বলিউড
অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন রাঁচির একটি
আদালত। জালিয়াতি ও চেক প্রতারণার মামলায় তাদের বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
করা হয় বলে খবর প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।
আমিশা
প্যাটেলের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সহযোগী ক্রুনালের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
করা হয়েছে।
আমিশা
প্যাটেলের বিরুদ্ধে এই প্রতারণার মামলা করেছিলেন রাঁচির বাসিন্দা প্রযোজক অজয়
কুমার সিং। তার অভিযোগ, আমিশা তাকে ‘দেশি ম্যাজিক’
নামের একটি ছবির জন্য অর্থ বিনিয়োগ করতে বলেন। তিনি ছবিটি নির্মাণ ও প্রচারের
জন্য আমিশার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আড়াই কোটি রুপি স্থানান্তর করেছিলেন। ২০১৩ সালে
ছবিটির শুটিং শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি।
প্রযোজক
অজয় কুমার সিং মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন, আমিশা ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার
আশ্বাস দিয়েছিলেন- ছবিটি শেষ হওয়ার পরে সুদের সঙ্গে তিনি (অজয়) আসল ফেরত পাবেন।
২০১৮ সালের অক্টোবরে অজয়কে আড়াই কোটি ও ৫০ লাখ রুপির ২টি চেক দিয়েছিলেন আমিশা।
কিন্তু চেকটি বাউন্স করে। এরপরই আমিশা ও ক্রুনালের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। জানা
গেছে, এই মামলায় সমন পাঠানো সত্ত্বেও আমিশা কিংবা তাঁর আইনজীবী কেউই আদালতে উপস্থিত
হননি।
তবে
গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে আমিশার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটির পরবর্তী
শুনানির দিন আগামী ১৫ এপ্রিল ধার্য করা হয়েছে।
আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন রাঁচির একটি আদালত। জালিয়াতি ও চেক প্রতারণার মামলায় তাদের বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় বলে খবর প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।আমিশা প্যাটেলের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সহযোগী ক্রুনালের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে এই প্রতারণার মামলা করেছিলেন রাঁচির বাসিন্দা প্রযোজক অজয় কুমার সিং। তার অভিযোগ, আমিশা তাকে ‘দেশি
ম্যাজিক’ নামের একটি ছবির জন্য অর্থ বিনিয়োগ করতে বলেন। তিনি ছবিটি নির্মাণ ও প্রচারের জন্য আমিশার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আড়াই কোটি রুপি স্থানান্তর করেছিলেন। ২০১৩ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি।প্রযোজক অজয় কুমার সিং মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন, আমিশা ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার আশ্বাস দিয়েছিলেন- ছবিটি শেষ হওয়ার পরে সুদের সঙ্গে তিনি (অজয়) আসল ফেরত পাবেন। ২০১৮ সালের
অক্টোবরে অজয়কে আড়াই কোটি ও ৫০ লাখ রুপির ২টি চেক দিয়েছিলেন আমিশা। কিন্তু চেকটি বাউন্স করে। এরপরই আমিশা ও ক্রুনালের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। জানা গেছে, এই মামলায় সমন পাঠানো সত্ত্বেও আমিশা কিংবা তাঁর আইনজীবী কেউই আদালতে উপস্থিত হননি। তবে গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে আমিশার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ১৫ এপ্রিল ধার্য করা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত