নতুন করে দেখা দিয়েছে
করোনাভাইরাস। ২০২০ সালের পর পাঁচ বছরের ব্যবধানে করোনা আবার নতুন করে ফিরেছে।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এ রোগের সংক্রমণ বেড়েছে। যার কারণে ভারতসহ যেসব দেশে
করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়েছে, ওইসব দেশে ভ্রমণের ব্যাপারে সতর্কবার্তা দিয়ে সংবাদ
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সম্প্রতি বাংলাদেশেও এ রোগের
সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত গরমে করোনাভাইরাস বেশি সংক্রমিত হয়।
অন্যান্য বছরের মতো এ বছরের মে মাসে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। বর্তমানে করোনার নতুন
যে উপধরন সংক্রমণ বাড়াচ্ছে, সেটির সংক্রমিত করার ক্ষমতা অনেক বেশি হলেও এতে রোগের
তীব্রতা কম। করোনার নতুন এ ধরনটি প্রাণঘাতী না হলেও অসাবধানতা ও অসচেতনতায় ধরনটি
যেকোনো সময় শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। তাই যথেষ্ট সতর্ক ও সচেতনতা আবশ্যক।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল
রুমের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে বিগত ২৪ ঘণ্টায় ৬২১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়
এবং ৩৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে পাঁচজন মারা যায়। এতে
শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, করোনায় চলতি বছরে
সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৩৩ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে
করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে
প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
তবে বর্তমানে পাওয়া যাওয়া উপধরনগুলো আগের মতো প্রাণঘাতী নয়। সাধারণ
জ্বর, সর্দি বা মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতো। কিন্তু এখন থেকেই স্বাস্থ্যবিধি
প্রতিপালনে গুরুত্ব না দিলে এটি আরো বাড়তে পারে। সংক্রমণ বাড়লে মৃত্যুও বাড়বে।
আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা
আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা
নতুন করে দেখা দিয়েছে করোনাভাইরাস। ২০২০ সালের পর পাঁচ বছরের ব্যবধানে করোনা আবার নতুন করে ফিরেছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এ রোগের সংক্রমণ বেড়েছে। যার কারণে ভারতসহ যেসব দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়েছে, ওইসব দেশে ভ্রমণের ব্যাপারে সতর্কবার্তা দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সম্প্রতি বাংলাদেশেও এ রোগের সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত গরমে করোনাভাইরাস বেশি সংক্রমিত হয়। অন্যান্য বছরের মতো এ বছরের মে মাসে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। বর্তমানে করোনার নতুন যে উপধরন সংক্রমণ বাড়াচ্ছে,
সেটির সংক্রমিত করার ক্ষমতা অনেক বেশি হলেও এতে রোগের তীব্রতা কম। করোনার নতুন এ ধরনটি প্রাণঘাতী না হলেও অসাবধানতা ও অসচেতনতায় ধরনটি যেকোনো সময় শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। তাই যথেষ্ট সতর্ক ও সচেতনতা আবশ্যক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে বিগত ২৪ ঘণ্টায় ৬২১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয় এবং ৩৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে পাঁচজন মারা যায়। এতে শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো
হয়েছে, করোনায় চলতি বছরে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৩৩ জনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। তবে বর্তমানে পাওয়া যাওয়া উপধরনগুলো আগের মতো প্রাণঘাতী নয়। সাধারণ জ্বর, সর্দি বা মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতো। কিন্তু এখন থেকেই স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে গুরুত্ব না দিলে এটি আরো বাড়তে পারে। সংক্রমণ বাড়লে মৃত্যুও বাড়বে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত