হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। কয়েকদিন ধরে তার থেমে থেমে জ্বর আসছে। এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের একজন সদস্য।
তিনি জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে এটা সিজনাল না অন্য কোনও কারণে সেটা দেখতে হবে।
খালেদা জিয়া আগ্রহী হলে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।
জানা যায়, লিভার ও কিডনির সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তার লিভার সিরোসিস হয়েছে বলেও এর আগে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
জানা গেছে, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা খালেদা জিয়াকে বাসায় রেখে যেসব পরীক্ষা করা সম্ভব তা করাচ্ছেন। নিয়মিতভাবে তার আত্মীয়-স্বজনও বাসায় এসে খোঁজ রাখছেন।
ডায়াবেটিসের পাশাপাশি আর্থ্রাইটিসের জটিলতা থাকায় অন্যের সাহায্য নিয়ে তাকে হুইলচেয়ারে চলাচল করতে হয়।
২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ার পর বারবার চেষ্টা করেও জামিন হয়নি খালেদা জিয়ার। শুরুতে কারাগারে থাকলেও পরে তাকে বিএসএমএমইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে করোনার প্রকোপ শুরু হলে নির্বাহী আদেশে তাকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়। দফায় দফায় বাড়ানো মুক্তির মেয়াদ সবশেষ আরও ছয়মাস করা হয়েছে।
এদিকে নানারোগে আক্রান্ত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ছিলেন। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাতে সিসিইউতেও রাখা হয়েছিল।
আবারও অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়া
আবারও অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়া
হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। কয়েকদিন ধরে তার থেমে থেমে জ্বর আসছে। এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের একজন সদস্য।তিনি জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে এটা সিজনাল না অন্য কোনও কারণে সেটা দেখতে হবে।খালেদা জিয়া আগ্রহী হলে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।জানা
যায়, লিভার ও কিডনির সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তার লিভার সিরোসিস হয়েছে বলেও এর আগে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।জানা গেছে, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা খালেদা জিয়াকে বাসায় রেখে যেসব পরীক্ষা করা সম্ভব তা করাচ্ছেন। নিয়মিতভাবে তার আত্মীয়-স্বজনও বাসায় এসে খোঁজ রাখছেন।ডায়াবেটিসের পাশাপাশি আর্থ্রাইটিসের জটিলতা থাকায় অন্যের সাহায্য নিয়ে তাকে হুইলচেয়ারে চলাচল করতে হয়।২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ার পর
বারবার চেষ্টা করেও জামিন হয়নি খালেদা জিয়ার। শুরুতে কারাগারে থাকলেও পরে তাকে বিএসএমএমইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে করোনার প্রকোপ শুরু হলে নির্বাহী আদেশে তাকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়। দফায় দফায় বাড়ানো মুক্তির মেয়াদ সবশেষ আরও ছয়মাস করা হয়েছে।এদিকে নানারোগে আক্রান্ত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ছিলেন। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাতে সিসিইউতেও রাখা হয়েছিল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত