দুদিন আগে রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া রাজধানী ঢাকার নিউমার্কেট ও এর আশপাশের এলাকার মার্কেটগুলো যেন আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সংঘর্ষে বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার এসব মার্কেট খুলে দেওয়া হয়। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকেই এ এলাকার মার্কেটগুলোতে দেখা যায় ক্রেতাদের সেই চিরচেনা ভিড়। ঈদকে কেন্দ্র করে বেচাকেনা বেশি হওয়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা।
নিউমার্কেটের বিভিন্ন দোকানি জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই ক্রেতারা ভিড় করতে শুরু করেছে। বিক্রিও হচ্ছে ভালো। ক্রেতাদের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর মধ্যে সামনের দিনগুলোতে আর কোনো ঝামেলা ছাড়া নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে চান বলেও জানান তারা।
নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা গণমাধ্যমকে জনান, সমঝোতার পর বৃহস্পতিবার বিকালে দোকান খুলেছিলাম। কিন্তু তেমন ক্রেতা আসেনি গতকাল। শুক্রবার সকাল থেকে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। লোকজনের উপস্থিতিও বাড়ছে। তবে এত বড় একটা দুর্ঘটনার পর অনেক ক্রেতাদের মধ্যেই আতঙ্ক রয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে হয়তো সেটি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিউমার্কেট এলাকার বিপণিবিতানগুলো খুলে দেওয়াতে খুশি ক্রেতারাও। মিরপুর থেকে গাউছিয়া মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা গণমাধ্যমকে বলেন, অপেক্ষায় ছিলাম যে, কখন ঝামেলা শেষ হবে। পরিবারের সবার জন্য পোশাক কিনতে হবে। বাজেট কম থাকার কারণে চাইলেও বড় বিপণিবিতানে গিয়ে কেনাকাটা করা সম্ভব হয় না। এখানে অল্প টাকার মধ্যে ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র কেনাকাটা করি।
নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক অলোক পাঠান গণমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক ছিল। এ কারণে অনেকে দোকানও খোলেননি। কিন্তু ভয় কেটে যাওয়ায় লোকজন আসছে। বেচাকেনাও বাড়ছে।
গত সোমবার রাতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই কারণে ঈদের আগে ভরা মৌসুমে বিপণিবিতানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হতাশ ছিলেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার দিনব্যাপী থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুজন মারা যায়। মঙ্গলবার সারাদিন নিউমার্কেটসহ আশপাশের মার্কেটের দোকানপাট বন্ধ ছিল।
এ এলাকাটি দিয়ে যান চলাচলও তেমন হয়নি। পরে বুধবার কয়েকটি মার্কেটের দোকানপাট খুললেও নিউমার্কেটের কোনো দোকান খোলা হয়নি। বুধবার রাতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আলোচনায় সমঝোতা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার কিছু দোকান খুলতে দেখা যায়। তবে শুক্রবার বেচাকেনা দেখা যায় পুরোদমে।
আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে নিউমার্কেটে
আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে নিউমার্কেটে
দুদিন আগে রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া রাজধানী ঢাকার নিউমার্কেট ও এর আশপাশের এলাকার মার্কেটগুলো যেন আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সংঘর্ষে বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার এসব মার্কেট খুলে দেওয়া হয়। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকেই এ এলাকার মার্কেটগুলোতে দেখা যায় ক্রেতাদের সেই চিরচেনা ভিড়। ঈদকে কেন্দ্র করে বেচাকেনা বেশি হওয়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা।নিউমার্কেটের বিভিন্ন দোকানি জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই ক্রেতারা ভিড় করতে শুরু করেছে। বিক্রিও হচ্ছে ভালো। ক্রেতাদের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর মধ্যে সামনের দিনগুলোতে আর কোনো ঝামেলা ছাড়া নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে চান বলেও জানান তারা।নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা গণমাধ্যমকে জনান, সমঝোতার পর বৃহস্পতিবার বিকালে দোকান খুলেছিলাম। কিন্তু তেমন ক্রেতা আসেনি
গতকাল। শুক্রবার সকাল থেকে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। লোকজনের উপস্থিতিও বাড়ছে। তবে এত বড় একটা দুর্ঘটনার পর অনেক ক্রেতাদের মধ্যেই আতঙ্ক রয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে হয়তো সেটি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।নিউমার্কেট এলাকার বিপণিবিতানগুলো খুলে দেওয়াতে খুশি ক্রেতারাও। মিরপুর থেকে গাউছিয়া মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা গণমাধ্যমকে বলেন, অপেক্ষায় ছিলাম যে, কখন ঝামেলা শেষ হবে। পরিবারের সবার জন্য পোশাক কিনতে হবে। বাজেট কম থাকার কারণে চাইলেও বড় বিপণিবিতানে গিয়ে কেনাকাটা করা সম্ভব হয় না। এখানে অল্প টাকার মধ্যে ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র কেনাকাটা করি।নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক অলোক পাঠান গণমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক ছিল। এ কারণে
অনেকে দোকানও খোলেননি। কিন্তু ভয় কেটে যাওয়ায় লোকজন আসছে। বেচাকেনাও বাড়ছে।গত সোমবার রাতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই কারণে ঈদের আগে ভরা মৌসুমে বিপণিবিতানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হতাশ ছিলেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার দিনব্যাপী থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুজন মারা যায়। মঙ্গলবার সারাদিন নিউমার্কেটসহ আশপাশের মার্কেটের দোকানপাট বন্ধ ছিল।এ এলাকাটি দিয়ে যান চলাচলও তেমন হয়নি। পরে বুধবার কয়েকটি মার্কেটের দোকানপাট খুললেও নিউমার্কেটের কোনো দোকান খোলা হয়নি। বুধবার রাতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আলোচনায় সমঝোতা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার কিছু দোকান খুলতে দেখা যায়। তবে শুক্রবার বেচাকেনা দেখা যায় পুরোদমে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত