বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, খাদ্য ও পানীয় শিল্প, নির্মাণ এবং জ্বালানি—এ পাঁচ খাতে বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছে। এখন সুযোগ এসেছে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরো জোরদার করার। ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ‘সৌদি আরব-বাংলাদেশ বিজনেস সামিট ২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসএবিসিসিআই) সদস্যরা।
রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে গতকাল সামিট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসএবিসিসিআই সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাক। এছাড়া সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিংয়েও এ দেশ বিশ্বে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছে। এসব সম্ভাবনার অংশীদার হতে চায় সৌদি উদ্যোক্তারা।’
তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, খাদ্য ও পানীয় শিল্প, নির্মাণ এবং জ্বালানি খাতে সৌদি ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের জন্য গভীর আগ্রহ দেখিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে এসএবিসিসিআই বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে শিগগিরই সৌদি আরবে ‘শোকেস বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রদর্শনী আয়োজনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলো সৌদি বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হবে।’ দেশীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরাও এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান এসএবিসিসিআই সভাপতি।
সামিটে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি অংশ নেন সৌদি আরবের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হ্যালিওপার্কের সিইও মাইকেল স্যাসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে অনেক ভালো। কিন্তু আপনারা সফটওয়্যার, সেমিকন্ডাক্টর তৈরিতেও অনেক এগিয়েছেন। এখানে বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছেন, যারা কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী।’ স্যাসেনের মতে, এসব কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।
সংবাদ সম্মেলনে সৌদি ব্যবসায়ীরা জানান, মুসলিম ভ্রাতৃত্বের দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের অজস্র সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী কর্মী কাজ করছেন। যৌথ বিনিয়োগ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ কর্মশক্তিকে দক্ষ করে তোলা গেলে উভয় দেশই ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। এ সময় তারা বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য ও পানীয় শিল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এ দেশ থেকে আরো বেশি পরিমাণে কৃষি ও হালাল পণ্য আমদানির বিষয়েও কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এসএবিসিসিআই পরিচালক ও প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের পরিচালক উজমা চৌধুরী এবং সংগঠনের সহসভাপতি আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গত ৬ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সৌদি আরব-বাংলাদেশ বিজনেস সামিটে দুই দেশের শীর্ষ নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা অংশ নেন। সামিটের বিভিন্ন পর্বে অংশ ছিল বেশকিছু থিম্যাটিক সেশন, যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রেমিট্যান্স ও প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত নিয়ে আগ্রহী সৌদি আরব
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত নিয়ে আগ্রহী সৌদি আরব
বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, খাদ্য ও পানীয় শিল্প, নির্মাণ এবং জ্বালানি—এ পাঁচ খাতে বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছে। এখন সুযোগ এসেছে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরো জোরদার করার। ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ‘সৌদি আরব-বাংলাদেশ বিজনেস সামিট ২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসএবিসিসিআই) সদস্যরা।রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে গতকাল সামিট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসএবিসিসিআই সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাক। এছাড়া সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিংয়েও এ দেশ বিশ্বে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছে। এসব সম্ভাবনার অংশীদার হতে চায় সৌদি উদ্যোক্তারা।’তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, খাদ্য ও পানীয় শিল্প, নির্মাণ এবং জ্বালানি খাতে সৌদি
ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের জন্য গভীর আগ্রহ দেখিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে এসএবিসিসিআই বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে শিগগিরই সৌদি আরবে ‘শোকেস বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রদর্শনী আয়োজনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলো সৌদি বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হবে।’ দেশীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরাও এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান এসএবিসিসিআই সভাপতি।সামিটে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি অংশ নেন সৌদি আরবের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হ্যালিওপার্কের সিইও মাইকেল স্যাসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে অনেক ভালো। কিন্তু আপনারা সফটওয়্যার, সেমিকন্ডাক্টর তৈরিতেও অনেক এগিয়েছেন। এখানে বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছেন, যারা কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী।’ স্যাসেনের মতে, এসব কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।সংবাদ সম্মেলনে সৌদি ব্যবসায়ীরা
জানান, মুসলিম ভ্রাতৃত্বের দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের অজস্র সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী কর্মী কাজ করছেন। যৌথ বিনিয়োগ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ কর্মশক্তিকে দক্ষ করে তোলা গেলে উভয় দেশই ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। এ সময় তারা বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য ও পানীয় শিল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এ দেশ থেকে আরো বেশি পরিমাণে কৃষি ও হালাল পণ্য আমদানির বিষয়েও কথা বলেন।অনুষ্ঠানে এসএবিসিসিআই পরিচালক ও প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের পরিচালক উজমা চৌধুরী এবং সংগঠনের সহসভাপতি আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।গত ৬ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সৌদি আরব-বাংলাদেশ বিজনেস সামিটে দুই দেশের শীর্ষ নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা অংশ নেন। সামিটের বিভিন্ন পর্বে অংশ ছিল বেশকিছু থিম্যাটিক সেশন, যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রেমিট্যান্স ও প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত