বিডি টুডেস রিপোর্ট:
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) এই ঋণ ছাড় করে আইএমএফ বোর্ড। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ও আইডিবি (ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) থেকে ৯০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে মোট ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে যোগ হয়েছে।
ঋণ হিসেবে আসা দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে মোট ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে। এতে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের রিজার্ভ ২৬ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন (দুই হাজার ৬৫০ কোটি) ডলারে দাঁড়িয়েছে।
গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী বোর্ড সভায় ঋণের তৃতীয় কিস্তি অনুমোদন করা হয়েছিল।
ঋণ চুক্তি অনুমোদনের পর গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার হাতে পায় বাংলাদেশ।
আর গত ১২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ পায় ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।
আইএমএফ থেকে ১১৫ কোটি ডলার ঋণ পেল বাংলাদেশ
আইএমএফ থেকে ১১৫ কোটি ডলার ঋণ পেল বাংলাদেশ
বিডি টুডেস রিপোর্ট:আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) এই ঋণ ছাড় করে আইএমএফ বোর্ড। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ও আইডিবি (ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) থেকে ৯০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে মোট ২০৫ কোটি
মার্কিন ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে যোগ হয়েছে। ঋণ হিসেবে আসা দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে মোট ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে। এতে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের রিজার্ভ ২৬ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন (দুই
হাজার ৬৫০ কোটি) ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী বোর্ড সভায় ঋণের তৃতীয় কিস্তি অনুমোদন করা হয়েছিল। ঋণ চুক্তি অনুমোদনের পর গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার হাতে পায় বাংলাদেশ। আর গত ১২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ পায় ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত