ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রধান স্লোগানে পরিণত হয়েছিল ‘বন্দে মাতরম’ গান। কিন্তু কংগ্রেস ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যুক্তি দেখিয়ে এই গানের পুনর্ব্যবহার নিয়ে সমঝোতা করেছিল। তারা এই গানের বিভাজন মেনে নেওয়ার মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে ভারত বিভাজনের পথেও নত হয়েছিল।
সোমবার ভারতের লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে নরেন্দ্র মোদি এসব কথা বলেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যয় রচিত গানটির ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অধিবেশনে আলোচনা চলে। গানটির কিছু স্তবক বাদ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিতর্ক শুরু হওয়ায় আলোচনার জন্য অধিবেশনে ১০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষে আলোচনায় যোগ দেবেন লোকসভার উপনেতা গৌরব গগৈ ও সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
আলোচনার শুরুতে নরেন্দ্র মোদি প্রশ্ন তোলেন, বন্দে মাতরমের প্রতি অবিচার করা হলো কেন? ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আপত্তি তোলার পর সুভাষচন্দ্র বসুকে চিঠি লিখেছিলেন জওহরলাল নেহরু। এতে বলা হয়েছিল, এই গানের প্রেক্ষাপট মুসলিম সমাজে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে। এরপর সিদ্ধান্ত হয়, কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে গানটির ব্যবহার পুনর্বিবেচনা করা হবে।
নরেন্দ্র মোদির ভাষ্য, তখন দেশজুড়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয়। কিন্তু ২৬ অক্টোবর, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যুক্তি দেখিয়ে কংগ্রেস বন্দে মাতরম নিয়ে সমঝোতায় যায়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, কংগ্রেস মুসলিম লীগের চাপে নতিস্বীকার করে এই সিদ্ধান্ত নেয়। এটি কংগ্রেসের তোষণমূলক রাজনীতির একটি উদাহরণ।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় ভারতবর্ষের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাংলা। ঠিক সে কারণেই ব্রিটিশরা এটিকে দুর্বল করার চেষ্টা করে। ১৯০৫ সালে তারা বঙ্গভঙ্গ ঘটায়। কিন্তু বন্দে মাতরম সে সময়েও এক অবিচল প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
মোদির বক্তব্যের সমালোচনায় লোকসভার উপনেতা ও আসামের সংসদ সদস্য গৌরব গগৈ বলেন, বন্দে মাতরমকে শুধু স্লোগান নয়, জাতীয় গানের মর্যাদায় তুলে ধরার কাজ যদি কোনো দল করে থাকে, তা কংগ্রেসই করেছে।
গৌরব গগৈ বলেন, ১৯০৫ সালের স্বদেশী আন্দোলনের আগে ১৮৯৬ সালে কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুরেলা ভঙ্গিতে বন্দে মাতরম পরিবেশন করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন পর্বে বন্দে মাতরম গাওয়া ও ব্যবহারের বহু উদাহরণ আছে।
লোকসভার এই উপনেতা নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যতই চেষ্টা করা হোক, পন্ডিত জওহরলাল নেহরুর অবদান কলুষিত করার মতো একটি কালিমাও আরোপ করা সম্ভব নয়।
বন্দে মাতরমের মতো ভারত বিভাজনেও নত হয়েছিল কংগ্রেস
বন্দে মাতরমের মতো ভারত বিভাজনেও নত হয়েছিল কংগ্রেস
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রধান স্লোগানে পরিণত হয়েছিল ‘বন্দে মাতরম’ গান। কিন্তু কংগ্রেস ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যুক্তি দেখিয়ে এই গানের পুনর্ব্যবহার নিয়ে সমঝোতা করেছিল। তারা এই গানের বিভাজন মেনে নেওয়ার মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে ভারত বিভাজনের পথেও নত হয়েছিল।সোমবার ভারতের লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে নরেন্দ্র মোদি এসব কথা বলেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যয় রচিত গানটির ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অধিবেশনে আলোচনা চলে। গানটির কিছু স্তবক বাদ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিতর্ক শুরু হওয়ায় আলোচনার জন্য অধিবেশনে ১০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষে আলোচনায় যোগ দেবেন লোকসভার উপনেতা গৌরব গগৈ ও সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।আলোচনার শুরুতে নরেন্দ্র মোদি প্রশ্ন তোলেন, বন্দে মাতরমের প্রতি অবিচার করা
হলো কেন? ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আপত্তি তোলার পর সুভাষচন্দ্র বসুকে চিঠি লিখেছিলেন জওহরলাল নেহরু। এতে বলা হয়েছিল, এই গানের প্রেক্ষাপট মুসলিম সমাজে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে। এরপর সিদ্ধান্ত হয়, কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে গানটির ব্যবহার পুনর্বিবেচনা করা হবে।নরেন্দ্র মোদির ভাষ্য, তখন দেশজুড়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয়। কিন্তু ২৬ অক্টোবর, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যুক্তি দেখিয়ে কংগ্রেস বন্দে মাতরম নিয়ে সমঝোতায় যায়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, কংগ্রেস মুসলিম লীগের চাপে নতিস্বীকার করে এই সিদ্ধান্ত নেয়। এটি কংগ্রেসের তোষণমূলক রাজনীতির একটি উদাহরণ।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় ভারতবর্ষের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাংলা। ঠিক সে কারণেই ব্রিটিশরা এটিকে দুর্বল করার চেষ্টা করে। ১৯০৫ সালে তারা বঙ্গভঙ্গ ঘটায়। কিন্তু বন্দে
মাতরম সে সময়েও এক অবিচল প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।মোদির বক্তব্যের সমালোচনায় লোকসভার উপনেতা ও আসামের সংসদ সদস্য গৌরব গগৈ বলেন, বন্দে মাতরমকে শুধু স্লোগান নয়, জাতীয় গানের মর্যাদায় তুলে ধরার কাজ যদি কোনো দল করে থাকে, তা কংগ্রেসই করেছে।গৌরব গগৈ বলেন, ১৯০৫ সালের স্বদেশী আন্দোলনের আগে ১৮৯৬ সালে কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুরেলা ভঙ্গিতে বন্দে মাতরম পরিবেশন করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন পর্বে বন্দে মাতরম গাওয়া ও ব্যবহারের বহু উদাহরণ আছে।লোকসভার এই উপনেতা নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যতই চেষ্টা করা হোক, পন্ডিত জওহরলাল নেহরুর অবদান কলুষিত করার মতো একটি কালিমাও আরোপ করা সম্ভব নয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত