নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের
ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক চাপ ওয়াশিংটনের জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। কারণ এমন
বৈরি সম্পর্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী চীন বাড়তি সুযোগ নেয়ার
চেষ্টা করবে। এমনটি ফের ওয়াশিংটনকে অবগত করেছে দক্ষিণ এশিয়া তথা আঞ্চলিক শক্তি
ভারত।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আওয়ামী
লীগ সরকারের ওপর বাড়িত চাপ প্রয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বাংলাদেশ ও
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক ধরনে বৈরিতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব। আর এই সুযোগ
হাতিয়ে নিতে পারে বেইজিং। বিষয়টি ফের শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট করেছে
নয়াদিল্লি। দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এর প্রতিবেদনে এসব
তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনকে নয়াদিল্লি জানিয়েছে- আসন্ন
জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে বাড়ি চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে করে
বাংলাদেশে সরকারবিরোধী চরমপন্থী শক্তি আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং আঞ্চলিক
স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
একাধিক আলোচনাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে, নয়াদিল্লি ওয়াশিংটনকে
জানাতে চাইছে যে- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাংলাদেশকে
চীনের কাছাকাছি ঠেলে দিতে পারে। যদিও ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, তারাও বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ
নির্বাচন চায়। মার্কিন প্রশাসনের এ বিষয়ে খুব বেশি চাপ বরং সরকারবিরোধী
চরমপন্থী ও মৌলবাদী শক্তিকে উৎসাহিত করবে। যেসব অপশক্তি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার যথাযথভাবে দমন করতে সফল হয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশের বিশেষ ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন
ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও এলিট ফোর্সটির বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ওপর
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতির আরোপের ফলে সৃষ্ট
পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারে বেইজিং।
এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অর্থনৈতিক
জোট ব্রিকস-এর সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি
জিন পিংয়ের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে চীন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যে ভারতের উদ্বেগ আরও
বেড়ে যায়। বৈঠকের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আসন্ন
জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ‘বহিরাগতদের (বিদেশি শক্তি) হস্তক্ষেপের বিরোধিতায়’ বাংলাদেশকে সমর্থন করবে চীন।
সেই সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে সম্মত বেইজিং।
ওই বৈঠকে শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করা হয়, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের’ ওপর নির্ভরশীল। সেই সঙ্গে
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করা হোক তা চায় না বেইজিং।
বাংলাদেশে মার্কিন কড়াকড়ি, ফায়দা লুটবে চীন
বাংলাদেশে মার্কিন কড়াকড়ি, ফায়দা লুটবে চীন
নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক চাপ ওয়াশিংটনের জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। কারণ এমন বৈরি সম্পর্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী চীন বাড়তি সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করবে। এমনটি ফের ওয়াশিংটনকে অবগত করেছে দক্ষিণ এশিয়া তথা আঞ্চলিক শক্তি ভারত।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর বাড়িত চাপ প্রয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক ধরনে বৈরিতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব। আর এই সুযোগ হাতিয়ে নিতে পারে বেইজিং। বিষয়টি ফের শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি। দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনকে নয়াদিল্লি জানিয়েছে-
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে বাড়ি চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে করে বাংলাদেশে সরকারবিরোধী চরমপন্থী শক্তি আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।একাধিক আলোচনাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে, নয়াদিল্লি ওয়াশিংটনকে জানাতে চাইছে যে- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাংলাদেশকে চীনের কাছাকাছি ঠেলে দিতে পারে। যদিও ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, তারাও বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। মার্কিন প্রশাসনের এ বিষয়ে খুব বেশি চাপ বরং সরকারবিরোধী চরমপন্থী ও মৌলবাদী শক্তিকে উৎসাহিত করবে। যেসব অপশক্তি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার যথাযথভাবে দমন করতে সফল হয়েছে।এছাড়া, বাংলাদেশের বিশেষ ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও এলিট ফোর্সটির বেশ কয়েকজন
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতির আরোপের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারে বেইজিং।এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস-এর সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে চীন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যে ভারতের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। বৈঠকের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ‘বহিরাগতদের (বিদেশি শক্তি) হস্তক্ষেপের বিরোধিতায়’ বাংলাদেশকে সমর্থন করবে চীন। সেই সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে সম্মত বেইজিং। ওই বৈঠকে শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করা হয়, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের’ ওপর নির্ভরশীল। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করা হোক তা চায় না বেইজিং।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত