প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারতের সেনাবাহিনীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাড়ানোর
প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত।
ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে জাতীয় সংসদ ভবনে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
বৈঠক
শেষে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা লেখক এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।
বৈঠকে
প্রধানমন্ত্রী বলেন,
বাংলাদেশ-ভারত দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক
সম্পর্ক বিরাজ করছে। এই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া
হয়েছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যেও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।
শেখ
হাসিনা তার সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং
(বিপসট) স্থাপনের কথা উল্লেখ করে বলেন, পারস্পরিক কল্যাণে এখানে দুই দেশের মধ্যে
কর্মকাণ্ড-বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত
সরকার, সেনাবাহিনী ও সেদেশের জনগণের সমর্থন ও ভূমিকার কথাও
কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী
দারিদ্র্যকে প্রধান শত্রু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “দারিদ্র্য এই অঞ্চলের
জনগণের প্রধান শত্রু এবং এই অঞ্চলের দেশগুলোকে দারিদ্র্য দূর করতে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করতে হবে।”
বৈঠককালে
ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন,
প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতা খুব
ভালোভাবে এগিয়ে চলেছে। জেনারেল মনোজ পান্ডে এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে
বলেন, আগামী দিনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সহযোগিতা
অব্যাহত থাকবে।
এ
সময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ-ভারতের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ
বাংলাদেশ-ভারতের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারতের সেনাবাহিনীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত।ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা লেখক এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিরাজ করছে। এই সম্পর্ককে
কাজে লাগিয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যেও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।শেখ হাসিনা তার সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) স্থাপনের কথা উল্লেখ করে বলেন, পারস্পরিক কল্যাণে এখানে দুই দেশের মধ্যে কর্মকাণ্ড-বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার, সেনাবাহিনী ও সেদেশের জনগণের সমর্থন ও ভূমিকার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।প্রধানমন্ত্রী দারিদ্র্যকে প্রধান শত্রু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “দারিদ্র্য এই
অঞ্চলের জনগণের প্রধান শত্রু এবং এই অঞ্চলের দেশগুলোকে দারিদ্র্য দূর করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”বৈঠককালে ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতা খুব ভালোভাবে এগিয়ে চলেছে। জেনারেল মনোজ পান্ডে এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আগামী দিনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এ সময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত