ভূষিত হন এ অভিনেতা। শুধু অভিনয় নয়, গানও গাইতে
পারেন আলমগীর। এক সময় রাজধানীর গ্রিন রোডে একটি স্কুলে সংগীতশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদীর
কাছে গান শিখেছিলেন। কণ্ঠশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছেন। ‘আগুনের
আলো’ চলচ্চিত্রে
তিনি প্রথম কণ্ঠ দেন। এরপর ‘কার পাপে’, ‘ঝুমকা’ ও ‘নির্দোষ’ চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছেন।
৭৬ বছরে চিত্রনায়ক আলমগীর
৭৬ বছরে চিত্রনায়ক আলমগীর
নায়ক আলমগীরের আজ ৭৬তম জন্মদিন। ৭৬ বছরে পা রাখলেন তিনি। ১৯৫০ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। অভিনেতার কাছে জন্মদিন একেবারেই সাধারণ একটা দিন। খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না। তারপরও পরিবারের সদস্যরা দিনটি নিজেদের মতো করে উদযাপন করে থাকেন। চলচ্চিত্রে আলমগীরের অভিষেক হয় ১৯৭৩ সালে ‘আমার জন্মভূমি’ সিনেমা দিয়ে। ১৯৮৫ সালে তিনি পরিচালনা শুরু করেন। ১৯৮৫ সালে ‘মা
ও ছেলে’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘরে তোলেন আলমগীর। গত বছর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’ পেয়েছেন গুণী এই অভিনেতা। শিল্পকলা (অভিনয়) শাখায় এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। অভিনয় ক্যারিয়ারে ২২৫টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। এ ছাড়া ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কারসহ
অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননায়’ ভূষিত হন এ অভিনেতা। শুধু অভিনয় নয়, গানও গাইতে পারেন আলমগীর। এক সময় রাজধানীর গ্রিন রোডে একটি স্কুলে সংগীতশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদীর কাছে গান শিখেছিলেন। কণ্ঠশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছেন। ‘আগুনের আলো’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম কণ্ঠ দেন। এরপর ‘কার পাপে’, ‘ঝুমকা’ ও ‘নির্দোষ’ চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত