উন্নত দেশের মতো আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উদ্যোগ
নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া।
রবিবার সকালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ
কথা বলেন।
এ সময় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, যানজট বাংলাদেশের একটি
অন্যতম সমস্যা। ফলে আমাদের মূল্যবান শ্রমঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী
সরকার পতনের পর তিন দিন দেশে সরকার ছিল না, ছিল না ট্রাফিক
পুলিশ। ঠিক সেই সময় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। কোন
প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও তরুণ ছাত্র-যুবারা দিন-রাত সড়কের ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনায় নিরলসভাবে কাজ করেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা ট্রাফিক পুলিশের
শূন্যতা অনুভব করতে পারিনি। এমনকি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক
রাখার জন্য তরুণ ছাত্র-যুবরা দিন-রাত পরিশ্রম করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
উপদেষ্টা আরো বলেন, দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের দায়িত্ব নিতে হবে।
আমরা তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক সুন্দর দেশ গড়তে চাই। এজন্য
ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সকলকে সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন বিষয়ে সকলের মাঝে সামাজিক
সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে
আধুনিকায়নে উত্তরণ ঘটাতে হবে।
এর আগে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতা
বিষয়ক দুই দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন তিনি। এই কোর্সের আওতায়
দুই দিনব্যাপী প্রতি ব্যাচে ৩০০ জন করে ৭টি ব্যাচে মোট ২,১০০
জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী
মো: সাইফুজ্জামান।
আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়তে উদ্যোগ নেওয়া হবে
আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়তে উদ্যোগ নেওয়া হবে
উন্নত দেশের মতো আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।রবিবার সকালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।এ সময় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, যানজট বাংলাদেশের একটি অন্যতম সমস্যা। ফলে আমাদের মূল্যবান শ্রমঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের পর তিন দিন দেশে সরকার ছিল না, ছিল না ট্রাফিক পুলিশ। ঠিক সেই সময়
সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। কোন প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও তরুণ ছাত্র-যুবারা দিন-রাত সড়কের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিরলসভাবে কাজ করেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা ট্রাফিক পুলিশের শূন্যতা অনুভব করতে পারিনি। এমনকি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখার জন্য তরুণ ছাত্র-যুবরা দিন-রাত পরিশ্রম করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।উপদেষ্টা আরো বলেন, দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক সুন্দর দেশ গড়তে চাই। এজন্য ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সকলকে সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক
আইন বিষয়ে সকলের মাঝে সামাজিক সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে আধুনিকায়নে উত্তরণ ঘটাতে হবে।এর আগে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন তিনি। এই কোর্সের আওতায় দুই দিনব্যাপী প্রতি ব্যাচে ৩০০ জন করে ৭টি ব্যাচে মোট ২,১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মো: সাইফুজ্জামান।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত