দেশের বাজারে কোনও প্যাকেটজাত চাল বিক্রি করা যাবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, যারা চালের ব্যবসা করেন, তারা দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল কিনতে পারবেন না। নতুন আইনে এ বিধানটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার (২৭ মে) দেওয়া নির্দেশনার পর এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অতি দ্রুত এ আইন করা হবে বলেও তিনি জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যারা প্যাকেটে চাল বিক্রি করবে, তারা দেশের বাজার থেকে যাতে চাল কিনতে না পারে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তাদের নিজেদের মিল থাকলে সেখানে প্যাকেটজাত করতে পারবে। সরকারের বেঁধে দেওয়া পরিমাণের চেয়ে বেশি চাল যাদের গুদামে পাওয়া যাবে, সেগুলো অবৈধ চাল হবে। সেগুলো সিলগালা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী নিজেও বাজার মনিটর করছেন। যারা মজুত করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের কেউ হলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, আকিজ সিটি, এসিআই, স্কয়ারসহ ৬টি গ্রুপের চালের মজুত পাওয়া গেছে। স্কুলের শিক্ষকদের কাছেও চালের মজুত পাওয়া গেছে। আমি কোনও চালের ব্যবসা করি না, এটা স্পষ্ট।
মজুতদারেরা আওয়ামী লীগের লোক কিনা এমন প্রশ্ন উঠলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের কোনও দল হতে পারে না। মুজতদাররাই আলাদা একটা দল।
তিনি বলেন, দেশে চালের কোনও সংকট হবে না। যদি হয় তাহলে আমদানি করতে হতে পারে।
খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভরা মৌসুমে চালের সরবরাহতে কোনও ঘাটতি নেই, কিন্তু কেন চালের দাম বাড়ছে? এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি। এটা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছিল। কিছু ব্যবসায়ী যে এটা করছে, সেটিও প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।
বাজারে কোনও প্যাকেটজাত চাল বিক্রি করা যাবে না
বাজারে কোনও প্যাকেটজাত চাল বিক্রি করা যাবে না
দেশের বাজারে কোনও প্যাকেটজাত চাল বিক্রি করা যাবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।খাদ্যমন্ত্রী জানান, যারা চালের ব্যবসা করেন, তারা দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল কিনতে পারবেন না। নতুন আইনে এ বিধানটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার (২৭ মে) দেওয়া নির্দেশনার পর এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অতি দ্রুত এ আইন করা হবে বলেও তিনি জানান।খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যারা প্যাকেটে চাল বিক্রি করবে, তারা
দেশের বাজার থেকে যাতে চাল কিনতে না পারে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তাদের নিজেদের মিল থাকলে সেখানে প্যাকেটজাত করতে পারবে। সরকারের বেঁধে দেওয়া পরিমাণের চেয়ে বেশি চাল যাদের গুদামে পাওয়া যাবে, সেগুলো অবৈধ চাল হবে। সেগুলো সিলগালা করা হবে।প্রধানমন্ত্রী নিজেও বাজার মনিটর করছেন। যারা মজুত করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের কেউ হলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।তিনি জানান, আকিজ সিটি, এসিআই, স্কয়ারসহ ৬টি গ্রুপের চালের মজুত পাওয়া গেছে। স্কুলের শিক্ষকদের কাছেও
চালের মজুত পাওয়া গেছে। আমি কোনও চালের ব্যবসা করি না, এটা স্পষ্ট।মজুতদারেরা আওয়ামী লীগের লোক কিনা এমন প্রশ্ন উঠলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের কোনও দল হতে পারে না। মুজতদাররাই আলাদা একটা দল।তিনি বলেন, দেশে চালের কোনও সংকট হবে না। যদি হয় তাহলে আমদানি করতে হতে পারে।খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভরা মৌসুমে চালের সরবরাহতে কোনও ঘাটতি নেই, কিন্তু কেন চালের দাম বাড়ছে? এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি। এটা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছিল। কিছু ব্যবসায়ী যে এটা করছে, সেটিও প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত