বাংলাদেশি নাগরিকদের
জন্য ই-ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। প্রথম দেশ হিসেবে এ সুবিধা পাওয়ার মধ্য
দিয়ে সৌদি আরবে যেতে বাংলাদেশিদের স্টিকার ভিসা লাগবে না।
সোমবার
(১ মে) ঢাকার সৌদি দূতাবাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ই-ভিসার উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে
ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক
দিন। বাংলাদেশের নাগরিকরা আজ থেকে ই-ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যেতে পারবেন। তাই আর
স্টিকার ভিসার প্রয়োজন হবে না।
রাষ্ট্রদূত
বলেন, আগে বাংলাদেশিদের ওমরাহর জন্য ই-ভিসা চালু ছিল। তবে এখন থেকে সব ধরনের
ভিসার ক্ষেত্রে ই-ভিসা নেওয়া যাবে।
সুদান
থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের সৌদি আরব নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে
তিনি বলেন, সুদান থেকে ১০০টি দেশের ৬ হাজার লোককে উদ্ধার করেছে সৌদি। বাংলাদেশের
নাগরিকদেরও উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। সুদান থেকে কেউ সৌদিতে আশ্রয় চাইলে
তাদের তা দেওয়া হবে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও
প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক শহীদুল আলম বলেন, ভিসা
ইংরেজি বা বাংলা ভাষা থাকলে সুবিধা হয়। কারণ বাংলাদেশি যেসব কর্মী দেশটিতে
যান তারা আরবি ভাষা পড়তে পারেন না। পরবর্তীতে সৌদি আরব ই-ভিসায় ইংরেজি বা বাংলা
ভাষা সংযোজন করবে বলে আমরা আশা করছি।
বাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা চালু করল সৌদি
বাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা চালু করল সৌদি
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। প্রথম দেশ হিসেবে এ সুবিধা পাওয়ার মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে যেতে বাংলাদেশিদের স্টিকার ভিসা লাগবে না।সোমবার (১ মে) ঢাকার সৌদি দূতাবাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ই-ভিসার উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশের নাগরিকরা আজ থেকে ই-ভিসা নিয়ে সৌদি
আরব যেতে পারবেন। তাই আর স্টিকার ভিসার প্রয়োজন হবে না।রাষ্ট্রদূত বলেন, আগে বাংলাদেশিদের ওমরাহর জন্য ই-ভিসা চালু ছিল। তবে এখন থেকে সব ধরনের ভিসার ক্ষেত্রে ই-ভিসা নেওয়া যাবে।সুদান থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের সৌদি আরব নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুদান থেকে ১০০টি দেশের ৬ হাজার লোককে উদ্ধার করেছে সৌদি। বাংলাদেশের নাগরিকদেরও উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে।
সুদান থেকে কেউ সৌদিতে আশ্রয় চাইলে তাদের তা দেওয়া হবে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক শহীদুল আলম বলেন, ভিসা ইংরেজি বা বাংলা ভাষা থাকলে সুবিধা হয়। কারণ বাংলাদেশি যেসব কর্মী দেশটিতে যান তারা আরবি ভাষা পড়তে পারেন না। পরবর্তীতে সৌদি আরব ই-ভিসায় ইংরেজি বা বাংলা ভাষা সংযোজন করবে বলে আমরা আশা করছি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত