আনোয়ার হোসেন - নিজস্ব প্রতিবেদক যশোর::
গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে বেনাপোল বন্দরের ৩৮ নম্বর শেড থেকে এ চালানটি আটক করা হয়।
এ চালানটির আমদানি কারক চট্টগ্রামের রিফ লেদার লিমিটেড নামে একটি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বেনাপোল বন্দর থেকে সু কৌশলে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এ চালানটি খালাস নিতে কাস্টমসে কাগজপত্র দাখিল করেছিল মোশারফ ট্রেডিং নামে সিএন্ডএফ এজেন্সি একটি প্রতিষ্ঠান।
বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের তথ্যমতে তাদের কাছে খবর আসে বেনাপোল স্হল বন্দরের ৩৮ নম্বর শেডে ১৬৪২৫ কেজি ফরমিক এসিড ঘোষণা দিয়ে সালফিউরিক এসিড আমদানি করেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে তারা সিএন্ডএফ এর ঘোষণা অনুযায়ী কাস্টমসের ল্যাবে ফরমিক এসিডের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
এসময় ল্যাবে পরীক্ষার করলে সেটি সালফিউরিক এসিড বলে জানতে পারে তারা।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মোশারফ ট্রেডিংয়ের মোশারেফ হোসেন জানান, তিনি পণ্য চালানটি ছাড় করানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
মিথ্যা ঘোষণায় আমদানির অভিযোগে কাস্টমস কেমিকেল চালানটি প্রাথমিক পরীক্ষা করে সালফিউরিক এসিড পেয়েছেন। বিষয়টি তিনি আমদানিকারক কে জানিয়েছেন। তবে আমদানিকারক কাস্টমসের এ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পুনরায় পরীক্ষার দাবি জানিয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার সাফায়েত হোসেনকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি।
বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড
বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড
আনোয়ার হোসেন - নিজস্ব প্রতিবেদক যশোর::গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে বেনাপোল বন্দরের ৩৮ নম্বর শেড থেকে এ চালানটি আটক করা হয়।এ চালানটির আমদানি কারক চট্টগ্রামের রিফ লেদার লিমিটেড নামে একটি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বেনাপোল বন্দর থেকে সু কৌশলে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এ চালানটি খালাস নিতে কাস্টমসে কাগজপত্র দাখিল করেছিল মোশারফ ট্রেডিং নামে সিএন্ডএফ এজেন্সি একটি প্রতিষ্ঠান।বেনাপোল কাস্টমস
সূত্রে জানা যায়, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের তথ্যমতে তাদের কাছে খবর আসে বেনাপোল স্হল বন্দরের ৩৮ নম্বর শেডে ১৬৪২৫ কেজি ফরমিক এসিড ঘোষণা দিয়ে সালফিউরিক এসিড আমদানি করেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে তারা সিএন্ডএফ এর ঘোষণা অনুযায়ী কাস্টমসের ল্যাবে ফরমিক এসিডের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।এসময় ল্যাবে পরীক্ষার করলে সেটি সালফিউরিক এসিড বলে জানতে পারে তারা।সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মোশারফ ট্রেডিংয়ের মোশারেফ
হোসেন জানান, তিনি পণ্য চালানটি ছাড় করানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।মিথ্যা ঘোষণায় আমদানির অভিযোগে কাস্টমস কেমিকেল চালানটি প্রাথমিক পরীক্ষা করে সালফিউরিক এসিড পেয়েছেন। বিষয়টি তিনি আমদানিকারক কে জানিয়েছেন। তবে আমদানিকারক কাস্টমসের এ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পুনরায় পরীক্ষার দাবি জানিয়েছে বলে তিনি জানান। এদিকে এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার সাফায়েত হোসেনকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত