দেশের ১৭ জেলার ২৪ হাজার ৭৬১ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড দিচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়। ক্রমান্বয়ে দেশের অন্য জেলাগুলোতেও এই ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড দেওয়া হবে। যেসব মুক্তিযোদ্ধা মারা গেছেন, তাদের পরিবার ডিজিটাল সার্টিফিকেট পাবে।
মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, প্রথমে কিশোরগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, নড়াইল, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ঢাকা, শরীয়তপুর, মেহেরপুর, নারায়ণগঞ্জ- এই ১৭ জেলার মুক্তিযোদ্ধারা এই কার্ড পাবেন। বাকি ৪৭টি জেলার ডিজিটাল সার্টিফিকেট এবং স্মার্ট আইডি কার্ডের প্রিন্টিংয়ের কাজ শেষ হতে আরো দেড় মাস লাগবে। ১৭ জেলায় মোট ডিজিটাল সার্টিফিকেট পাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৬ হাজার ৮০৩ জন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মহানগরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। জেলাভিত্তিক ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড সর্বশেষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সমন্বিত তালিকা যাচাই করে বিতরণ করতে হবে।’
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত সমন্বিত তালিকায় নাম না থাকলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে প্রেরিত ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ স্থগিত রাখতে হবে। সমন্বিত তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বিত তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি সাপেক্ষে পরবর্তী সময়ে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড দেওয়া হবে।
সচিব জানান, ‘যাদের নাম সমন্বিত তালিকায় থাকা সত্ত্বেও ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড প্রিন্ট হয়নি তাদের এমআইএস নম্বরসহ নামের তালিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানোর পর পরবর্তী সময়ে তাদের নামে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড পাঠানো হবে। কোনো মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে শুনানির জন্য থাকলে তার কার্ড বিতরণ বন্ধ রাখা হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্মার্ট আইডি কার্ড দিচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়
বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্মার্ট আইডি কার্ড দিচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়
দেশের ১৭ জেলার ২৪ হাজার ৭৬১ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড দিচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়। ক্রমান্বয়ে দেশের অন্য জেলাগুলোতেও এই ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড দেওয়া হবে। যেসব মুক্তিযোদ্ধা মারা গেছেন, তাদের পরিবার ডিজিটাল সার্টিফিকেট পাবে।মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, প্রথমে কিশোরগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, নড়াইল, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ঢাকা, শরীয়তপুর, মেহেরপুর, নারায়ণগঞ্জ- এই ১৭ জেলার মুক্তিযোদ্ধারা এই কার্ড পাবেন। বাকি ৪৭টি জেলার ডিজিটাল সার্টিফিকেট এবং স্মার্ট আইডি কার্ডের প্রিন্টিংয়ের কাজ শেষ হতে আরো দেড়
মাস লাগবে। ১৭ জেলায় মোট ডিজিটাল সার্টিফিকেট পাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৬ হাজার ৮০৩ জন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মহানগরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। জেলাভিত্তিক ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড সর্বশেষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সমন্বিত তালিকা যাচাই করে বিতরণ করতে হবে।’মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত সমন্বিত তালিকায় নাম না থাকলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে প্রেরিত ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ স্থগিত রাখতে হবে।
সমন্বিত তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বিত তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি সাপেক্ষে পরবর্তী সময়ে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড দেওয়া হবে।সচিব জানান, ‘যাদের নাম সমন্বিত তালিকায় থাকা সত্ত্বেও ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড প্রিন্ট হয়নি তাদের এমআইএস নম্বরসহ নামের তালিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানোর পর পরবর্তী সময়ে তাদের নামে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট আইডি কার্ড পাঠানো হবে। কোনো মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে শুনানির জন্য থাকলে তার কার্ড বিতরণ বন্ধ রাখা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত