রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর আজ রামগতির বড় খেরী ইউপিসহ তিন ইউপিতে নির্বাচন

আজ রামগতির বড় খেরী ইউপিসহ তিন ইউপিতে নির্বাচন

নিজস্ব সংবাদদাতা লক্ষ্মীপুর ঃ

লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার বড়খেরী ইউপিতে নির্বাচন আজ।এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকার প্রার্থী মোঃ হাসান মাকসুদ মিজান। স্বতন্ত্র অপর প্রার্থী হিসেবে চশমা প্রতীক নিয়ে সাবেক এমপি মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের ছোট ভাইয়ের মেয়ের স্বামী মোঃ আবদুল খালেক মাসুদ প্রতিদ্ব›দ্বীতা করছেন নৌকার বিরুদ্ধে চশমা প্রতিক নিয়ে।এর আগে ২০২০ সালে এ ইউনিয়নে উপ-নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সাবেক এমপি মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের ছোট ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) মোঃ মিরাজ হোসেন। তিনি আনারস মার্কায় ভোটে প্রার্থী হয়ে পরে পরাজয়ের পর এবারের এবার ২৭ জুলাই নির্বাচনে ভোটে নৌকাকে হারিয়ে জয় নিশ্চিতে ভাতিজীর স্বামী মোঃ আবদুল খালেক মাসুদের পক্ষে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। 

এছাড়া সাবেক সাংসদ নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ দিকে নৌকার প্রার্থী মোঃ হাসান মাকসুদ মিজান বলেন,সাবেক সাংসদ মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন এর আগে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও পরবর্তী সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন না পেয়ে নৌকা বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। এর আগে বড়খেরী ইউপি উপ নির্বাচনে তার ভাতিজা মোঃ মিরাজকে নৌকার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়ে ভোটে জানান দেন।ওই নির্বাচনে ভাতিজা হেরে যান। কিন্তু বর্তমানে পুনঃরায় একই ইউনিয়নের নির্বাচনে ভাতিজী জামাইকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। দলীয়ভাবে এ বিচার দাবী জানিয়েছেন তিনি। 

অপরদিকে সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ্ আল মামুন এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন নির্বাচন কালীন সময়ে তিনি এলাকায় ছিলেন না। 

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিয়া মোঃ গোলাম ফারুক পিংকু জানান, এর আগে কমলনগর উপজেলা নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর -৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করেছেন। এর পর ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে ভাতিজাকে প্রার্থী দেওয়া ও তার পক্ষে কাজ করায় বিষয়টি জেলা আওয়ামী লীগ লিখিতভাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে অবগত করেছেন। এখন আবার তিনি তার ভাতিজী জামাইকে নৌকার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়ে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। তবে তার দলীয় কোন পদপদবী না থাকায় জেলা আওয়ামী লীগ তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। 

দলীয় সূত্র ও নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাগেছে, একই উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়নে একটি অস্থায়ী ভোট কেন্দ্রসহ ৯ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৩৬১ জন রয়েছেন। এরমধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৮৫৯ এবং নারী ভোটার ৫ হাজার ৫০২ জন। এ বড় খেরী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন ২ জন।

লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন, রামগতি উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়নে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে এবং চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার সুষ্টুভাবে ভোট গ্রহনের লক্ষে সকল প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রণহন করা হয়েছে। 

কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছানো হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ও ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিপুল পরিমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জোরদার করা হয়েছে।নির্বাচন অবাধ সুষ্টু ও নিরপেক্ষ অনুষ্টিত হবে।

খুঁজুন