মাসুদ উল হাসান,জামালপুর :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপির কোষাধ্যক্ষ সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছবি মাটিতে ফেলে অবমাননার অভিযোগ উঠেছে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তাদের দুজনকেই দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি বিপ্লব সওদাগর। শনিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান তিনি। তার দাবি তারা দুজনেই আওয়ামীলীগের দোসর ছিলেন। তবে অভিযোগ ভিত্তিহীন ও সাজানো দাবি করেছেন মিলন ও আমিনুল ইসলাম। এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এখন মুখোমুখি অবস্থানে।
জানা যায়,২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ বাস মালিক সমিতির কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আবদুল্লাহ সওদাগর বিপ্লবকে সভাপতি ও মাহমুদুল হাসান মিলনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেন জেলা কমিটি। কমিটি গঠনের পর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড মোড়ে সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলনের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে সমিতির অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। অফিস কক্ষের দেয়ালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছবি সাটিয়ে রাখা হয়। শুক্রবার (৩০) মে সন্ধ্যায় বকশীগঞ্জ বাস মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যালয় থেকে ছবি গুলো নামিয়ে মাটিতে ফেলে রেখে অবমাননা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি যুবদল নেতা বিপ্লব সওদাগর। তার অভিযোগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাৎক্ষনিক তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মিলন ও আমিনুলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। এবং রাতেই সাধারণ সম্পাদক মিলন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বাদী হন বাস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির।
সংবাদ সম্মেলনে তাদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক বিপ্লব সওদাগর বলেন,তারা দুজনেই (মিলন ও আমিনুল) আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী দোসর বলেই তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপির কোষাধ্যক্ষ সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছবি মাটিতে ফেলে রেখে অবমাননার দু:সাহস দেখিয়েছেন। তিনি আরো বলেন মিলনের স্ত্রী ছিলেন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। আওয়ামীলীগের কোঠায় প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন। এডিসি স্ত্রীর দাপটে মিলন এখন শত কোটি টাকার মালিক। একাধিক বাস, প্রাইভেটকার,একাধিক ফ্ল্যাট সহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। ছবি অবমাননার জন্য মাহমুদুল হাসান মিলন ও আমিনুল ইসলামকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেন তিনি।
অভিযোগকারী বাস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বকশীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান লাভলু বলেন,বিষয়টি অত্যান্ত দু:খজনক। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। বিষয়টি থানা পুলিশ ও উপজেলা বিএনপিকে অবহিত করেছি। দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে এই অভিযোগ মনগড়া ও সাজানো দাবি করেছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলন ও আমিনুল ইসলাম।
মাহমুদুল হাসান মিলন বলেন,বিপ্লব সওদাগরের কোন বাস নেই,তবুও তিনি সভাপতি। আমার গাড়ির মালিকানা সেজেই তিনি সভাপতি হয়েছেন। শুরু থেকেই তিনি একক ভাবে সব কিছু করতে চান। এতে নানা বিষয় নিয়ে তার সাথে আমার কিছুটা দুরত্ব সৃষ্টি হয়। তাই আমাকে হেয় করতে ছবি অবমাননার মিথ্যা নাটক সাজিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বাস মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন,এটা মনগড়া বানানো কাহিনী। ছবিগুলো নিজেরাই মাটিতে ফেলে রেখে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ক্ষমতার দাপটে তিনি আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সমাজে হেয় করছেন।
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার শাকের আহাম্মেদ বলেন,অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বকশীগঞ্জে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদককে গ্রেফতার দাবিতে সভাপতির সংবাদ সম্মেলন
বকশীগঞ্জে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদককে গ্রেফতার দাবিতে সভাপতির সংবাদ সম্মেলন
মাসুদ উল হাসান,জামালপুর :বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপির কোষাধ্যক্ষ সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছবি মাটিতে ফেলে অবমাননার অভিযোগ উঠেছে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তাদের দুজনকেই দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি বিপ্লব সওদাগর। শনিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান তিনি। তার দাবি তারা দুজনেই আওয়ামীলীগের দোসর ছিলেন। তবে অভিযোগ ভিত্তিহীন ও সাজানো দাবি করেছেন মিলন ও আমিনুল ইসলাম। এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এখন মুখোমুখি অবস্থানে। জানা যায়,২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ বাস মালিক সমিতির কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আবদুল্লাহ সওদাগর বিপ্লবকে সভাপতি ও মাহমুদুল হাসান মিলনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেন জেলা কমিটি। কমিটি গঠনের পর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড মোড়ে সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলনের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে সমিতির অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। অফিস কক্ষের দেয়ালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছবি সাটিয়ে রাখা হয়। শুক্রবার (৩০) মে সন্ধ্যায় বকশীগঞ্জ বাস মিনিবাস মালিক সমিতির
কার্যালয় থেকে ছবি গুলো নামিয়ে মাটিতে ফেলে রেখে অবমাননা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি যুবদল নেতা বিপ্লব সওদাগর। তার অভিযোগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাৎক্ষনিক তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মিলন ও আমিনুলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। এবং রাতেই সাধারণ সম্পাদক মিলন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বাদী হন বাস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির। সংবাদ সম্মেলনে তাদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক বিপ্লব সওদাগর বলেন,তারা দুজনেই (মিলন ও আমিনুল) আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী দোসর বলেই তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপির কোষাধ্যক্ষ সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছবি মাটিতে ফেলে রেখে অবমাননার দু:সাহস দেখিয়েছেন। তিনি আরো বলেন মিলনের স্ত্রী ছিলেন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। আওয়ামীলীগের কোঠায় প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন। এডিসি স্ত্রীর দাপটে মিলন এখন শত কোটি টাকার মালিক। একাধিক বাস, প্রাইভেটকার,একাধিক ফ্ল্যাট সহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। ছবি অবমাননার জন্য মাহমুদুল হাসান মিলন ও আমিনুল ইসলামকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি
দেন তিনি। অভিযোগকারী বাস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। বকশীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান লাভলু বলেন,বিষয়টি অত্যান্ত দু:খজনক। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। বিষয়টি থানা পুলিশ ও উপজেলা বিএনপিকে অবহিত করেছি। দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এই অভিযোগ মনগড়া ও সাজানো দাবি করেছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলন ও আমিনুল ইসলাম। মাহমুদুল হাসান মিলন বলেন,বিপ্লব সওদাগরের কোন বাস নেই,তবুও তিনি সভাপতি। আমার গাড়ির মালিকানা সেজেই তিনি সভাপতি হয়েছেন। শুরু থেকেই তিনি একক ভাবে সব কিছু করতে চান। এতে নানা বিষয় নিয়ে তার সাথে আমার কিছুটা দুরত্ব সৃষ্টি হয়। তাই আমাকে হেয় করতে ছবি অবমাননার মিথ্যা নাটক সাজিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বাস মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন,এটা মনগড়া বানানো কাহিনী। ছবিগুলো নিজেরাই মাটিতে ফেলে রেখে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ক্ষমতার দাপটে তিনি আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সমাজে হেয় করছেন। বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার শাকের আহাম্মেদ বলেন,অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত