শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :
প্রথমে প্রেম ও পরে বিয়ের প্রলোভনে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও মারপিটের ঘটনায় মামলা করলেন প্রেমিকা।
সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেমের সম্পর্ক। প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কলেজ পড়ুয়া তরুণী (১৯)-কে একাধীক বার ধর্ষণ করার পর গোপনে অপর মেয়েকে বিয়ে করার খবর পেয়ে তা যাচাই করতে প্রেমিক সেনা সদস্যর গ্রামে গেলে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রীকে ঘড়ে আটক করে রেখে চালানো হয় নির্যাতন। মহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ায় গ্রাম সহ পার্শ্বের গ্রামের লোকজন ভীড় জমান ঘটনাস্থলে।
এঘটনায় কলেজ পড়ুয়া প্রেমিকা তরুনী নিজেই বাদি হয়ে, প্রেমিক সেনা সদস্য মোঃ সাকিব রানা (২৩) কে মূল অভিযুক্ত করে মোট ৩ জনের বিরুদ্ধে রবিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সুত্রে জানাযায়, প্রায় সারে ৩ বছর পূর্বে সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে প্রথম পরিচয়। পরবর্তীতে সেই পরিচয় এর সুত্রধরে প্রেম ও ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে ওঠে দু'জনের মাঝে। এভাবে চলার মাঝে ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং সাকিব রানা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে প্রেমিকা তরুনীকে নওগাঁ শহরে ডেকে নেয় এবং নওগাঁর একটি হোটেল এর সামনে নিয়ে যায়। প্রেমিকা হোটেল এর ভেতর যেতে রাজি না হলে সে-সময় সাকিব রানা বিভিন্ন কৌশলে বিবাহ করার প্রলোভন দিয়ে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রীকে হোটেল এর ভেতর ৩য়' তলার একটি কক্ষে নিয়েগিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ প্রেমিকাকে করেন। এরপর থেকে প্রেমিক সাকিব রানা বিভিন্ন সময় ছুটিতে এসে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে (আমার) অপরিচিত লোকজনদের বাড়িতে নিয়েগিয়ে ধর্ষণ করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন। সাকিব রানা বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী 'আরটিলারী কোর' ( যশোর সেনানিবাসে কর্মরত)। এক মাসের ছুটিতে এসে গত মাসের শেষ দিন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাকিব রানা ফের ডেকে নিয়ে আবারো বিবাহ করার প্রলোভন দিয়ে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি সিএনজি যোগে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন ভিকটিম। এরপর সে আর পূর্বের ন্যায় ভিকটিম কে ফোন দেয় না, ভিকটিম তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য চেষ্টা করলেও প্রেমিক সাকিব রানা ফোন রিসিভ করেনা, মাঝে মাঝে রিসিভ করলেও আমাকে ফোন করতে নিষেধ করে। এরপর অনেক চেষ্টাকরে যোগাযোগ করে বিবাহ করার জন্য চাপদিলে সে আমাকে বলে, তোমার সাথে যা হয়েছে তা ভুলে যাও এবং আমাকে ক্ষমা করে দিও বলেই ফোন কেটে দেয়। এরপর আমি খোঁজনিয়ে জানতে পারি আমাকে না জানিয়ে সাকিব রানা তার বাড়ির পার্শ্বের এলাকার অপর আরেক মেয়েকে বিয়ে করেছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন। এরপর আমি বিয়ে করার সত্যতা যাচাই করতে গত ১৮ ফেব্রয়ারী দুপুর সারে ১২ টারদিকে তার খোঁজে গ্রামে গিয়ে সাকিব রানা কে দেখতে পেয়ে ঠকানোর কারন জিজ্ঞাসা করতেই সাকিব রানা আমার হাতধরে নিকটস্থ বাড়ির ভেতর নিয়ে যায় এবং সাকিব রানা সহ আরো দু'জন নারী মোট ৩ জন আমাকে মারপিট (নির্যাতন) করে আমার মোবাইল ফোন ও আমার কাছে থাকা ৭ হাজার ৫০ টাকা কেড়েনিয়ে আমাকে ঘড়ে আটক করে রেখে আমার ফোনে থাকা (প্রমানাদি ডিলিট করেন) বলেও উল্লেখ করেন এজাহারে। পরবর্তীতে আমার পরিবারকে ফোনে খবর দিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে বলেন। খবর পেয়ে আমার মা ও আমার ফুপাত ভাই বিকেল সারে ৩ টারদিকে ঘটনাস্থলে পৌছে আমাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী (ভিকটিম)।
এব্যাপারে (ভিকটিম) কলেজ পড়ুয়া তরুণী প্রতিবেদককে জানান, সেনা সদস্য সাকিব রানা ও আমার প্রেমের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে। সে আমাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে ঠকিয়ে-ই ক্ষান্ত হয়নি, সাকিব রানা, তার মা ও শ্বাশুড়ী আমাকে নির্যাতন করে ঘড়ে আটক করে রাখেন, আমি সাকিব রানা কে বিয়ে করতে চাই এজন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।
একজন সেনা সদস্য সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে এজাহার প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ।
বিয়ের প্রলোভনে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন
বিয়ের প্রলোভনে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :প্রথমে প্রেম ও পরে বিয়ের প্রলোভনে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও মারপিটের ঘটনায় মামলা করলেন প্রেমিকা।সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেমের সম্পর্ক। প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কলেজ পড়ুয়া তরুণী (১৯)-কে একাধীক বার ধর্ষণ করার পর গোপনে অপর মেয়েকে বিয়ে করার খবর পেয়ে তা যাচাই করতে প্রেমিক সেনা সদস্যর গ্রামে গেলে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রীকে ঘড়ে আটক করে রেখে চালানো হয় নির্যাতন। মহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ায় গ্রাম সহ পার্শ্বের গ্রামের লোকজন ভীড় জমান ঘটনাস্থলে। এঘটনায় কলেজ পড়ুয়া প্রেমিকা তরুনী নিজেই বাদি হয়ে, প্রেমিক সেনা সদস্য মোঃ সাকিব রানা (২৩) কে মূল অভিযুক্ত করে মোট ৩ জনের বিরুদ্ধে রবিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।মামলার এজাহার সুত্রে জানাযায়, প্রায় সারে ৩ বছর পূর্বে সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে প্রথম পরিচয়। পরবর্তীতে সেই পরিচয় এর সুত্রধরে প্রেম ও ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে ওঠে দু'জনের মাঝে। এভাবে চলার মাঝে ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং সাকিব রানা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে প্রেমিকা তরুনীকে নওগাঁ শহরে ডেকে নেয় এবং নওগাঁর একটি হোটেল এর সামনে নিয়ে যায়। প্রেমিকা হোটেল এর ভেতর যেতে রাজি না হলে সে-সময় সাকিব রানা বিভিন্ন কৌশলে বিবাহ করার প্রলোভন দিয়ে প্রেমিকা কলেজ
ছাত্রীকে হোটেল এর ভেতর ৩য়' তলার একটি কক্ষে নিয়েগিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ প্রেমিকাকে করেন। এরপর থেকে প্রেমিক সাকিব রানা বিভিন্ন সময় ছুটিতে এসে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে (আমার) অপরিচিত লোকজনদের বাড়িতে নিয়েগিয়ে ধর্ষণ করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন। সাকিব রানা বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী 'আরটিলারী কোর' ( যশোর সেনানিবাসে কর্মরত)। এক মাসের ছুটিতে এসে গত মাসের শেষ দিন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাকিব রানা ফের ডেকে নিয়ে আবারো বিবাহ করার প্রলোভন দিয়ে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি সিএনজি যোগে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন ভিকটিম। এরপর সে আর পূর্বের ন্যায় ভিকটিম কে ফোন দেয় না, ভিকটিম তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য চেষ্টা করলেও প্রেমিক সাকিব রানা ফোন রিসিভ করেনা, মাঝে মাঝে রিসিভ করলেও আমাকে ফোন করতে নিষেধ করে। এরপর অনেক চেষ্টাকরে যোগাযোগ করে বিবাহ করার জন্য চাপদিলে সে আমাকে বলে, তোমার সাথে যা হয়েছে তা ভুলে যাও এবং আমাকে ক্ষমা করে দিও বলেই ফোন কেটে দেয়। এরপর আমি খোঁজনিয়ে জানতে পারি আমাকে না জানিয়ে সাকিব রানা তার বাড়ির পার্শ্বের এলাকার অপর আরেক মেয়েকে বিয়ে করেছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন। এরপর আমি বিয়ে করার সত্যতা যাচাই
করতে গত ১৮ ফেব্রয়ারী দুপুর সারে ১২ টারদিকে তার খোঁজে গ্রামে গিয়ে সাকিব রানা কে দেখতে পেয়ে ঠকানোর কারন জিজ্ঞাসা করতেই সাকিব রানা আমার হাতধরে নিকটস্থ বাড়ির ভেতর নিয়ে যায় এবং সাকিব রানা সহ আরো দু'জন নারী মোট ৩ জন আমাকে মারপিট (নির্যাতন) করে আমার মোবাইল ফোন ও আমার কাছে থাকা ৭ হাজার ৫০ টাকা কেড়েনিয়ে আমাকে ঘড়ে আটক করে রেখে আমার ফোনে থাকা (প্রমানাদি ডিলিট করেন) বলেও উল্লেখ করেন এজাহারে। পরবর্তীতে আমার পরিবারকে ফোনে খবর দিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে বলেন। খবর পেয়ে আমার মা ও আমার ফুপাত ভাই বিকেল সারে ৩ টারদিকে ঘটনাস্থলে পৌছে আমাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী (ভিকটিম)। এব্যাপারে (ভিকটিম) কলেজ পড়ুয়া তরুণী প্রতিবেদককে জানান, সেনা সদস্য সাকিব রানা ও আমার প্রেমের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে। সে আমাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে ঠকিয়ে-ই ক্ষান্ত হয়নি, সাকিব রানা, তার মা ও শ্বাশুড়ী আমাকে নির্যাতন করে ঘড়ে আটক করে রাখেন, আমি সাকিব রানা কে বিয়ে করতে চাই এজন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।একজন সেনা সদস্য সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে এজাহার প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত