মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রমধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। ও ইরানের মধ্যে চরম মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নতুন করে উদ্বেগের কারণে বাজারের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম প্রতি ব্যারেলে ২ দশমিক ৮৫ ডলার বা ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১০৭ দশমিক ৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৩ দশমিক ১৩ ডলার বা ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১০১ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে সোমবারও উভয় বেঞ্চমার্কে তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
তেলের এই দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি চুক্তির অনিশ্চয়তাকে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে বলে মন্তব্য করায় এবং নৌ-অবরোধ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে গভীর মতবিরোধ থাকায় বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
এছাড়া বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহকারী হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সার্বভৌমত্বের দাবি ও সেখানে চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ওপেক-এর তেল উৎপাদন গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পাশাপাশি চীন-ইরান তেল লেনদেনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ও আসন্ন ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকের ফলাফল কী হয়, সেদিকেও বাজার কড়া নজর রাখছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি চুক্তির দিকে অগ্রগতি হলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮ থেকে ১২ ডলার পর্যন্ত কমতে পারে। তবে উত্তেজনা বাড়লে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দ্রুত ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সৌদি আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সতর্ক করে বলেছেন, সরবরাহ বিঘ্নিত হলে তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে এবং প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের ক্ষতি হতে পারে।
বিশ্বে আবারও জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ
বিশ্বে আবারও জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রমধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। ও ইরানের মধ্যে চরম মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।মঙ্গলবার (১২ মে) তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নতুন করে উদ্বেগের কারণে বাজারের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম প্রতি ব্যারেলে ২ দশমিক ৮৫ ডলার বা ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১০৭ দশমিক ৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে
মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৩ দশমিক ১৩ ডলার বা ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১০১ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে সোমবারও উভয় বেঞ্চমার্কে তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।তেলের এই দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি চুক্তির অনিশ্চয়তাকে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে বলে মন্তব্য করায় এবং নৌ-অবরোধ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে গভীর মতবিরোধ থাকায় বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।এছাড়া বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহকারী হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সার্বভৌমত্বের দাবি ও সেখানে চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ওপেক-এর তেল উৎপাদন গত দুই দশকের
মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পাশাপাশি চীন-ইরান তেল লেনদেনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ও আসন্ন ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকের ফলাফল কী হয়, সেদিকেও বাজার কড়া নজর রাখছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি চুক্তির দিকে অগ্রগতি হলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮ থেকে ১২ ডলার পর্যন্ত কমতে পারে। তবে উত্তেজনা বাড়লে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দ্রুত ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।সৌদি আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সতর্ক করে বলেছেন, সরবরাহ বিঘ্নিত হলে তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে এবং প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের ক্ষতি হতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত