কুমিল্লা ব্যুরো ঃ
১৯৭১ সালের ৮ডিসেম্বর ভোরে সেইদিনই ২৬ বীরমুক্তিসেনার আত্নত্যাগের বিনিময়ে পাকহানাদার মুক্ত হয় কুমিল্লা। দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলাপ্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা কমান্ড এর আয়োজনে নগরের টাউনহল মাঠ থেকে বিজয় উৎসবের এক আনন্দ বর্ণাঢ্য র্যালি বের হবে। র্যালিটি নগর উদ্যোনে বঙ্গবন্ধু মু্যারালে গিয়ে শেষ হয়। বঙ্গবন্ধু মু্যারালে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, ,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা কমান্ড,পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক,রাজনৈতিক অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরাসহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর ভোরে পাকহানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা। এদিন বিকাল ৪টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরী দলীয় পতাকা ও কুমিল্লার প্রথম প্রশাসক অ্যাডভোকেট আহমদ আলী স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা সফিউল আহমেদ বাবুল জানান, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী কুমিল্লা বিমানবন্দরে পাক বাহিনীর ২২ বেলুচ রেজিমেন্টের প্রধান ঘাঁটিতে আক্রমণ শুরু করে। মিত্রবাহিনীর ১১ গুর্খা রেজিমেন্টের আর কে মজুমদারের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিমানবন্দরের তিনদিক থেকে আক্রমণ চালানো হয়। সীমান্তবর্তী বিবির বাজার দিয়ে লে. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল এবং অপর দুটি দল গোমতী নদী অতিক্রম করে কুমিল্লা শহরের ভাটপাড়া দিয়ে এবং চৌদ্দগ্রামের বাঘেরচর দিয়ে এসে বিমানবন্দরের পাকসেনাদের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে। রাতভর পাকবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে ২৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। কতিপয় পাকিস্তানি সেনা বিমানবন্দরের ঘাঁটি ত্যাগ করে শেষ রাতে কুমিল্লার বরুড়ার দিকে ও ময়নামতি সেনা ছাউনিতে ফিরে যায় এবং কয়েকজন আত্মসমর্পণ করে। একপর্যায়ে পাকসেনাদের বিমানবন্দরের প্রধান ঘাঁটি দখল করে মুক্তিসেনারা। মুক্ত হয় কুমিল্লা। যখন মুক্তিবাহিনী শহরের প্রবেশ করে তখন স্থানীয় জনতা নারী পুরুষ সকলে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের অভিবাদন জানায়। যা আজও মুক্তিযোদ্ধারা তা ভুলতে পারেনি সেই মথুময় স্মৃতি।
৮ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস
৮ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস
কুমিল্লা ব্যুরো ঃ১৯৭১ সালের ৮ডিসেম্বর ভোরে সেইদিনই ২৬ বীরমুক্তিসেনার আত্নত্যাগের বিনিময়ে পাকহানাদার মুক্ত হয় কুমিল্লা। দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলাপ্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা কমান্ড এর আয়োজনে নগরের টাউনহল মাঠ থেকে বিজয় উৎসবের এক আনন্দ বর্ণাঢ্য র্যালি বের হবে। র্যালিটি নগর উদ্যোনে বঙ্গবন্ধু মু্যারালে গিয়ে শেষ হয়। বঙ্গবন্ধু মু্যারালে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, ,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা কমান্ড,পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক,রাজনৈতিক অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরাসহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর ভোরে পাকহানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা। এদিন বিকাল ৪টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরী দলীয় পতাকা ও কুমিল্লার প্রথম প্রশাসক অ্যাডভোকেট আহমদ আলী স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা সফিউল আহমেদ বাবুল জানান, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী কুমিল্লা বিমানবন্দরে পাক বাহিনীর ২২ বেলুচ রেজিমেন্টের প্রধান ঘাঁটিতে আক্রমণ শুরু করে। মিত্রবাহিনীর ১১ গুর্খা রেজিমেন্টের আর কে মজুমদারের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিমানবন্দরের তিনদিক থেকে আক্রমণ চালানো হয়। সীমান্তবর্তী বিবির বাজার দিয়ে লে. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল
এবং অপর দুটি দল গোমতী নদী অতিক্রম করে কুমিল্লা শহরের ভাটপাড়া দিয়ে এবং চৌদ্দগ্রামের বাঘেরচর দিয়ে এসে বিমানবন্দরের পাকসেনাদের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে। রাতভর পাকবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে ২৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। কতিপয় পাকিস্তানি সেনা বিমানবন্দরের ঘাঁটি ত্যাগ করে শেষ রাতে কুমিল্লার বরুড়ার দিকে ও ময়নামতি সেনা ছাউনিতে ফিরে যায় এবং কয়েকজন আত্মসমর্পণ করে। একপর্যায়ে পাকসেনাদের বিমানবন্দরের প্রধান ঘাঁটি দখল করে মুক্তিসেনারা। মুক্ত হয় কুমিল্লা। যখন মুক্তিবাহিনী শহরের প্রবেশ করে তখন স্থানীয় জনতা নারী পুরুষ সকলে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের অভিবাদন জানায়। যা আজও মুক্তিযোদ্ধারা তা ভুলতে পারেনি সেই মথুময় স্মৃতি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত