আফ্রিকার দরিদ্রতম ৬
দেশকে বিনামূল্যে গম দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
এই দেশগুলো হলো বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালি, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং
ইরিত্রিয়া।
বৃহস্পতিবার
রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্সবার্গে আফ্রিকার দেশগুলোর জোট আফ্রিকান
ইউনিয়নের (এইউ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, আগামী তিন চার
মাসে এই ছয়টি দেশের প্রত্যেককে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টন পর্যন্ত গম পাঠানো হবে
এবং এই বাবদ যে খরচ হবে, তাও বহন করবে রাশিয়া।
গত
বছর আগস্টে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের সঙ্গে শস্যচুক্তি সাক্ষর
করেছিল রাশিয়া; কিন্তু প্রতিশ্রুত শর্ত না মানার অভিযোগে সম্প্রতি সেই চুক্তি থেকে নিজেকে
সরিয়ে নিয়েছে দেশটি। উল্লেখ্য, রাশিয়া চুক্তি থেকে নিজেকে
প্রত্যাহারের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে গমের দামবৃদ্ধির আভাস মিলেছে।
এই
পরিস্থিতিতেই আফ্রিকার ছয় দেশকে গম সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিলেন পুতিন। রুশ
প্রেসিডেন্টের বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় অবশ্য শস্যচুক্তির প্রসঙ্গও এসেছে।
নিজ
বক্তব্যে পুতিন বলেন,
গমের আন্তর্জাতিক বাজারে ২০ শতাংশ সরবরাহ যায় রাশিয়া থেকে। অন্যদিকে
ইউক্রেন থেকে আসে ৫ শতাংশ সরবরাহ।
গত
বছর শস্যচুক্তি সম্পাদনের সময় আমরা শর্ত দিয়েছিলাম— পশ্চিমা দেশগুলো
আমাদের কৃষি, খাদ্যপণ্য ও সারের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে,
সেসব যেন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। চুক্তির অন্যান্য অংশীদাররা সেই
শর্তে রাজিও হয়েছিল।
কিন্তু
আমরা দেখলাম— এই শস্যচুক্তিকে তারা সম্পূর্ণ
বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে এবং ইউক্রেনের গমের সব চালান গেছে ইউরোপে। আফ্রিকা ও
বিশ্বের অন্যান্য দরিদ্র দেশ সেই গমের হিস্যা পায়নি। আমাদের কৃষিপণ্য ও সারের ওপর
যেসব নিষেধাজ্ঞা তারা (পশ্চিমা বিশ্ব) দিয়েছিল, সেসবও
প্রত্যাহার করা হয়নি।
এমনকি
আমরা যখন বললাম যে বিক্রি নয়, দরিদ্রতম দেশগুলোকে সহায়তা হিসেবে বিনামূল্যে
গম-সার পাঠাতে চাই— সেখানেও তারা নানা
প্রতিবন্ধকতা হাজির করা শুরু করল। ইউরোপের বিভিন্ন বন্দরে দিনের পর দিন আমাদের ২
লাখ ৬২ হাজারেরও বেশি গম আটকা পড়ে ছিল। শস্য চুক্তির পর আমরা ইউরোপের বিভিন্ন
বন্দর থেকে মাত্র ৪৪ হাজার টন সার নিয়ে এসে মালাউই কে ২০ হাজার টন এবং কেনিয়াকে ৩৪
টন সার (বিনামূল্যে) প্রদান করতে পেরেছি। বাকি সব সার লুটপাট করে নিয়েছে ইউরোপ।
যুক্তরাষ্ট্র
ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করে পুতিন বলেন, রাশিয়া কেবল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গম
রপ্তানিকারকই নয় বরং আন্তর্জাতিক খাদ্যের বাজারে একটি নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল সরবরাহকারী
দেশ। কিন্তু পশ্চিমারা, যারা এখন শস্যচুক্তি নিয়ে রাশিয়াকে
দোষী সাব্যস্ত করছে— গত দশকের পর দশক
ধরে এই সত্য অস্বীকার করে আসছে।
সূত্র : আরটি
আফ্রিকার ৬ দেশকে বিনামূল্যে গম দেবে রাশিয়া
আফ্রিকার ৬ দেশকে বিনামূল্যে গম দেবে রাশিয়া
আফ্রিকার দরিদ্রতম ৬ দেশকে বিনামূল্যে গম দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই দেশগুলো হলো বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালি, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং ইরিত্রিয়া।বৃহস্পতিবার রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্সবার্গে আফ্রিকার দেশগুলোর জোট আফ্রিকান ইউনিয়নের (এইউ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, আগামী তিন চার মাসে এই ছয়টি দেশের প্রত্যেককে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টন পর্যন্ত গম পাঠানো হবে এবং এই বাবদ যে খরচ হবে, তাও বহন করবে রাশিয়া।গত বছর আগস্টে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের সঙ্গে শস্যচুক্তি সাক্ষর করেছিল রাশিয়া; কিন্তু প্রতিশ্রুত শর্ত না মানার অভিযোগে সম্প্রতি সেই চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে দেশটি। উল্লেখ্য, রাশিয়া চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহারের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে গমের দামবৃদ্ধির আভাস মিলেছে।এই পরিস্থিতিতেই আফ্রিকার ছয়
দেশকে গম সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিলেন পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় অবশ্য শস্যচুক্তির প্রসঙ্গও এসেছে।নিজ বক্তব্যে পুতিন বলেন, গমের আন্তর্জাতিক বাজারে ২০ শতাংশ সরবরাহ যায় রাশিয়া থেকে। অন্যদিকে ইউক্রেন থেকে আসে ৫ শতাংশ সরবরাহ।গত বছর শস্যচুক্তি সম্পাদনের সময় আমরা শর্ত দিয়েছিলাম— পশ্চিমা দেশগুলো আমাদের কৃষি, খাদ্যপণ্য ও সারের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেসব যেন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। চুক্তির অন্যান্য অংশীদাররা সেই শর্তে রাজিও হয়েছিল।কিন্তু আমরা দেখলাম— এই শস্যচুক্তিকে তারা সম্পূর্ণ বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে এবং ইউক্রেনের গমের সব চালান গেছে ইউরোপে। আফ্রিকা ও বিশ্বের অন্যান্য দরিদ্র দেশ সেই গমের হিস্যা পায়নি। আমাদের কৃষিপণ্য ও সারের ওপর যেসব নিষেধাজ্ঞা তারা (পশ্চিমা বিশ্ব) দিয়েছিল, সেসবও প্রত্যাহার করা হয়নি।এমনকি আমরা যখন বললাম যে বিক্রি নয়, দরিদ্রতম দেশগুলোকে সহায়তা হিসেবে বিনামূল্যে গম-সার
পাঠাতে চাই— সেখানেও তারা নানা প্রতিবন্ধকতা হাজির করা শুরু করল। ইউরোপের বিভিন্ন বন্দরে দিনের পর দিন আমাদের ২ লাখ ৬২ হাজারেরও বেশি গম আটকা পড়ে ছিল। শস্য চুক্তির পর আমরা ইউরোপের বিভিন্ন বন্দর থেকে মাত্র ৪৪ হাজার টন সার নিয়ে এসে মালাউই কে ২০ হাজার টন এবং কেনিয়াকে ৩৪ টন সার (বিনামূল্যে) প্রদান করতে পেরেছি। বাকি সব সার লুটপাট করে নিয়েছে ইউরোপ। যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করে পুতিন বলেন, রাশিয়া কেবল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গম রপ্তানিকারকই নয় বরং আন্তর্জাতিক খাদ্যের বাজারে একটি নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল সরবরাহকারী দেশ। কিন্তু পশ্চিমারা, যারা এখন শস্যচুক্তি নিয়ে রাশিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করছে— গত দশকের পর দশক ধরে এই সত্য অস্বীকার করে আসছে। সূত্র : আরটি
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত