জামালপুরের বকশীগঞ্জে নদী ভাঙন রোধে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের উজান কলকিহারা গ্রামবাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নদী ভাঙনের কবল থেকে মসজিদ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ফসলি জমি,বসত ভিটা রক্ষায় মানববন্ধন করেন তারা।
উজান কলকিহারা দশানী নদীর তীরে ঘন্ট্যাব্যাপী মানববন্ধন শেষে ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আবদুল মালেক,শহিদুল্লাহ,নুর ইসলাম,আব্বাস আলী ও হাবিবুর রহমান খোকন প্রমূখ।
মাওলানা আবদুল মালেক বলেন,প্রতিবছর বন্যায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ বছর ভাঙনের তীব্রতা অনেক বেশি। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে মসজিদ,কবরস্থানসহ বসভিটা বিলীন হয়ে যাবে। তাছাড়া মসজিদটি ভেঙে গেলে নতুন করে আর করার সূযোগ হবে না। তাই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তিনি।
জানা যায়, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে দশানী,ব্রহ্মপুত্র ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বেড়েছে। পানি বাড়ার সাথে সাথে শুরু হয়েছে প্রবল ভাঙন। মাইলের পরম মাইল ফসলি জমি চলে যাচ্ছে নদীতে। উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের শেখেরচর,মাইছেনির চর,ভাটি কলকিহারা,উজান কলকিহারা,খেওয়ারচর, জাগিরপাড়া,আউলপাড়া, নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের কুশলনগর, সাজিমারা,সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আইড়মারী, কুতুবেরচর,বাঙ্গাল পাড়া,আইরমারী, খান পাড়া, চর আইরমারী, চর কামালের বাত্তী এলাকায় নদী ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করেছে। ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে প্রায় শতাধিক বসত ভিটা। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও ফসলি জমি চলে গেছে নদীর গর্ভে। ভাঙনের ফলে নদী পাড়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন বলেন,নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছি। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ভাঙন রোধে বাঙ্গালপাড়ায় জিও ব্যাগ স্থাপন করা হচ্ছে। ভাঙন রোধে দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সকল ভাঙন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ স্থাপন করা হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা করে সহায়তা করার আশ্বাস দেন তিনি।
উজান কলকিহারা দশানী নদীর তীরে ঘন্ট্যাব্যাপী মানববন্ধন শেষে ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আবদুল মালেক,শহিদুল্লাহ,নুর ইসলাম,আব্বাস আলী ও হাবিবুর রহমান খোকন প্রমূখ।
মাওলানা আবদুল মালেক বলেন,প্রতিবছর বন্যায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ বছর ভাঙনের তীব্রতা অনেক বেশি। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে মসজিদ,কবরস্থানসহ বসভিটা বিলীন হয়ে যাবে। তাছাড়া মসজিদটি ভেঙে গেলে নতুন করে আর করার সূযোগ হবে না। তাই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তিনি।
জানা যায়, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে দশানী,ব্রহ্মপুত্র ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বেড়েছে। পানি বাড়ার সাথে সাথে শুরু হয়েছে প্রবল ভাঙন। মাইলের পরম মাইল ফসলি জমি চলে যাচ্ছে নদীতে। উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের শেখেরচর,মাইছেনির চর,ভাটি কলকিহারা,উজান কলকিহারা,খেওয়ারচর, জাগিরপাড়া,আউলপাড়া, নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের কুশলনগর, সাজিমারা,সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আইড়মারী, কুতুবেরচর,বাঙ্গাল পাড়া,আইরমারী, খান পাড়া, চর আইরমারী, চর কামালের বাত্তী এলাকায় নদী ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করেছে। ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে প্রায় শতাধিক বসত ভিটা। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও ফসলি জমি চলে গেছে নদীর গর্ভে। ভাঙনের ফলে নদী পাড়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন বলেন,নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছি। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ভাঙন রোধে বাঙ্গালপাড়ায় জিও ব্যাগ স্থাপন করা হচ্ছে। ভাঙন রোধে দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সকল ভাঙন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ স্থাপন করা হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা করে সহায়তা করার আশ্বাস দেন তিনি।