বাজারে মাছ, মাংসের দাম যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্যদিনের খাবারে ডিমের চাহিদা ব্যাপক। কিন্তু দাম বাড়ায় চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে ওইসব পরিবারগুলো। বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি পিস বয়লার মুরগির ডিম বিক্র হচ্ছে ১১-১২ টাকায়। যা আগে বিক্রি হতো ৮ টাকা করে। অর্থাৎ ৯৬ টাকা ডজনে বিক্রি হওয়া ডিম খুচরা বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকায়।
রাজধানীর শনির আখড়ায় ডিমের আড়ৎদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘সামনে ডিমের দাম আরও বাড়তে পারে।’ তারা ডিমের দাম বৃদ্ধির তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে। প্রথমত, পোলট্রি ফিডের দাম বৃদ্ধি, হাঁস মুরগীর রানিক্ষেত রোগে প্রচুর ক্ষতি ও গ্রাম পর্যায়ে খামার বন্ধ হয়ে যাওয়া।
যাত্রাবাড়ীর আব্দুল হালিম নামে একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগির সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা ও লাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা ডজন। কিন্তু রোজার মাসের আগে এবং রোজার মাসে খুচরা বাজারে ডিম বিক্রি হতো ৯৬-১০০ টাকায়। আর হাঁসের ডিম ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।’
ডিমের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে পাইকারি এ ব্যবসায়ী বলেন, পোলট্রি ফিড তৈরির ৮০ শতাংশ উপাদান আমদানি করে আনতে হয়। আন্তর্জাতিক মার্কেটে এসব উপাদানের দাম বেড়ে যাওয়ায় ফিডের দাম বেড়েছে। ফলে খামারিরা লোকসান থেকে বাঁচতে ডিমের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। সামনে আরও দাম বাড়তে পারে।
রানিক্ষেতের কারণে কমেছে ডিমের উৎপাদন উল্লেখ করে তেজগাঁওয়ের ডিমের আড়তদার মো. ইউনুস বলেন, ‘শীতের শেষে গরমের পর শুরু হয়েছে বৃষ্টির মৌসুম। এ সময় খামারের মুরগি সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয় রানিক্ষেত রোগে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রচুর মুরগি মারা যাচ্ছে, তাই ডিমের উৎপাদনও কমে গেছে। এতে চাহিদা অনুযায়ী কিছুটা সংকটও রয়েছে। এসবের প্রভাবেই বাজার এখন চড়াও।’
আড়তদারদের বিনিয়োগ বাড়লেও লাভ কমেছে উল্লেখ করে ওই ব্যবসায়ী বলেন, ‘ডিমের দাম বাড়ার কারণে আমাদের বিনিয়োগ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু লাভ কমে গেছে। আগে যেখানে ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেই হতো, এখন সেখানে বিনিয়োগ করতে হয় ১০ লাখ টাকা। এছাড়া পাল্লা দিয়ে কমছে ডিমের বিক্রি। আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ পিস ডিম বিক্রি হতো এখন সেখানে ৪০-৫০ হাজার পিস বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ায় বিক্রিও কমেছে সঙ্গে আমাদের লাভও।’
রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজার, শুক্রাবাদ কাঁচাবাজার ও শান্তিনগর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন পোলট্রি মুরগির ডিম ১৩৫-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ঠিক কি কারণে ডিমের দাম বেড়েছে জানেন না খুচরা বিক্রেতারা।
বাড়ছে ডিমের দাম
বাড়ছে ডিমের দাম
বাজারে মাছ, মাংসের দাম যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্যদিনের খাবারে ডিমের চাহিদা ব্যাপক। কিন্তু দাম বাড়ায় চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে ওইসব পরিবারগুলো। বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি পিস বয়লার মুরগির ডিম বিক্র হচ্ছে ১১-১২ টাকায়। যা আগে বিক্রি হতো ৮ টাকা করে। অর্থাৎ ৯৬ টাকা ডজনে বিক্রি হওয়া ডিম খুচরা বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকায়। রাজধানীর শনির আখড়ায় ডিমের আড়ৎদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘সামনে ডিমের দাম আরও বাড়তে পারে।’ তারা ডিমের দাম বৃদ্ধির তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে। প্রথমত, পোলট্রি ফিডের দাম বৃদ্ধি, হাঁস মুরগীর রানিক্ষেত রোগে প্রচুর ক্ষতি ও গ্রাম পর্যায়ে খামার বন্ধ হয়ে যাওয়া।যাত্রাবাড়ীর আব্দুল হালিম নামে একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগির
সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা ও লাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা ডজন। কিন্তু রোজার মাসের আগে এবং রোজার মাসে খুচরা বাজারে ডিম বিক্রি হতো ৯৬-১০০ টাকায়। আর হাঁসের ডিম ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।’ডিমের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে পাইকারি এ ব্যবসায়ী বলেন, পোলট্রি ফিড তৈরির ৮০ শতাংশ উপাদান আমদানি করে আনতে হয়। আন্তর্জাতিক মার্কেটে এসব উপাদানের দাম বেড়ে যাওয়ায় ফিডের দাম বেড়েছে। ফলে খামারিরা লোকসান থেকে বাঁচতে ডিমের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। সামনে আরও দাম বাড়তে পারে।রানিক্ষেতের কারণে কমেছে ডিমের উৎপাদন উল্লেখ করে তেজগাঁওয়ের ডিমের আড়তদার মো. ইউনুস বলেন, ‘শীতের শেষে গরমের পর শুরু হয়েছে বৃষ্টির মৌসুম। এ সময় খামারের মুরগি সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয় রানিক্ষেত রোগে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রচুর মুরগি মারা যাচ্ছে, তাই
ডিমের উৎপাদনও কমে গেছে। এতে চাহিদা অনুযায়ী কিছুটা সংকটও রয়েছে। এসবের প্রভাবেই বাজার এখন চড়াও।’আড়তদারদের বিনিয়োগ বাড়লেও লাভ কমেছে উল্লেখ করে ওই ব্যবসায়ী বলেন, ‘ডিমের দাম বাড়ার কারণে আমাদের বিনিয়োগ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু লাভ কমে গেছে। আগে যেখানে ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেই হতো, এখন সেখানে বিনিয়োগ করতে হয় ১০ লাখ টাকা। এছাড়া পাল্লা দিয়ে কমছে ডিমের বিক্রি। আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ পিস ডিম বিক্রি হতো এখন সেখানে ৪০-৫০ হাজার পিস বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ায় বিক্রিও কমেছে সঙ্গে আমাদের লাভও।’রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজার, শুক্রাবাদ কাঁচাবাজার ও শান্তিনগর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন পোলট্রি মুরগির ডিম ১৩৫-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ঠিক কি কারণে ডিমের দাম বেড়েছে জানেন না খুচরা বিক্রেতারা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত