শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অর্থ ও বাণিজ্য বেগুন ১৬০ ও কাঁচামরিচ ২৪০ টাকা কেজি

বেগুন ১৬০ ও কাঁচামরিচ ২৪০ টাকা কেজি

 সব ধরনের সবজিসহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া অসচ্ছল মানুষরা।
বাজারগুলোতে নিজেদের চাহিদা মিটাতে ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় থাকলেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারনণে সবজিসহ চাল, মাছ, মাংশের দামও বেড়েছে । চাল প্রতি কেজি ৬/৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত এক সপ্তাহের ব্যাবধানে সবজিসহ কাচামালের মূল্যের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন ১৫০/১৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৪০ টাকা, পেয়াজ ৮০ টাকা,কাঁচা পেপে ২০/৩০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, পটল ৭০/৮০ টাকা, লাউ ৪০/৫০ টাকা (আকার ভেদে) পিচ,মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি, আদা ২০০ টাকা, করলা ১০০ টাকা কেজি । তাছাড়া গরুর মাংস ৭৫০টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস ১১ শত টাকা কেজি দরে বিত্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালী মুরগী ২৯০ টাকা,ব্রয়েলার ১৭৫ টাকা কেজি বিক্রী হচ্ছে ।

তাছাড়া শহরের বাজারে আসা ক্রেতা হামিদুল ইসলাম গত কয়েকদিনে কাচা বাজারের প্রতিটি জিনিসের মূল্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিক্রেতা আসলাম হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্ন হাট ও আড়ত থেকে সবজি ক্রয় করে বিক্রি করে থাকি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দাম কিছুটা বেশি তাই আমরাও সেই ভাবে বিক্রি করি।

 প্রতিটি বাজারেই সবজির মূল্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। এব্যাপারে ব্যাবসায়ী রফিকুল জানায়, কয়েকদিন আগের বৃষ্টির সময় থেকে কাচামাল পরিবহনে ব্যাপক অসুবিধার সৃষ্টি হওয়ায় দাম বৃদ্ধি পায়। যা আজও কমেনি বরং বেড়েই চলেছে।

তিনি আরো জানান,  যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়াতে বিভিন্ন চরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত এবং পরিবহন অসুবিধার কারণে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। মেছড়া চরের হানিফ জানায়, একদিকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত অপর দিকে যমুনার পানি বৃদ্ধিতে অনেক সবজি ক্ষেতে পানি ঢুকে সবজি নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

তাছাড়া বর্ষার মৌসুমে পরিবহনে অসুবিধা জনিত কারনে মূল্যবৃদ্ধি সহ মালামাল সংগ্রহ করা দুরহ হয়ে পড়েছে তাই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে । কিছু সুবিধা ভোগি ব্যবসায়ী মহলের কারসাজিতে মূল্যবৃদ্ধির আরো একটি কারণ বলে সচেতন মহল জানান। অপরদিকে খেটে খাওয়া মানুষরা কাঁচাবাজারে প্রতিটি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় পড়েছে বিপাকে।



খুঁজুন