রোকসানা মনোয়ার: দেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রতিবেশী দেশসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ আবার বাড়ছে। ভাইরাসের এই ঊর্ধ্বমুখীকে উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে সরকারের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। একইসঙ্গে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারকে ছয় দফা সুপারিশ জানিয়েছেন তারা।
সোমবার কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৫৭তম সভা গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় অনলাইনে হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা। সভাপতি জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির নতুন সদস্যদের স্বাগত জানান এবং বিদায়ী সদস্যদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু করেন।
সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণ এবং দেশে সংক্রমণের হার ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে করণীয় বিষয়ে কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামত জানতে চেয়েছে বলে জানানো হয়। এ বিষয়ে সভায় কমিটির সব সদস্যের উপস্থিতিতে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সুপারিশগুলো তুলে ধরা হয়।
সুপারিশে পরামর্শক কমিটি জানায়, বাংলাদেশে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও পার্শ্ববর্তী দেশসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। যা উদ্বেগজনক। এখন থেকেই সতর্ক না হলে বাংলাদেশেও সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে আশঙ্কা জাতীয় কারিগরি কমিটির। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের সুপারিশ করা হয়। সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর সুপারিশ করে কমিটি। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাজার ও কেনাকাটা এবং ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সময় মাস্ক পরা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া তারাবির নামাজ ও ঈদ জামাতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় কমিটি। এ ছাড়াও কোভিড-১৯ মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালগুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সভা আয়োজন করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। একইসঙ্গে কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজন করে সবাইকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে থাকার সুপারিশ করা হয়েছে।
জিনোম সিকোয়েন্সিং ও সার্ভেলিয়েন্স জোরদার করার সুপারিশ করেছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চীনে বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার। এরই মধ্যে গত কয়েক দিন ধরে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। ইউরোপের দেশগুলোতেও নতুন করে হানা দিচ্ছে করোনা। বাংলাদেশেও নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে এরই মধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সংক্রমণ মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
আবারও সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা
আবারও সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা
রোকসানা মনোয়ার: দেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রতিবেশী দেশসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ আবার বাড়ছে। ভাইরাসের এই ঊর্ধ্বমুখীকে উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে সরকারের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। একইসঙ্গে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারকে ছয় দফা সুপারিশ জানিয়েছেন তারা।সোমবার কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৫৭তম সভা গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় অনলাইনে হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা। সভাপতি জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির নতুন সদস্যদের স্বাগত জানান এবং বিদায়ী সদস্যদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু করেন।সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণ এবং দেশে সংক্রমণের হার ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে করণীয় বিষয়ে কারিগরি পরামর্শক কমিটির
মতামত জানতে চেয়েছে বলে জানানো হয়। এ বিষয়ে সভায় কমিটির সব সদস্যের উপস্থিতিতে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সুপারিশগুলো তুলে ধরা হয়।সুপারিশে পরামর্শক কমিটি জানায়, বাংলাদেশে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও পার্শ্ববর্তী দেশসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। যা উদ্বেগজনক। এখন থেকেই সতর্ক না হলে বাংলাদেশেও সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে আশঙ্কা জাতীয় কারিগরি কমিটির। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের সুপারিশ করা হয়। সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর সুপারিশ করে কমিটি। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাজার ও কেনাকাটা এবং ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সময় মাস্ক পরা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।এ ছাড়া তারাবির নামাজ ও ঈদ জামাতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় কমিটি। এ
ছাড়াও কোভিড-১৯ মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালগুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সভা আয়োজন করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। একইসঙ্গে কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজন করে সবাইকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে থাকার সুপারিশ করা হয়েছে।জিনোম সিকোয়েন্সিং ও সার্ভেলিয়েন্স জোরদার করার সুপারিশ করেছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চীনে বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার। এরই মধ্যে গত কয়েক দিন ধরে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। ইউরোপের দেশগুলোতেও নতুন করে হানা দিচ্ছে করোনা। বাংলাদেশেও নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে এরই মধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সংক্রমণ মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত