কাজে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আবারো ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে কর্মবিরতি চলছে হবিগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজারে চা বাগানে। তারা জানান, কোনো আশ্বাস নয়-এবার লিখিত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চা শ্রমিকদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
কামাইছড়া বাগানের পঞ্চায়েত সভাপতি বিমল ভর জানান, শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা কোন অবস্থায়ই মানছেন না। প্রধানমন্ত্রী নিজে আশ্বাস দিয়েছেন কিনা সেটি তারা বিশ্বাস করতে পারছেন না। তারা মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে কেউ তাদের সাথে প্রতারণা করছে। তাই ৩০০ টাকা মজুরি বাস্তনায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে ৪ দিন ২ ঘন্টা করে কর্মবিরতি করেন চা শ্রমিকরা। এরপর তারা ১৩ আগস্ট থেকে পূর্নদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হলেও তা সমাধান হয়নি। ইতিমধ্যে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। শেষ পর্যন্ত শনিবারের বৈঠকে তাদের মজুরি ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হলে তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। পরবর্তীতে শ্রমিকরা এ মজুরি মানেন না জানিয়ে ফের আন্দোলনে নামেন।
আবারও কর্মবিরতিতে চা শ্রমিকরা
আবারও কর্মবিরতিতে চা শ্রমিকরা
কাজে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আবারো ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে কর্মবিরতি চলছে হবিগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজারে চা বাগানে। তারা জানান, কোনো আশ্বাস নয়-এবার লিখিত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চা শ্রমিকদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।কামাইছড়া বাগানের পঞ্চায়েত সভাপতি বিমল ভর জানান, শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না
হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা কোন অবস্থায়ই মানছেন না। প্রধানমন্ত্রী নিজে আশ্বাস দিয়েছেন কিনা সেটি তারা বিশ্বাস করতে পারছেন না। তারা মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে কেউ তাদের সাথে প্রতারণা করছে। তাই ৩০০ টাকা মজুরি বাস্তনায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে ৪ দিন ২ ঘন্টা করে
কর্মবিরতি করেন চা শ্রমিকরা। এরপর তারা ১৩ আগস্ট থেকে পূর্নদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হলেও তা সমাধান হয়নি। ইতিমধ্যে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। শেষ পর্যন্ত শনিবারের বৈঠকে তাদের মজুরি ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হলে তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। পরবর্তীতে শ্রমিকরা এ মজুরি মানেন না জানিয়ে ফের আন্দোলনে নামেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত