সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি, পেঁয়াজ, আলু, ময়দাসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। কমেছে ব্রয়লার
মুরগি, এলাচ, দারুচিনি ও চিনির দাম। তবে
বেশিরভাগ পণ্যের বাড়তি দাম অপরিবর্তিত
রয়েছে। ক্রেতারা বলছেন, সবকিছুর
দাম বেড়েছে, বাস ভাড়াও বেশি দিতে হচ্ছে। কিন্তু
বেতন বাড়েনি। এভাবে চলতে থাকলে সামনে খাওয়া-দাওয়া আরও কমিয়ে দিতে হবে।
রাজধানীর শনির আখরা, যাত্রাবাড়ী
বাজার, কারওরান বাজার, শ্যাম বাজার, মহাখালী বাজার, উত্তরা আজমপুর বাজার, খিলক্ষেত কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র
দেখা যায়।
বাজারে আলুর মানভেদে কেজিতে তিন
টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ টাকা। দুই টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে
৫০ থেকে ৫৫ টাকা,
আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি
হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। ১০ টাকা বেড়ে দেশি
শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। আদা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা।
সবজির নতুন সবজি আসলেও দাম কমছে
না। বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, পটল
৪০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ধনে পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা, ফুলকপি বড়টা ৬০ টাকা, ছোট মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, বেগুন কেজি ১০০, কচুর লতি ৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা ও টমেটো ১৪০ টাকা কেজি
দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতি হালি ফার্মের ডিম
বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। রুই মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়, ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ১৩০০
টাকায়, শিং মাছ ৩২০ টাকা, পাবদা ৩০০, ছোট চিংড়ি ৬০০ এবং বড় চিংড়ি ১০০০
টাকায়।
ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ টাকা
কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা দরে।
সব ধরনের ডালের দাম অপরিবর্তিত
রয়েছে। বাজারে বড় মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ৯০ টাকা কেজি, ছোটগুলো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০
টাকা। মুগডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা, এ্যাংকর ডাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, মানভেদে ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে
৮৫ টাকা।
বাজারে অস্বস্তি কাটেনি
বাজারে অস্বস্তি কাটেনি
সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি, পেঁয়াজ, আলু, ময়দাসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। কমেছে ব্রয়লার মুরগি, এলাচ, দারুচিনি ও চিনির দাম। তবে বেশিরভাগ পণ্যের বাড়তি দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ক্রেতারা বলছেন, সবকিছুর দাম বেড়েছে, বাস ভাড়াও বেশি দিতে হচ্ছে। কিন্তু বেতন বাড়েনি। এভাবে চলতে থাকলে সামনে খাওয়া-দাওয়া আরও কমিয়ে দিতে হবে।রাজধানীর শনির আখরা, যাত্রাবাড়ী বাজার, কারওরান বাজার, শ্যাম বাজার, মহাখালী বাজার, উত্তরা আজমপুর বাজার, খিলক্ষেত কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।বাজারে আলুর মানভেদে কেজিতে তিন টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ টাকা। দুই টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। রসুন বিক্রি হচ্ছে
৮০ থেকে ১২০ টাকা। ১০ টাকা বেড়ে দেশি শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। আদা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা।সবজির নতুন সবজি আসলেও দাম কমছে না। বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ধনে পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা, ফুলকপি বড়টা ৬০ টাকা, ছোট মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, বেগুন কেজি ১০০, কচুর লতি ৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা ও টমেটো ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।বাজারে প্রতি হালি ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। রুই মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়, ইলিশ বিক্রি
হচ্ছে ৫০০ থেকে ১৩০০ টাকায়, শিং মাছ ৩২০ টাকা, পাবদা ৩০০, ছোট চিংড়ি ৬০০ এবং বড় চিংড়ি ১০০০ টাকায়।ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা দরে।সব ধরনের ডালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে বড় মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ৯০ টাকা কেজি, ছোটগুলো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। মুগডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা, এ্যাংকর ডাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, মানভেদে ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত