বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ ও আমদানি প্রবণতা কমাতে ও দেশীয় পণ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দুই শতাধিত বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) আরোপ করা হয়েছে।
পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- আমদানি করা বিস্কুট, চকলেট, বিভিন্ন জাতের ফল, জুস, বিদেশি তৈরি পোশাক, ফার্নিচারের কাঁচামাল ইত্যাদি।
সোমবার (২৩ মে) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রজ্ঞাপণে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত আরোপ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মে) এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য, মূলধনি যন্ত্র, কাঁচামাল ও জাহাজ ভাড়া বেড়েছে। এ কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) আমদানি খরচ বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। আমদানি খরচ যে হারে বেড়েছে, রপ্তানি সে হারে বাড়েনি। প্রবাসী আয় কমছে। আয় দিয়ে ব্যয় মিটছে না। প্রতি মাসে ঘাটতি হচ্ছে ১০০ কোটি টাকা বা ১ বিলিয়ন ডলার। এর সঙ্গে আছে বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধ। এসব সংকটে বাড়ছে ডলারের দাম, আর চাহিদা মেটাতে গিয়ে কমছে রিজার্ভ। এমন অবস্থা সামাল দিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ
বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ ও আমদানি প্রবণতা কমাতে ও দেশীয় পণ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দুই শতাধিত বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) আরোপ করা হয়েছে।পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- আমদানি করা বিস্কুট, চকলেট, বিভিন্ন জাতের ফল, জুস, বিদেশি তৈরি পোশাক, ফার্নিচারের কাঁচামাল ইত্যাদি।সোমবার (২৩ মে) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম স্বাক্ষরিত
প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রজ্ঞাপণে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত আরোপ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ মে) এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।জানা গেছে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য, মূলধনি যন্ত্র, কাঁচামাল ও জাহাজ ভাড়া বেড়েছে। এ কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) আমদানি খরচ বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। আমদানি
খরচ যে হারে বেড়েছে, রপ্তানি সে হারে বাড়েনি। প্রবাসী আয় কমছে। আয় দিয়ে ব্যয় মিটছে না। প্রতি মাসে ঘাটতি হচ্ছে ১০০ কোটি টাকা বা ১ বিলিয়ন ডলার। এর সঙ্গে আছে বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধ। এসব সংকটে বাড়ছে ডলারের দাম, আর চাহিদা মেটাতে গিয়ে কমছে রিজার্ভ। এমন অবস্থা সামাল দিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত