২০ শতাংশ বাড়িভাড়াসহ তিন দফা দাবিতে টানা ৯ দিন ধরে আন্দোলন করছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। অবস্থান কর্মসূচির পর এখন তারা অনশনে বসেছেন। একই সঙ্গে চলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি। এতে সারাদেশের ৩০ হাজারেরও বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অচল হয়ে পড়েছে। বন্ধ রয়েছে ক্লাস-পরীক্ষা।
এদিকে, শিক্ষকদের টানা আন্দোলনের মুখে বাড়িভাড়া ৫ শতাংশ (সর্বনিম্ন দুই হাজার টাকা) করেছে সরকার। গতকাল রবিবার এ নিয়ে আদেশ জারির পর শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার আশা প্রকাশ করেন, ‘শিক্ষকরা এবার ক্লাসে ফিরে যাবেন।’ তাদের প্রতি বিশেষভাবে শ্রেণিকক্ষে ফেরার আহ্বানও জানান।
তবে শিক্ষা উপদেষ্টার সেই আহ্বান ‘নাকচ’ করে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। তারা সোমবার থেকে কর্মসূচি আরো কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রয়োজনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে সব শিক্ষক ঢাকায় চলে আসবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টা যে আহ্বান জানিয়েছেন, তাতে আমাদের সায় নেই। আমরা ৫ শতাংশের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছি। ২০ শতাংশের নিশ্চায়তা না নিয়ে শিক্ষকরা কোনোভাবেই ক্লাসে ফিরবেন না।’
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টা যে আহ্বান জানিয়েছেন, তাতে আমাদের সায় নেই। আমরা ৫ শতাংশের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছি। ২০ শতাংশের নিশ্চায়তা না নিয়ে শিক্ষকরা কোনোভাবেই ক্লাসে ফিরবেন না।’
তিনি বলেন, ‘এতদিন আমরা অবস্থান কর্মসূচি করছিলাম। অনশনও চলছি। তবে এবার আমরা আমরণ অনশন করব। পাশাপাশি আজ শিক্ষক সমাবেশ করা হবে। এতে সারাদেশ থেকে আসা লক্ষাধিক শিক্ষক অংশ নেবেন। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। যদি কোনো ধরনের হামলা শিক্ষকদের ওপর হয়, তাহলে তার দায় সরকারকে নিতে হবে।