ছাত্র-জনতার
তীব্র আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান ক্ষমতাচ্যুত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ
করছে। তবে এই উত্তেজনার পরও দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতীয়দের
মধ্যে যে পরিমাণ বিয়ে হয়েছিল; ২০২৪ সালে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত গত পাঁচ বছরে ৪৮৬ বাংলাদেশি পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয়দের
বিয়ে করার আবেদন করেন। এর মধ্যে সর্বশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ ডিসেম্বর
পর্যন্ত ১০০ বাংলাদেশি নারী ভারতীয়দের বিয়ে করার অনুমতি চেয়ে আবেদন
করেন। একই সময় ১১ বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীকে বিয়ের আবেদন
করেন। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত পাঁচ বছরের মধ্যে ২০২৪ সালেই
বাংলাদেশি-ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিয়ের নিবন্ধন হয়।
তবে যেসব বাংলাদেশি
ভারতীয়দের বিয়ে করেছেন তাদের কতজন ভারতে অবস্থান করবেন সেই সংখ্যা নিশ্চিত করতে
পারেনি সংবাদমাধ্যমটি। পশ্চিমবঙ্গের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘নাগরিকত্ব
আইন বিবেচনা করে বলা যায়, তাদের বেশিরভাগেরই ভারতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া
জানায়, ভারতের ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিক
ভারতীয়দের বিয়ে করেন তাহলে তারা ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ
ছাড়া যদি কোনো শিশুর বাবা অথবা মা ভারতীয় হন, তাহলে ওই শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে
ভারতের নাগরিকত্ব পাবে। রেকর্ড অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে ৪১০ বাংলাদেশি নারী ভারতীয়
বর বেঁছে নিয়েছেন। অপরদিকে ৭৬ বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় বধূ নিয়ে দেশে এসেছেন।
পরিসংখ্যান
অনুযায়ী, গত বছর যে ১০০ বাংলাদেশি নারী ভারতীয়দের বিয়ে করার আবেদন করেছেন তাদের
মধ্যে ৭৯ জন ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, ১৬ জন মুসলিম এবং পাঁচজন খ্রিস্টান। অপরদিকে
যে ১১ বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীদের বিয়ে করেছেন তাদের মধ্যে ৯ জন হিন্দু। বাকি
দুজন মুসলিম।
বাংলাদেশি-ভারতীয়দের মধ্যে বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে
বাংলাদেশি-ভারতীয়দের মধ্যে বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে
ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে এই উত্তেজনার পরও দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতীয়দের মধ্যে যে পরিমাণ বিয়ে হয়েছিল; ২০২৪ সালে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত গত পাঁচ বছরে ৪৮৬ বাংলাদেশি পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয়দের বিয়ে করার আবেদন করেন। এর মধ্যে সর্বশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০০ বাংলাদেশি
নারী ভারতীয়দের বিয়ে করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। একই সময় ১১ বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীকে বিয়ের আবেদন করেন। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত পাঁচ বছরের মধ্যে ২০২৪ সালেই বাংলাদেশি-ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিয়ের নিবন্ধন হয়। তবে যেসব বাংলাদেশি ভারতীয়দের বিয়ে করেছেন তাদের কতজন ভারতে অবস্থান করবেন সেই সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি। পশ্চিমবঙ্গের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘নাগরিকত্ব আইন বিবেচনা করে বলা যায়, তাদের বেশিরভাগেরই ভারতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ভারতের ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিক ভারতীয়দের বিয়ে করেন তাহলে তারা ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে
পারবেন। এ ছাড়া যদি কোনো শিশুর বাবা অথবা মা ভারতীয় হন, তাহলে ওই শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে। রেকর্ড অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে ৪১০ বাংলাদেশি নারী ভারতীয় বর বেঁছে নিয়েছেন। অপরদিকে ৭৬ বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় বধূ নিয়ে দেশে এসেছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর যে ১০০ বাংলাদেশি নারী ভারতীয়দের বিয়ে করার আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে ৭৯ জন ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, ১৬ জন মুসলিম এবং পাঁচজন খ্রিস্টান। অপরদিকে যে ১১ বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীদের বিয়ে করেছেন তাদের মধ্যে ৯ জন হিন্দু। বাকি দুজন মুসলিম।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত